ঢাকা ০২:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

 চট্টগ্রামের দুর্যোগে প্রধানমন্ত্রীর ১০ নির্দেশনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:৩৫:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
  • / 41

চট্টগ্রাম অঞ্চলে টানা ভারী বর্ষণ, বন্যা ও পাহাড়ধসে সৃষ্ট পরিস্থিতি মোকাবিলায় উদ্ধার, ত্রাণ ও পুনর্বাসনে ১০টি পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। দুর্গত মানুষের পাশে থাকতে সংশ্লিষ্টদের দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন শুক্রবার এক ফেসবুক পোস্টে এসব উদ্যোগের কথা জানান। তিনি বলেন, দুর্যোগ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তায় প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশনায় সার্বক্ষণিক তদারকি চলছে।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সমন্বিতভাবে কাজ করার পাশাপাশি ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ, উদ্ধার ও পুনর্বাসন কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

দুর্যোগকবলিত এলাকায় এরই মধ্যে ১ হাজার ৫৭টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে ১২ হাজারের বেশি মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন।

জিআর কর্মসূচির আওতায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলার ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ২ কোটি ১৫ লাখ টাকা নগদ সহায়তা এবং ৩ হাজার ৪৫০ মেট্রিক টন চাল পাঠানো হয়েছে।

সরকারের পক্ষ থেকে দুর্গত এলাকায় নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন, স্বাস্থ্যসেবা, শিশুখাদ্য ও তিন বেলার খাবার সরবরাহ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাহাড়ি এলাকায় উদ্ধার তৎপরতা জোরদারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী সেনাবাহিনীও মোতায়েন করা হয়েছে।

এদিকে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জনপ্রতিনিধিরা প্লাবিত এলাকা পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। প্রশাসন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সেনাবাহিনী ও কোস্টগার্ড সমন্বিতভাবে মাঠপর্যায়ে কাজ করছে বলে জানানো হয়েছে।

ভারী বর্ষণ, বন্যা ও ভূমিধসের কারণে চট্টগ্রাম অঞ্চলের চলমান এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। পাশাপাশি নিহত ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়াতে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে খোঁজ নিচ্ছেন।

টানা বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রাম-দোহাজারী রেলপথের জলাবদ্ধতার ঝুঁকি কমাতে রেললাইন ৫ ফুট উঁচু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ৪৭ কিলোমিটার রেলপথ উন্নয়নের জন্য দরপত্র প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলেও জানান মাহদী আমিন।

পাহাড়ধসের ঝুঁকিতে থাকা বাসিন্দাদের জন্য নিরাপদ স্থানে স্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

 চট্টগ্রামের দুর্যোগে প্রধানমন্ত্রীর ১০ নির্দেশনা

সর্বশেষ আপডেট ০৬:৩৫:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রাম অঞ্চলে টানা ভারী বর্ষণ, বন্যা ও পাহাড়ধসে সৃষ্ট পরিস্থিতি মোকাবিলায় উদ্ধার, ত্রাণ ও পুনর্বাসনে ১০টি পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। দুর্গত মানুষের পাশে থাকতে সংশ্লিষ্টদের দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন শুক্রবার এক ফেসবুক পোস্টে এসব উদ্যোগের কথা জানান। তিনি বলেন, দুর্যোগ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তায় প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশনায় সার্বক্ষণিক তদারকি চলছে।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সমন্বিতভাবে কাজ করার পাশাপাশি ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ, উদ্ধার ও পুনর্বাসন কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

দুর্যোগকবলিত এলাকায় এরই মধ্যে ১ হাজার ৫৭টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে ১২ হাজারের বেশি মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন।

জিআর কর্মসূচির আওতায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলার ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ২ কোটি ১৫ লাখ টাকা নগদ সহায়তা এবং ৩ হাজার ৪৫০ মেট্রিক টন চাল পাঠানো হয়েছে।

সরকারের পক্ষ থেকে দুর্গত এলাকায় নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন, স্বাস্থ্যসেবা, শিশুখাদ্য ও তিন বেলার খাবার সরবরাহ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাহাড়ি এলাকায় উদ্ধার তৎপরতা জোরদারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী সেনাবাহিনীও মোতায়েন করা হয়েছে।

এদিকে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জনপ্রতিনিধিরা প্লাবিত এলাকা পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। প্রশাসন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সেনাবাহিনী ও কোস্টগার্ড সমন্বিতভাবে মাঠপর্যায়ে কাজ করছে বলে জানানো হয়েছে।

ভারী বর্ষণ, বন্যা ও ভূমিধসের কারণে চট্টগ্রাম অঞ্চলের চলমান এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। পাশাপাশি নিহত ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়াতে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে খোঁজ নিচ্ছেন।

টানা বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রাম-দোহাজারী রেলপথের জলাবদ্ধতার ঝুঁকি কমাতে রেললাইন ৫ ফুট উঁচু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ৪৭ কিলোমিটার রেলপথ উন্নয়নের জন্য দরপত্র প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলেও জানান মাহদী আমিন।

পাহাড়ধসের ঝুঁকিতে থাকা বাসিন্দাদের জন্য নিরাপদ স্থানে স্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।