ঢাকা ০২:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বকুলকে কৃষিপ্রতিমন্ত্রী করার দাবি

বশির আহম্মদ মোল্লা, নরসিংদী প্রতিনিধি
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:০১:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
  • / 93

জাতীয় সংসদে বিভিন্ন বিষয়ে জনগণের ¯^ার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ধারাবাহিকভাবে তুলে ধরে দেশবাসীর কাছে প্রসংশায় ভাসছে কেন্দ্রীয় বিএনপির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সহ-সম্পাদক,নরসিংদী-৫ (রায়পুরা) আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল|

তাকে কৃষিপ্রতিমন্ত্রী করতে দলীয় নেতাকর্মীরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর কাছে জোর দাবি জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনার ঝড় তুলেছেন|

জানাগেছে,শতবছরের দুই গ্রুপের লেগে থাকা সংঘাত নিরশন, বাজেট বরাদ্ধ সমবন্টন,কোরবানীর চামড়া,চাঁদাবাজী বন্ধ,মাদক নির্মূল,সন্ত্রাসীর বিরোদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা, রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বন্ধ করে স্থায়ীভাবে অবসান ঘটিয়ে এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে যুদ্ধ ঘোষনা এবং ব্যাপক উন্নয়ন জোয়ারের মহা পরিকল্পনা গ্রহন করেছেন বহু গুনের অধিকারী কেন্দ্রীয় বিএনপির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সহ-সম্পাদক,নরসিংদী-৫ (রায়পুরা) আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল|

নরসিংদী-৫ (রায়পুরা) আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল-কে নিয়ে স্থানীয় দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে বিভিন্ন ইতিবাচক ও আলোচিত অনেক দিক রয়েছে|

রায়পুরার রাজনীতিতে তাঁর অবদান এবং তাঁর ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে নেতাকর্মীরা সাধারণত যে বিষয়গুলো তুলে ধরেন, তা নিচে আলোচনা করা হলো: সৎ ও পরিচ্ছন্ন ইমেজের নেতা,নেতাকর্মীরা প্রায়ই তাঁর রাজনৈতিক সততার কথা উল্লেখ করেন| তাঁর বিরুদ্ধে বড় কোনো দুর্নীতি বা অনিয়মের অভিযোগ না থাকায় এলাকায় তিনি একজন ‘¯^চ্ছ ও পরিচ্ছন্ন ইমেজের রাজনীতিবিদ’ হিসেবে পরিচিত| সাধারণ মানুষের কাছে তাঁর এই সততা রায়পুরার রাজনীতিতে তাঁকে অনন্য করে তুলেছে|

তার ভয়ে অনেক মাদক,সন্ত্রাস,দূর্নীতি,অনিয়ম,নারী ধর্ষন সহ সকল সন্ত্রাসী কর্মকান্ড বন্ধ করতে অতি কাছের অথবা দুরে কাউকে তোয়াক্কা করছে না, এ বিষয়ে যুদ্ধ ঘোষনা করছেন ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল এমপি,
সাধারণ মানুষের সাথে নিবিড় সংযোগ ,তিনি তৃণমূলের নেতাকর্মী ও রায়পুরার সাধারণ মানুষের জন্য সব সময় উন্মুক্ত ছিলেন| রায়পুরার চরাঞ্চল থেকে শুরু করে মূল ভূখণ্ডের যেকোনো প্রান্তের মানুষ যেকোনো প্রয়োজনে তাঁর কাছে সহজে পৌঁছাতে পারত| নেতাকর্মীদের বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের সুখ-দুঃখের অংশীদার হওয়ার কারণে মাঠপর্যায়ে তাঁর একটি শক্তিশালী ও অনুগত কর্মী বাহিনী গড়ে ওঠে|

দলের প্রতি আনুগত্য ও কোন্দল নিরসনে ভূমিকা,বিভিন্ন রাজনৈতিক সংকটেও তিনি দলের প্রতি অবিচল ছিলেন| স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতে, রায়পুরার অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক কোন্দল নিরসন এবং দলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখতে তিনি সব সময় অভিভাবকের মতো ভূমিকা পালন করার চেষ্টা করেছেন|

নেতাকর্মীদের সামগ্রিক মূল্যায়ন:”ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল কেবল একজন রাজনীতিবিদই নন, তিনি রায়পুরার উন্নয়ন ও আস্থার প্রতীক| তাঁর সততা, উন্নয়নমুখী চিন্তা এবং তৃণমূলের প্রতি ভালোবাসা রায়পুরার রাজনৈতিক ইতিহাসে তাঁকে চিরস্মরণীয় করে রাখবে|”

নরসিংদী-৫ (রায়পুরা) আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল-এর নেতৃত্বে চরাঞ্চলের দীর্ঘদিনের দুই গ্রুপের বিরোধ নিরসন এবং শান্তি প্রতিষ্ঠা করার উদ্যোগকে দলীয় নেতাকর্মীরা অত্যন্ত ইতিবাচক ও যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন| তার এই ভূমিকাকে ¯^াগত জানিয়ে দলীয় নেতাকর্মীরা বিভিন্ন ভালো ও আলোচিত দিক তুলে ধরে বলেন: দীর্ঘদিনের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের অবসান,নেতাকর্মীদের মতে, রায়পুরার চরাঞ্চল ( বাঁশগাড়ী, মির্জাচর, নিলক্ষ্যা) দীর্ঘদিন ধরে টেটাযুদ্ধ, আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও দুই গ্রুপের আধিপত্য বিস্তারের কারণে অশান্ত ছিল| ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল দায়িত্ব নেওয়ার পর দুই পক্ষকে এক টেবিলে বসিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের স্থায়ী অবসান ঘটাতে সক্ষম হয়েছেন|

২. “শান্তির দূত” হিসেবে আত্মপ্রকাশ,স্থানীয় বিএনপির নেতারা উল্লেখ করেন যে, তিনি কোনো নির্দিষ্ট পক্ষের হয়ে কাজ না করে, এলাকার সাধারণ মানুষের জানমালের সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন|

চরাঞ্চলে শান্তি ফিরিয়ে আনায় সাধারণ মানুষের কাছে তিনি এখন “শান্তির দূত” হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছেন| সাধারণ মানুষের ঘরে ফেরা নিশ্চিত করা বিগত বছরগুলোতে রাজনৈতিক ও এলাকাভিত্তিক সংঘর্ষের কারণে হাজার হাজার মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছিল, অনেকের বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল| এমপি বকুলের কঠোর ও নিরপেক্ষ ভূমিকার কারণে চরাঞ্চলের শত শত পরিবার আবার নিজ নিজ বাড়িতে নিরাপদে ফিরে আসতে পেরেছে এবং ¯^াভাবিক জীবনযাপন করছে|

উন্নয়নের ধারা সচল করা,নেতাকর্মীরা জোর দিয়ে বলেন যে, অশান্ত চরাঞ্চলে কোনো টেকসই উন্নয়ন সম্ভব ছিল না| এলাকায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরে আসায় এখন রাস্তাঘাট, কালভার্ট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও চরের অবহেলিত মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে মনোযোগ দেওয়া সহজ হচ্ছে| শান্তি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই তিনি চরাঞ্চলের প্রকৃত উন্নয়ন নিশ্চিত করছেন|

পক্ষপাতহীন ও সুদৃঢ় নেতৃত্ব,দলীয় ফোরামে আলোচনায় কর্মীরা বলেন, তিনি কোনো অপরাধী বা দাঙ্গাবাজকে প্রশ্রয় দেননি, তা সে যে দলেরই হোক না কেন| আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং পুলিশ প্রশাসনকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করার সুযোগ করে দিয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন যে, রায়পুরাকে একটি মডেল ও শান্ত জনপদে রূপান্তর করাই তার মূল লক্ষ্য|


নেতাকর্মীদের মূল বক্তব্য: “ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল রায়পুরার চরাঞ্চল থেকে চিরতরে টেটাযুদ্ধ ও হানাহানি বন্ধের যে ঐতিহাসিক উদ্যোগ নিয়েছেন, তা চরের মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়েছে| তার এই সুদৃঢ় ও দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণেই আজ রায়পুরায় শান্তি বিরাজ করছে|”

রায়পুরার আধুনিকায়নে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড,দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল এমপি হয়ে রায়পুরার অবকাঠামোগত উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখতে প্রত্যন্ত অঞ্চলের রাস্তাঘাট পাকা করা, ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ এবং যাতায়াত ব্যবস্থা সহজ করার পেছনে তাঁর বড় অবদান থাকবে বহু স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও মসজিদের অবকাঠামোগত উন্নয়ন সাধিত হয়েছে, যা এলাকার শিক্ষার হার বাড়াতে সাহায্য করেছে|

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বকুলকে কৃষিপ্রতিমন্ত্রী করার দাবি

সর্বশেষ আপডেট ১০:০১:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

জাতীয় সংসদে বিভিন্ন বিষয়ে জনগণের ¯^ার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ধারাবাহিকভাবে তুলে ধরে দেশবাসীর কাছে প্রসংশায় ভাসছে কেন্দ্রীয় বিএনপির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সহ-সম্পাদক,নরসিংদী-৫ (রায়পুরা) আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল|

তাকে কৃষিপ্রতিমন্ত্রী করতে দলীয় নেতাকর্মীরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর কাছে জোর দাবি জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনার ঝড় তুলেছেন|

জানাগেছে,শতবছরের দুই গ্রুপের লেগে থাকা সংঘাত নিরশন, বাজেট বরাদ্ধ সমবন্টন,কোরবানীর চামড়া,চাঁদাবাজী বন্ধ,মাদক নির্মূল,সন্ত্রাসীর বিরোদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা, রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বন্ধ করে স্থায়ীভাবে অবসান ঘটিয়ে এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে যুদ্ধ ঘোষনা এবং ব্যাপক উন্নয়ন জোয়ারের মহা পরিকল্পনা গ্রহন করেছেন বহু গুনের অধিকারী কেন্দ্রীয় বিএনপির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সহ-সম্পাদক,নরসিংদী-৫ (রায়পুরা) আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল|

নরসিংদী-৫ (রায়পুরা) আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল-কে নিয়ে স্থানীয় দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে বিভিন্ন ইতিবাচক ও আলোচিত অনেক দিক রয়েছে|

রায়পুরার রাজনীতিতে তাঁর অবদান এবং তাঁর ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে নেতাকর্মীরা সাধারণত যে বিষয়গুলো তুলে ধরেন, তা নিচে আলোচনা করা হলো: সৎ ও পরিচ্ছন্ন ইমেজের নেতা,নেতাকর্মীরা প্রায়ই তাঁর রাজনৈতিক সততার কথা উল্লেখ করেন| তাঁর বিরুদ্ধে বড় কোনো দুর্নীতি বা অনিয়মের অভিযোগ না থাকায় এলাকায় তিনি একজন ‘¯^চ্ছ ও পরিচ্ছন্ন ইমেজের রাজনীতিবিদ’ হিসেবে পরিচিত| সাধারণ মানুষের কাছে তাঁর এই সততা রায়পুরার রাজনীতিতে তাঁকে অনন্য করে তুলেছে|

তার ভয়ে অনেক মাদক,সন্ত্রাস,দূর্নীতি,অনিয়ম,নারী ধর্ষন সহ সকল সন্ত্রাসী কর্মকান্ড বন্ধ করতে অতি কাছের অথবা দুরে কাউকে তোয়াক্কা করছে না, এ বিষয়ে যুদ্ধ ঘোষনা করছেন ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল এমপি,
সাধারণ মানুষের সাথে নিবিড় সংযোগ ,তিনি তৃণমূলের নেতাকর্মী ও রায়পুরার সাধারণ মানুষের জন্য সব সময় উন্মুক্ত ছিলেন| রায়পুরার চরাঞ্চল থেকে শুরু করে মূল ভূখণ্ডের যেকোনো প্রান্তের মানুষ যেকোনো প্রয়োজনে তাঁর কাছে সহজে পৌঁছাতে পারত| নেতাকর্মীদের বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের সুখ-দুঃখের অংশীদার হওয়ার কারণে মাঠপর্যায়ে তাঁর একটি শক্তিশালী ও অনুগত কর্মী বাহিনী গড়ে ওঠে|

দলের প্রতি আনুগত্য ও কোন্দল নিরসনে ভূমিকা,বিভিন্ন রাজনৈতিক সংকটেও তিনি দলের প্রতি অবিচল ছিলেন| স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতে, রায়পুরার অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক কোন্দল নিরসন এবং দলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখতে তিনি সব সময় অভিভাবকের মতো ভূমিকা পালন করার চেষ্টা করেছেন|

নেতাকর্মীদের সামগ্রিক মূল্যায়ন:”ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল কেবল একজন রাজনীতিবিদই নন, তিনি রায়পুরার উন্নয়ন ও আস্থার প্রতীক| তাঁর সততা, উন্নয়নমুখী চিন্তা এবং তৃণমূলের প্রতি ভালোবাসা রায়পুরার রাজনৈতিক ইতিহাসে তাঁকে চিরস্মরণীয় করে রাখবে|”

নরসিংদী-৫ (রায়পুরা) আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল-এর নেতৃত্বে চরাঞ্চলের দীর্ঘদিনের দুই গ্রুপের বিরোধ নিরসন এবং শান্তি প্রতিষ্ঠা করার উদ্যোগকে দলীয় নেতাকর্মীরা অত্যন্ত ইতিবাচক ও যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন| তার এই ভূমিকাকে ¯^াগত জানিয়ে দলীয় নেতাকর্মীরা বিভিন্ন ভালো ও আলোচিত দিক তুলে ধরে বলেন: দীর্ঘদিনের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের অবসান,নেতাকর্মীদের মতে, রায়পুরার চরাঞ্চল ( বাঁশগাড়ী, মির্জাচর, নিলক্ষ্যা) দীর্ঘদিন ধরে টেটাযুদ্ধ, আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও দুই গ্রুপের আধিপত্য বিস্তারের কারণে অশান্ত ছিল| ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল দায়িত্ব নেওয়ার পর দুই পক্ষকে এক টেবিলে বসিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের স্থায়ী অবসান ঘটাতে সক্ষম হয়েছেন|

২. “শান্তির দূত” হিসেবে আত্মপ্রকাশ,স্থানীয় বিএনপির নেতারা উল্লেখ করেন যে, তিনি কোনো নির্দিষ্ট পক্ষের হয়ে কাজ না করে, এলাকার সাধারণ মানুষের জানমালের সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন|

চরাঞ্চলে শান্তি ফিরিয়ে আনায় সাধারণ মানুষের কাছে তিনি এখন “শান্তির দূত” হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছেন| সাধারণ মানুষের ঘরে ফেরা নিশ্চিত করা বিগত বছরগুলোতে রাজনৈতিক ও এলাকাভিত্তিক সংঘর্ষের কারণে হাজার হাজার মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছিল, অনেকের বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল| এমপি বকুলের কঠোর ও নিরপেক্ষ ভূমিকার কারণে চরাঞ্চলের শত শত পরিবার আবার নিজ নিজ বাড়িতে নিরাপদে ফিরে আসতে পেরেছে এবং ¯^াভাবিক জীবনযাপন করছে|

উন্নয়নের ধারা সচল করা,নেতাকর্মীরা জোর দিয়ে বলেন যে, অশান্ত চরাঞ্চলে কোনো টেকসই উন্নয়ন সম্ভব ছিল না| এলাকায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরে আসায় এখন রাস্তাঘাট, কালভার্ট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও চরের অবহেলিত মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে মনোযোগ দেওয়া সহজ হচ্ছে| শান্তি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই তিনি চরাঞ্চলের প্রকৃত উন্নয়ন নিশ্চিত করছেন|

পক্ষপাতহীন ও সুদৃঢ় নেতৃত্ব,দলীয় ফোরামে আলোচনায় কর্মীরা বলেন, তিনি কোনো অপরাধী বা দাঙ্গাবাজকে প্রশ্রয় দেননি, তা সে যে দলেরই হোক না কেন| আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং পুলিশ প্রশাসনকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করার সুযোগ করে দিয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন যে, রায়পুরাকে একটি মডেল ও শান্ত জনপদে রূপান্তর করাই তার মূল লক্ষ্য|


নেতাকর্মীদের মূল বক্তব্য: “ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল রায়পুরার চরাঞ্চল থেকে চিরতরে টেটাযুদ্ধ ও হানাহানি বন্ধের যে ঐতিহাসিক উদ্যোগ নিয়েছেন, তা চরের মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়েছে| তার এই সুদৃঢ় ও দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণেই আজ রায়পুরায় শান্তি বিরাজ করছে|”

রায়পুরার আধুনিকায়নে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড,দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল এমপি হয়ে রায়পুরার অবকাঠামোগত উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখতে প্রত্যন্ত অঞ্চলের রাস্তাঘাট পাকা করা, ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ এবং যাতায়াত ব্যবস্থা সহজ করার পেছনে তাঁর বড় অবদান থাকবে বহু স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও মসজিদের অবকাঠামোগত উন্নয়ন সাধিত হয়েছে, যা এলাকার শিক্ষার হার বাড়াতে সাহায্য করেছে|