রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় দায়ের হওয়া মানি লন্ডারিং মামলায় রোববার গভীর রাতে তাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকায় নেওয়া হয়েছে।
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার হোসেনপুর ইউনিয়নের মধ্য রামচন্দ্রপুর গ্রামের শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দ কালি মন্দির এলাকা থেকে রোববার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে পলাশবাড়ী থানার ওসি সরোয়ার আলম খান জানান, উত্তরা পশ্চিম থানায় দায়ের করা অর্থ পাচারের মামলায় সিআইডি অভিযান চালিয়ে হরিদাসকে গ্রেপ্তার করেছে।
পরে তাকে ঢাকায় নেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মন্দির এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, হরিদাস দীর্ঘদিন ভারতে থাকার পর ২০২৪ সালে নিজ এলাকায় ফিরে আসেন। এরপর পুরোনো কালি মন্দির সংস্কার, মন্দিরের নাম পরিবর্তন এবং ২০২৫ সালে আধুনিকায়নের কাজ শুরু করেন।
সম্প্রতি মন্দির চত্বরে ৮১ ফুট উচ্চতার রামমূর্তি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার পর অর্থের উৎস নিয়ে দেশজুড়ে আলোচনা শুরু হয়। বিভিন্ন স্থানে মূর্তি অপসারণ, অর্থের উৎস তদন্ত এবং হরিদাসের গ্রেপ্তারের দাবিতে কর্মসূচিও পালিত হয়।
এর আগে ২০২২ সালে রাজধানীর বনানী থেকে হরিদাসকে গ্রেপ্তার করেছিল এনএসআই ও র্যাবের যৌথ দল। সে সময় প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের প্রটোকল কর্মকর্তা পরিচয়ে বদলি বাণিজ্য, টেন্ডার কারসাজি ও প্রতারণার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়।
র্যাব জানিয়েছিল, ২০১৯ সালে ধর্মান্তরিত হয়ে তিনি ‘তাওহীদ ইসলাম’ নাম গ্রহণ করেন এবং পরে ভুয়া পরিচয়ে বিভিন্ন প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন।