ঢাকা ০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১ আগস্টে শুরু শিশুদের টাইফয়েড টিকাদান

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:০৫:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
  • / 20

আগস্টে শুরু টাইফয়েড টিকাদান

দেশের শিশুদের টাইফয়েড জ্বরের ঝুঁকি কমাতে আগামী ১ আগস্ট থেকে নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচিতে যুক্ত হচ্ছে টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন (টিসিভি)। ১৫ মাস বয়সী সব শিশুকে এই টিকা দেওয়া হবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

ইপিআইয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, দেশের সব স্থায়ী ও অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রে এই টিকা পাওয়া যাবে। শিশুকে বাম ঊরুর মধ্যভাগের বহিরাংশের মাংসপেশিতে ০.৫ মিলি মাত্রার এক ডোজ টিসিভি দেওয়া হবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, নিয়মিত টিকাদান সেশনে এমআর-২ টিকার সঙ্গে একই সময়ে টিসিভি দেওয়া যাবে।

টিকা কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য ডিজিটাল ট্র্যাকিং ব্যবস্থাও চালু করা হয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ১৫ মাস বয়সী শিশুদের তালিকা তৈরি করবেন এবং ‘VaxEPI’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধন নিশ্চিত করবেন।

অভিভাবকদের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, ইমাম ও ধর্মীয় নেতাদের যুক্ত করে উঠান বৈঠক ও প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে বলেও জানিয়েছে ইপিআই।

স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচিতে নতুন টিকা যুক্ত করার ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে টিসিভি অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

১ আগস্টে শুরু শিশুদের টাইফয়েড টিকাদান

সর্বশেষ আপডেট ০৯:০৫:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

দেশের শিশুদের টাইফয়েড জ্বরের ঝুঁকি কমাতে আগামী ১ আগস্ট থেকে নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচিতে যুক্ত হচ্ছে টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন (টিসিভি)। ১৫ মাস বয়সী সব শিশুকে এই টিকা দেওয়া হবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

ইপিআইয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, দেশের সব স্থায়ী ও অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রে এই টিকা পাওয়া যাবে। শিশুকে বাম ঊরুর মধ্যভাগের বহিরাংশের মাংসপেশিতে ০.৫ মিলি মাত্রার এক ডোজ টিসিভি দেওয়া হবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, নিয়মিত টিকাদান সেশনে এমআর-২ টিকার সঙ্গে একই সময়ে টিসিভি দেওয়া যাবে।

টিকা কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য ডিজিটাল ট্র্যাকিং ব্যবস্থাও চালু করা হয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ১৫ মাস বয়সী শিশুদের তালিকা তৈরি করবেন এবং ‘VaxEPI’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধন নিশ্চিত করবেন।

অভিভাবকদের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, ইমাম ও ধর্মীয় নেতাদের যুক্ত করে উঠান বৈঠক ও প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে বলেও জানিয়েছে ইপিআই।

স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচিতে নতুন টিকা যুক্ত করার ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে টিসিভি অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।