ঢাকা ০১:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের দাবি ব্লাস্টের

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:৫৯:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
  • / 37

কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পসহ চট্টগ্রাম ও পার্বত্য জেলাসমূহে টানা ভারী বর্ষণ, আকস্মিক বন্যা এবং ভূমিধসে সংঘটিত প্রাণহানি ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতিতে গভীর শোক ও উদ্বেগ প্রকাশ করছে ব্লাস্ট। সেইসাথে নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা এবং আহতদের চিকিৎসা ও কার্যকর পুনর্বাসনের আহ্বান জানিয়েছে ব্লাস্ট।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, গত ৪ জুলাই রাত থেকে ৯ জুলাই দুপুর পর্যন্ত বিভিন্ন দুর্ঘটনায় ১৫ জন শরণার্থী নিহত ও ১৮ জন আহত হয়েছেন। আরও একই সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ২৬ হাজার ১১৯ জন এবং সাময়িকভাবে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন ৪ হাজার ৩০৭ জন। এছাড়াও পার্বত্য জেলা বান্দরবানের লামা উপজেলার একই এলাকায় পাহাড়ধসে দুটি পরিবারের ৫ জন এবং চট্টগ্রামে ২ জনসহ চট্টগ্রাম বিভাগের ৪ জেলায় ৩০ জন নিহত হয়েছেন।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (RRRC), জেলা প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং মানবিক সংস্থাসমূহ বর্তমানে উদ্ধার ও জরুরি সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তবে প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে একই ধরনের প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির পুনরাবৃত্তি প্রমাণ করে, জরুরি সাড়ার পাশাপাশি দুর্যোগ-পূর্ব প্রস্তুতি, ঝুঁকি মূল্যায়ন এবং দীর্ঘমেয়াদি দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসমূলক ব্যবস্থা আরও জোরদার করা জরুরি।

ব্লাস্ট পাহাড় সংরক্ষণের ক্ষেত্রে প্রশাসনের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের জন্য যথাযথ চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নিশ্চিতসহ ক্যাম্প এলাকায় যত্রতত্র নির্মাণকাজ বন্ধ ও তার সুষ্ঠু তদারকির দাবি জানিয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের দাবি ব্লাস্টের

সর্বশেষ আপডেট ০৫:৫৯:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পসহ চট্টগ্রাম ও পার্বত্য জেলাসমূহে টানা ভারী বর্ষণ, আকস্মিক বন্যা এবং ভূমিধসে সংঘটিত প্রাণহানি ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতিতে গভীর শোক ও উদ্বেগ প্রকাশ করছে ব্লাস্ট। সেইসাথে নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা এবং আহতদের চিকিৎসা ও কার্যকর পুনর্বাসনের আহ্বান জানিয়েছে ব্লাস্ট।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, গত ৪ জুলাই রাত থেকে ৯ জুলাই দুপুর পর্যন্ত বিভিন্ন দুর্ঘটনায় ১৫ জন শরণার্থী নিহত ও ১৮ জন আহত হয়েছেন। আরও একই সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ২৬ হাজার ১১৯ জন এবং সাময়িকভাবে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন ৪ হাজার ৩০৭ জন। এছাড়াও পার্বত্য জেলা বান্দরবানের লামা উপজেলার একই এলাকায় পাহাড়ধসে দুটি পরিবারের ৫ জন এবং চট্টগ্রামে ২ জনসহ চট্টগ্রাম বিভাগের ৪ জেলায় ৩০ জন নিহত হয়েছেন।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (RRRC), জেলা প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং মানবিক সংস্থাসমূহ বর্তমানে উদ্ধার ও জরুরি সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তবে প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে একই ধরনের প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির পুনরাবৃত্তি প্রমাণ করে, জরুরি সাড়ার পাশাপাশি দুর্যোগ-পূর্ব প্রস্তুতি, ঝুঁকি মূল্যায়ন এবং দীর্ঘমেয়াদি দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসমূলক ব্যবস্থা আরও জোরদার করা জরুরি।

ব্লাস্ট পাহাড় সংরক্ষণের ক্ষেত্রে প্রশাসনের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের জন্য যথাযথ চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নিশ্চিতসহ ক্যাম্প এলাকায় যত্রতত্র নির্মাণকাজ বন্ধ ও তার সুষ্ঠু তদারকির দাবি জানিয়েছে।