ঢাকা ০৫:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংসদে বিল পাস

ডিজিটালে মাদক বেচাকেনায় মৃত্যুদণ্ডের বিধান

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:৪৫:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
  • / 36

সাইবার স্পেস বা যেকোনো ডিজিটাল মাধ্যমে মাদকদ্রব্য কেনাবেচা, সরবরাহ ও আর্থিক লেনদেনকে গুরুতর অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। এ-সংক্রান্ত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) বিল সোমবার জাতীয় সংসদে কণ্ঠভোটে পাস হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বিলটি সংসদে উত্থাপন করলে তা অনুমোদন পায়। সংশোধিত আইনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ওয়েবসাইট, মোবাইল অ্যাপ বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক মাধ্যমে মাদক প্রচার, ক্রয়-বিক্রয়, সরবরাহ কিংবা মধ্যস্থতা করাকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।

নতুন আইনে ডিজিটাল পেমেন্ট, ই-ওয়ালেট, ক্রিপ্টোকারেন্সি বা ভার্চুয়াল সম্পদ ব্যবহার করে মাদক লেনদেনের ক্ষেত্রেও শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। এসব অপরাধের ক্ষেত্রে অভিযুক্তের কাছ থেকে সরাসরি মাদক উদ্ধার না হলেও প্রমাণের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।

আইন অনুযায়ী, অপরাধ প্রমাণিত হলে যেকোনো মেয়াদের কারাদণ্ড থেকে সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত সাজা হতে পারে। পাশাপাশি সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। আর আন্তর্জাতিক বা সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে এ ধরনের অপরাধ হলে সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা জরিমানা, কারাদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড দেওয়া যাবে।

বিলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়টিও যুক্ত করা হয়েছে। সংস্থাটি নিজস্ব ডগ স্কোয়াড গঠন করতে পারবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের অনুমতি পাবে। এছাড়া মাদকসংক্রান্ত মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য পৃথক ‘মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল’ গঠনের সুযোগ রাখা হয়েছে।

বিল পাসের আগে জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব দেওয়া হলেও তা নাকচ হয়। আলোচনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু সদস্যের মাদক কারবারে জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠে।

জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, মাদক কেনাবেচায় কোনো বাহিনীর সদস্য জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

সংসদে বিল পাস

ডিজিটালে মাদক বেচাকেনায় মৃত্যুদণ্ডের বিধান

সর্বশেষ আপডেট ১০:৪৫:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

সাইবার স্পেস বা যেকোনো ডিজিটাল মাধ্যমে মাদকদ্রব্য কেনাবেচা, সরবরাহ ও আর্থিক লেনদেনকে গুরুতর অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। এ-সংক্রান্ত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) বিল সোমবার জাতীয় সংসদে কণ্ঠভোটে পাস হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বিলটি সংসদে উত্থাপন করলে তা অনুমোদন পায়। সংশোধিত আইনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ওয়েবসাইট, মোবাইল অ্যাপ বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক মাধ্যমে মাদক প্রচার, ক্রয়-বিক্রয়, সরবরাহ কিংবা মধ্যস্থতা করাকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।

নতুন আইনে ডিজিটাল পেমেন্ট, ই-ওয়ালেট, ক্রিপ্টোকারেন্সি বা ভার্চুয়াল সম্পদ ব্যবহার করে মাদক লেনদেনের ক্ষেত্রেও শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। এসব অপরাধের ক্ষেত্রে অভিযুক্তের কাছ থেকে সরাসরি মাদক উদ্ধার না হলেও প্রমাণের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।

আইন অনুযায়ী, অপরাধ প্রমাণিত হলে যেকোনো মেয়াদের কারাদণ্ড থেকে সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত সাজা হতে পারে। পাশাপাশি সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। আর আন্তর্জাতিক বা সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে এ ধরনের অপরাধ হলে সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা জরিমানা, কারাদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড দেওয়া যাবে।

বিলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়টিও যুক্ত করা হয়েছে। সংস্থাটি নিজস্ব ডগ স্কোয়াড গঠন করতে পারবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের অনুমতি পাবে। এছাড়া মাদকসংক্রান্ত মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য পৃথক ‘মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল’ গঠনের সুযোগ রাখা হয়েছে।

বিল পাসের আগে জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব দেওয়া হলেও তা নাকচ হয়। আলোচনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু সদস্যের মাদক কারবারে জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠে।

জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, মাদক কেনাবেচায় কোনো বাহিনীর সদস্য জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।