ঢাকা ১২:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হল ফি আদায় নিয়ে প্রশ্ন, সবার সিট চাইলেন ববি শিবির সেক্রেটারি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:২৯:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬
  • / 17

ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সেক্রেটারি জাকারিয়া ইসলাম বাবু

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীন শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে হল অ্যাটাচমেন্ট বাবদ ফি আদায় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সেক্রেটারি জাকারিয়া ইসলাম বাবু। তিনি সবার জন্য আবাসন নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

সোমবার নিজের ফেসবুক পোস্টে জাকারিয়া ইসলাম বাবু বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে নিয়মিত বরাদ্দের মাধ্যমে গড়ে প্রায় ১০০ জন শিক্ষার্থী সিট পান। অথচ ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে হল অ্যাটাচমেন্ট ফি হিসেবে ১ হাজার ১০০ টাকা নেওয়া হয়েছে। এ অবস্থায় সবার জন্য আবাসনের ব্যবস্থা কীভাবে করা হবে, তা প্রশাসনের কাছে স্পষ্ট করার দাবি জানান তিনি।

তিনি উল্লেখ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি হলে মোট আসনসংখ্যা প্রায় ১ হাজার ২০০। কিন্তু ১৫টি ব্যাচের প্রায় ১ হাজার ৮০০ শিক্ষার্থীকে কীভাবে আবাসন সুবিধা দেওয়া হবে, সে বিষয়ে প্রশাসনের পরিষ্কার পরিকল্পনা প্রয়োজন।

জাকারিয়া ইসলাম বাবু বলেন, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে হল ফি নেওয়া হলে প্রত্যেকের জন্য আবাসন নিশ্চিত করতে হবে। তা সম্ভব না হলে আবাসন বাবদ নির্ধারিত হারে মাসিক ভর্তুকি দেওয়ার ব্যবস্থা করার দাবি জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের আবাসন অধিকার নিয়ে কোনো বৈষম্য হলে ন্যায্য দাবি আদায়ে প্রয়োজনীয় কর্মসূচি নিতে তারা পিছপা হবেন না।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

হল ফি আদায় নিয়ে প্রশ্ন, সবার সিট চাইলেন ববি শিবির সেক্রেটারি

সর্বশেষ আপডেট ০৬:২৯:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীন শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে হল অ্যাটাচমেন্ট বাবদ ফি আদায় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সেক্রেটারি জাকারিয়া ইসলাম বাবু। তিনি সবার জন্য আবাসন নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

সোমবার নিজের ফেসবুক পোস্টে জাকারিয়া ইসলাম বাবু বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে নিয়মিত বরাদ্দের মাধ্যমে গড়ে প্রায় ১০০ জন শিক্ষার্থী সিট পান। অথচ ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে হল অ্যাটাচমেন্ট ফি হিসেবে ১ হাজার ১০০ টাকা নেওয়া হয়েছে। এ অবস্থায় সবার জন্য আবাসনের ব্যবস্থা কীভাবে করা হবে, তা প্রশাসনের কাছে স্পষ্ট করার দাবি জানান তিনি।

তিনি উল্লেখ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি হলে মোট আসনসংখ্যা প্রায় ১ হাজার ২০০। কিন্তু ১৫টি ব্যাচের প্রায় ১ হাজার ৮০০ শিক্ষার্থীকে কীভাবে আবাসন সুবিধা দেওয়া হবে, সে বিষয়ে প্রশাসনের পরিষ্কার পরিকল্পনা প্রয়োজন।

জাকারিয়া ইসলাম বাবু বলেন, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে হল ফি নেওয়া হলে প্রত্যেকের জন্য আবাসন নিশ্চিত করতে হবে। তা সম্ভব না হলে আবাসন বাবদ নির্ধারিত হারে মাসিক ভর্তুকি দেওয়ার ব্যবস্থা করার দাবি জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের আবাসন অধিকার নিয়ে কোনো বৈষম্য হলে ন্যায্য দাবি আদায়ে প্রয়োজনীয় কর্মসূচি নিতে তারা পিছপা হবেন না।