ঢাকা ০৮:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাবেক রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে বিএনপির দুই মন্ত্রীর ভিন্ন সুর

সিনিয়র প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:২৬:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬
  • / 18

সাবেক রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে বিএনপির দুই মন্ত্রীর ভিন্ন সুর

সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে ঘিরে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে সরকারের দুই মন্ত্রীর বক্তব্যে ভিন্ন সুর দেখা গেছে। একদিকে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান তার অতীত কর্মকাণ্ড তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন। অন্যদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সাবেক রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ কিংবা তাকে গ্রেপ্তারের দাবিকে গুরুত্ব দেওয়ার মতো কিছু নেই।

রোববার (২৬ জুলাই) পৃথক অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে দুই মন্ত্রীর এমন অবস্থান সামনে আসে।

চট্টগ্রামে এক অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের অতীত দায়িত্ব পালন এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে তার কর্মকাণ্ড নিয়ে ওঠা অভিযোগ যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তিনি জানান, জনগণের বিভিন্ন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দুদকের কমিশনার এবং ইসলামী ব্যাংকের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময়কার কার্যক্রমও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তিনি বলেন, তদন্ত শেষ হলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকার কাউকে অন্যায়ভাবে হয়রানি করতে চায় না, তবে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করা হবে।

অন্যদিকে, একই দিন সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ভিন্ন অবস্থান তুলে ধরেন। সাবেক রাষ্ট্রপতিকে গ্রেপ্তার বা তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবির বিষয়ে তিনি বলেন, এ ধরনের দাবি আমলে নেওয়ার মতো নয়। তার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ তোলা হয়েছে, সেগুলোও গুরুত্ব দেওয়ার মতো নয়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, আইন অনুযায়ী সাবেক রাষ্ট্রপতি হিসেবে মো. সাহাবুদ্দিন নির্ধারিত নিরাপত্তা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

এ সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে মো. সাহাবুদ্দিনের কথিত ফোনালাপ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি মন্তব্য করেন, বর্তমান সময়ে কারও সঙ্গে কথা বলার জন্য বিদেশে যাওয়ার প্রয়োজন হয় না।

সাবেক রাষ্ট্রপতিকে ঘিরে দুই মন্ত্রীর এমন ভিন্নধর্মী বক্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা সৃষ্টি করেছে। একদিকে তদন্তের মাধ্যমে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিত, অন্যদিকে অভিযোগ ও গ্রেপ্তারের দাবি গুরুত্বহীন বলে মন্তব্য—সরকারের দুই গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীর এই দুই ধরনের অবস্থান বিষয়টিকে আরও আলোচনায় নিয়ে এসেছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

সাবেক রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে বিএনপির দুই মন্ত্রীর ভিন্ন সুর

সর্বশেষ আপডেট ০৭:২৬:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে ঘিরে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে সরকারের দুই মন্ত্রীর বক্তব্যে ভিন্ন সুর দেখা গেছে। একদিকে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান তার অতীত কর্মকাণ্ড তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন। অন্যদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সাবেক রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ কিংবা তাকে গ্রেপ্তারের দাবিকে গুরুত্ব দেওয়ার মতো কিছু নেই।

রোববার (২৬ জুলাই) পৃথক অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে দুই মন্ত্রীর এমন অবস্থান সামনে আসে।

চট্টগ্রামে এক অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের অতীত দায়িত্ব পালন এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে তার কর্মকাণ্ড নিয়ে ওঠা অভিযোগ যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তিনি জানান, জনগণের বিভিন্ন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দুদকের কমিশনার এবং ইসলামী ব্যাংকের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময়কার কার্যক্রমও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তিনি বলেন, তদন্ত শেষ হলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকার কাউকে অন্যায়ভাবে হয়রানি করতে চায় না, তবে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করা হবে।

অন্যদিকে, একই দিন সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ভিন্ন অবস্থান তুলে ধরেন। সাবেক রাষ্ট্রপতিকে গ্রেপ্তার বা তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবির বিষয়ে তিনি বলেন, এ ধরনের দাবি আমলে নেওয়ার মতো নয়। তার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ তোলা হয়েছে, সেগুলোও গুরুত্ব দেওয়ার মতো নয়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, আইন অনুযায়ী সাবেক রাষ্ট্রপতি হিসেবে মো. সাহাবুদ্দিন নির্ধারিত নিরাপত্তা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

এ সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে মো. সাহাবুদ্দিনের কথিত ফোনালাপ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি মন্তব্য করেন, বর্তমান সময়ে কারও সঙ্গে কথা বলার জন্য বিদেশে যাওয়ার প্রয়োজন হয় না।

সাবেক রাষ্ট্রপতিকে ঘিরে দুই মন্ত্রীর এমন ভিন্নধর্মী বক্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা সৃষ্টি করেছে। একদিকে তদন্তের মাধ্যমে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিত, অন্যদিকে অভিযোগ ও গ্রেপ্তারের দাবি গুরুত্বহীন বলে মন্তব্য—সরকারের দুই গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীর এই দুই ধরনের অবস্থান বিষয়টিকে আরও আলোচনায় নিয়ে এসেছে।