ঢাকা ০২:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বন্যায় ৫৪ মৃত্যুর বড় কারণ পাহাড়ধস

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:২০:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
  • / 13

চলমান বন্যায় ৫৪ জনের মৃত্যুর মধ্যে বেশিরভাগেরই মৃত্যু হয়েছে পাহাড় ধসে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি জানান, বন্যাকবলিত মানুষের জন্য জরুরি ত্রাণ কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় মন্ত্রণালয় থেকে তাৎক্ষণিকভাবে ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ৩ হাজার ২৫০ টন চাল ও শুকনো খাবার পাঠানো হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভাণ্ডার থেকেও প্রতিটি জেলায় অতিরিক্ত ২০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে রান্না করা খাবার ও শুকনো খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে।

উদ্ধার কার্যক্রমে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও কোস্টগার্ডকে নিয়োজিত করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, উদ্ধারকাজ দ্রুত করতে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে স্পিডবোট ও রাবার বোট পাঠানো হয়েছে।

আসাদুল হাবিব দুলু জানান, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে সরকার বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক দ্রুত মেরামতের জন্য সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর এবং স্থানীয় সরকার বিভাগকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কাঁচা সড়ক সংস্কারে কাবিখা ও কাবিটা কর্মসূচি ব্যবহার করা হবে।

তিনি আরও বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি চালু থাকবে। বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী নিয়মিতভাবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করছেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে যাবেন বলেও জানান।

সভায় স্বাস্থ্য, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বন্যায় ৫৪ মৃত্যুর বড় কারণ পাহাড়ধস

সর্বশেষ আপডেট ১০:২০:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

চলমান বন্যায় ৫৪ জনের মৃত্যুর মধ্যে বেশিরভাগেরই মৃত্যু হয়েছে পাহাড় ধসে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি জানান, বন্যাকবলিত মানুষের জন্য জরুরি ত্রাণ কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় মন্ত্রণালয় থেকে তাৎক্ষণিকভাবে ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ৩ হাজার ২৫০ টন চাল ও শুকনো খাবার পাঠানো হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভাণ্ডার থেকেও প্রতিটি জেলায় অতিরিক্ত ২০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে রান্না করা খাবার ও শুকনো খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে।

উদ্ধার কার্যক্রমে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও কোস্টগার্ডকে নিয়োজিত করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, উদ্ধারকাজ দ্রুত করতে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে স্পিডবোট ও রাবার বোট পাঠানো হয়েছে।

আসাদুল হাবিব দুলু জানান, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে সরকার বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক দ্রুত মেরামতের জন্য সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর এবং স্থানীয় সরকার বিভাগকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কাঁচা সড়ক সংস্কারে কাবিখা ও কাবিটা কর্মসূচি ব্যবহার করা হবে।

তিনি আরও বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি চালু থাকবে। বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী নিয়মিতভাবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করছেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে যাবেন বলেও জানান।

সভায় স্বাস্থ্য, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।