ঢাকা ১২:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আইএমএফের সঙ্গে নতুন ঋণ কর্মসূচিতে যাচ্ছে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:৪৪:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬
  • / 18

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সঙ্গে আগের ঋণ কর্মসূচি থেকে সরে এসে নতুন কর্মসূচিতে যাচ্ছে সরকার বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, নতুন কর্মসূচিতে দেশের স্বার্থ ও জনগণের কল্যাণকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

রোববার সচিবালয়ে অর্থ বিভাগের সঙ্গে আইএমএফের প্রতিনিধি দলের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান অর্থমন্ত্রী।

তিনি বলেন, আগের সরকারের সময়ে নেওয়া ঋণ কর্মসূচি জনগণের স্বার্থ রক্ষা করতে পারেনি। তাই সেই কর্মসূচি বাদ দিয়ে নতুন কাঠামোয় আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

ডলার সংকট মোকাবিলা, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করা এবং সামষ্টিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা আনতে ২০২৩ সালে বাংলাদেশ আইএমএফের ৪৭০ কোটি মার্কিন ডলারের ঋণ কর্মসূচিতে যুক্ত হয়। পরে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে এর পরিমাণ বাড়িয়ে ৫৫০ কোটি ডলারে উন্নীত করা হয়।

এ পর্যন্ত পাঁচ কিস্তিতে বাংলাদেশ ৩৬৪ কোটি ডলার পেয়েছে। তবে প্রায় এক বছর আলোচনা চললেও ষষ্ঠ কিস্তির অর্থ ছাড় হয়নি। অর্থমন্ত্রী বলেন, ষষ্ঠ কিস্তির অর্থ পাওয়া নিয়ে সরকারের কোনো উদ্বেগ নেই। বরং নতুন ঋণ কর্মসূচির দিকেই গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, বিদেশি বিনিয়োগ ও পর্যটন উৎসাহিত করতে ভিসা নীতিতেও পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

এদিন আইএমএফের মুদ্রা ও পুঁজিবাজার বিভাগের ডেপুটি ডিভিশন প্রধান ইভো ক্রজনারের নেতৃত্বে ১২ সদস্যের প্রতিনিধি দল অর্থ বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে। ঢাকা সফর শেষে তারা ওয়াশিংটনে আইএমএফ সদর দপ্তরে মূল্যায়ন প্রতিবেদন জমা দেবে। প্রতিবেদন ইতিবাচক হলে আগামী অক্টোবরে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সভার পর নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হতে পারে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আইএমএফের সঙ্গে নতুন ঋণ কর্মসূচিতে যাচ্ছে সরকার

সর্বশেষ আপডেট ০৩:৪৪:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সঙ্গে আগের ঋণ কর্মসূচি থেকে সরে এসে নতুন কর্মসূচিতে যাচ্ছে সরকার বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, নতুন কর্মসূচিতে দেশের স্বার্থ ও জনগণের কল্যাণকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

রোববার সচিবালয়ে অর্থ বিভাগের সঙ্গে আইএমএফের প্রতিনিধি দলের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান অর্থমন্ত্রী।

তিনি বলেন, আগের সরকারের সময়ে নেওয়া ঋণ কর্মসূচি জনগণের স্বার্থ রক্ষা করতে পারেনি। তাই সেই কর্মসূচি বাদ দিয়ে নতুন কাঠামোয় আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

ডলার সংকট মোকাবিলা, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করা এবং সামষ্টিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা আনতে ২০২৩ সালে বাংলাদেশ আইএমএফের ৪৭০ কোটি মার্কিন ডলারের ঋণ কর্মসূচিতে যুক্ত হয়। পরে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে এর পরিমাণ বাড়িয়ে ৫৫০ কোটি ডলারে উন্নীত করা হয়।

এ পর্যন্ত পাঁচ কিস্তিতে বাংলাদেশ ৩৬৪ কোটি ডলার পেয়েছে। তবে প্রায় এক বছর আলোচনা চললেও ষষ্ঠ কিস্তির অর্থ ছাড় হয়নি। অর্থমন্ত্রী বলেন, ষষ্ঠ কিস্তির অর্থ পাওয়া নিয়ে সরকারের কোনো উদ্বেগ নেই। বরং নতুন ঋণ কর্মসূচির দিকেই গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, বিদেশি বিনিয়োগ ও পর্যটন উৎসাহিত করতে ভিসা নীতিতেও পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

এদিন আইএমএফের মুদ্রা ও পুঁজিবাজার বিভাগের ডেপুটি ডিভিশন প্রধান ইভো ক্রজনারের নেতৃত্বে ১২ সদস্যের প্রতিনিধি দল অর্থ বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে। ঢাকা সফর শেষে তারা ওয়াশিংটনে আইএমএফ সদর দপ্তরে মূল্যায়ন প্রতিবেদন জমা দেবে। প্রতিবেদন ইতিবাচক হলে আগামী অক্টোবরে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সভার পর নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হতে পারে।