দূষণের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর একগুচ্ছ নির্দেশ
- সর্বশেষ আপডেট ০৪:০৭:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
- / 16
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শনিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের চামেলী হলে পরিবেশ দূষণবিষয়ক বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। ছবি: পিএমও
রাজধানীর দূষণ কমাতে এবার কঠোর অবস্থান নিল সরকার। পরিবেশ দূষণের অন্যতম উৎস ইটভাটা, অতিরিক্ত হর্ন এবং ফিটনেসবিহীন যানবাহনের বিরুদ্ধে দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তিতে ইট উৎপাদনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি।
শনিবার (১৮ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের চামেলী হলে পরিবেশ দূষণবিষয়ক এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এসব নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব গাজী শাহরিয়ার পামির জানান, বায়ু ও শব্দদূষণ কমাতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিশেষ করে ইটভাটা থেকে সৃষ্ট বায়ুদূষণ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এবং পরিবেশবান্ধব বিকল্প প্রযুক্তিতে ইট উৎপাদন নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী।
শুধু বায়ুদূষণ নয়, রাজধানীতে অপ্রয়োজনীয় হর্ন বাজানো নিয়ন্ত্রণেও কঠোর অবস্থানের নির্দেশ দেন সরকারপ্রধান। তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দেন।
বৈঠকে উঠে আসে প্রযুক্তিনির্ভর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার বিষয়ও। বর্তমানে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ক্যামেরার মতো প্রযুক্তি ব্যবহার করে হর্ন নিয়ন্ত্রণের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী রাজধানীর সড়ক থেকে ফিটনেসবিহীন, মেয়াদোত্তীর্ণ এবং পরিবেশ দূষণকারী বাস, ট্রাক ও অন্যান্য যানবাহন দ্রুত অপসারণের ওপর জোর দেন।
পাশাপাশি যানজট কমাতে রাজধানীর আরও অন্তত ৫০টি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে অটোমেটিক ট্রাফিক লাইট সিস্টেম দ্রুত চালুর নির্দেশ দেন তিনি।
বৈঠকে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. সাইমুম পারভেজ, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনারসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের মতে, ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া এবং শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে ঘোষিত পদক্ষেপগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করা গেলে রাজধানীর বায়ুমান ও নগরজীবনের মান উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হতে পারে।




































