ঢাকা ০৮:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গরু জবাই ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টে জয় থালাপতি সরকারের

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:৫৯:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
  • / 29

ভারতের তামিলনাড়ুতে গরু জবাইয়ে মাদ্রাজ হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞার ওপর অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট। থালাপতি বিজয়ের নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকারের আবেদনের পর আদালত জানায়, হাইকোর্টের নির্দেশ আইনি পর্যালোচনার দাবি রাখে।

সোমবার ভারতের সুপ্রিম কোর্ট মাদ্রাজ হাইকোর্টের দেওয়া গরু জবাই নিষিদ্ধের নির্দেশের ওপর অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দেন। আদালত পর্যবেক্ষণে বলেন, হাইকোর্টের আদেশটি আরও আইনি পর্যালোচনার প্রয়োজন রয়েছে।

এর আগে গত ২৭ মে মাদ্রাজ হাইকোর্ট ১৯৭৬ সালের একটি সরকারি আদেশ কার্যকর করে তামিলনাড়ুজুড়ে গরু জবাই নিষিদ্ধের নির্দেশ দেন। ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে রাজ্য সরকার যুক্তি দেয়, বিদ্যমান আইন নির্দিষ্ট শর্তে নির্ধারিত স্থানে নির্দিষ্ট শ্রেণির গবাদিপশু জবাইয়ের অনুমতি দেয়। তাই আদালতের পূর্ণাঙ্গ নিষেধাজ্ঞা প্রচলিত আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

সুপ্রিম কোর্টের এই আদেশে সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের ধর্মীয় আচার পালনে স্বস্তি ফিরেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

তামিলনাড়ু সরকার আদালতে জানায়, রাজ্যের পশু সংরক্ষণ আইন ও কসাইখানা পরিচালনা-সংক্রান্ত বিধিমালায় কোথায় এবং কীভাবে পশু জবাই করা যাবে, তা স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা আছে। তবে এসব আইনে গরু জবাইয়ের ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞার বিধান নেই।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

গরু জবাই ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টে জয় থালাপতি সরকারের

সর্বশেষ আপডেট ০৪:৫৯:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

ভারতের তামিলনাড়ুতে গরু জবাইয়ে মাদ্রাজ হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞার ওপর অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট। থালাপতি বিজয়ের নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকারের আবেদনের পর আদালত জানায়, হাইকোর্টের নির্দেশ আইনি পর্যালোচনার দাবি রাখে।

সোমবার ভারতের সুপ্রিম কোর্ট মাদ্রাজ হাইকোর্টের দেওয়া গরু জবাই নিষিদ্ধের নির্দেশের ওপর অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দেন। আদালত পর্যবেক্ষণে বলেন, হাইকোর্টের আদেশটি আরও আইনি পর্যালোচনার প্রয়োজন রয়েছে।

এর আগে গত ২৭ মে মাদ্রাজ হাইকোর্ট ১৯৭৬ সালের একটি সরকারি আদেশ কার্যকর করে তামিলনাড়ুজুড়ে গরু জবাই নিষিদ্ধের নির্দেশ দেন। ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে রাজ্য সরকার যুক্তি দেয়, বিদ্যমান আইন নির্দিষ্ট শর্তে নির্ধারিত স্থানে নির্দিষ্ট শ্রেণির গবাদিপশু জবাইয়ের অনুমতি দেয়। তাই আদালতের পূর্ণাঙ্গ নিষেধাজ্ঞা প্রচলিত আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

সুপ্রিম কোর্টের এই আদেশে সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের ধর্মীয় আচার পালনে স্বস্তি ফিরেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

তামিলনাড়ু সরকার আদালতে জানায়, রাজ্যের পশু সংরক্ষণ আইন ও কসাইখানা পরিচালনা-সংক্রান্ত বিধিমালায় কোথায় এবং কীভাবে পশু জবাই করা যাবে, তা স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা আছে। তবে এসব আইনে গরু জবাইয়ের ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞার বিধান নেই।