ঢাকা ০২:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খামেনির জানাজায় কি ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জনসমাগম?

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:৪৬:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
  • / 32

প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষ বিদায়ের ছয় দিনব্যাপী আনুষ্ঠানিকতায় ৪ কোটি ১০ লাখ থেকে ৪ কোটি ৩০ লাখ মানুষের অংশগ্রহণের দাবি করেছে ইরান। শুক্রবার (১০ জুলাই) ইরানি গণমাধ্যমের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে আল-জাজিরা।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভির দাবি, এটি বিশ্বের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় শোকযাত্রা। এ উপলক্ষে তেহরান, কোম, নাজাফ, কারবালা ও মাশহাদ—এই পাঁচ শহরে বিশেষ শোকানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

গত ৪ জুলাই তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা ধর্মীয় কমপ্লেক্সে জনসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। সেখানে খামেনির কফিনে শ্রদ্ধা জানাতে বিপুলসংখ্যক মানুষ সমবেত হন।

শেষ বিদায়ের অনুষ্ঠানে হামাস, গাজাভিত্তিক ইসলামিক জিহাদ, লেবাননের হিজবুল্লাহ এবং ইয়েমেনের হুথি আন্দোলনের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় মধ্য তেহরানে নিজ বাসভবনে নিহত হওয়ার চার মাসের বেশি সময় পর খামেনিকে তার জন্মশহর মাশহাদের ইমাম রেজার মাজারের পাশে দাফন করা হয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

খামেনির জানাজায় কি ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জনসমাগম?

সর্বশেষ আপডেট ০৫:৪৬:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষ বিদায়ের ছয় দিনব্যাপী আনুষ্ঠানিকতায় ৪ কোটি ১০ লাখ থেকে ৪ কোটি ৩০ লাখ মানুষের অংশগ্রহণের দাবি করেছে ইরান। শুক্রবার (১০ জুলাই) ইরানি গণমাধ্যমের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে আল-জাজিরা।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভির দাবি, এটি বিশ্বের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় শোকযাত্রা। এ উপলক্ষে তেহরান, কোম, নাজাফ, কারবালা ও মাশহাদ—এই পাঁচ শহরে বিশেষ শোকানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

গত ৪ জুলাই তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা ধর্মীয় কমপ্লেক্সে জনসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। সেখানে খামেনির কফিনে শ্রদ্ধা জানাতে বিপুলসংখ্যক মানুষ সমবেত হন।

শেষ বিদায়ের অনুষ্ঠানে হামাস, গাজাভিত্তিক ইসলামিক জিহাদ, লেবাননের হিজবুল্লাহ এবং ইয়েমেনের হুথি আন্দোলনের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় মধ্য তেহরানে নিজ বাসভবনে নিহত হওয়ার চার মাসের বেশি সময় পর খামেনিকে তার জন্মশহর মাশহাদের ইমাম রেজার মাজারের পাশে দাফন করা হয়।