ঢাকা ০২:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মোসাদ যোগাযোগের দাবি উড়িয়ে দিলেন আহমাদিনেজাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:৫৩:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
  • / 16

আহমাদিনেজাদ

ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ তাকে ইরানের ক্ষমতায় বসানোর চেষ্টা করেছিল—মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের এমন প্রতিবেদনকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদ।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) নিজের কার্যালয় থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি ওই প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেন। একই সঙ্গে তাকে গৃহবন্দী করে রাখার দাবিও নাকচ করা হয়েছে।

আহমাদিনেজাদের কার্যালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে বিভাজন তৈরি ও জনমত বিভ্রান্ত করতেই এমন প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। তাদের দাবি, নিউইয়র্ক টাইমসের অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই।

এর আগে নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মোসাদ আহমাদিনেজাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছিল এবং তাকে ইরানের সম্ভাব্য নতুন নেতা হিসেবে বিবেচনা করেছিল। প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়, ইসরায়েল গোপনে তার বাসস্থান ও বিদেশ সফরের খরচ বহন করেছে এবং কয়েক দফা গোপন বৈঠকও করেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ফেব্রুয়ারিতে ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাতের সময় আহমাদিনেজাদের বাসভবনে হামলা চালানো হয়। পরে তাকে একটি নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার দাবি করা হয়। তবে এসব তথ্যও প্রত্যাখ্যান করেছেন সাবেক এই প্রেসিডেন্ট।

২০০৫ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ইরানের প্রেসিডেন্ট থাকা আহমাদিনেজাদ ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী অবস্থানের জন্য পরিচিত। দীর্ঘদিন পর সম্প্রতি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজায় অংশ নিয়ে তিনি আবারও জনসমক্ষে আসেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

মোসাদ যোগাযোগের দাবি উড়িয়ে দিলেন আহমাদিনেজাদ

সর্বশেষ আপডেট ০৭:৫৩:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ তাকে ইরানের ক্ষমতায় বসানোর চেষ্টা করেছিল—মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের এমন প্রতিবেদনকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদ।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) নিজের কার্যালয় থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি ওই প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেন। একই সঙ্গে তাকে গৃহবন্দী করে রাখার দাবিও নাকচ করা হয়েছে।

আহমাদিনেজাদের কার্যালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে বিভাজন তৈরি ও জনমত বিভ্রান্ত করতেই এমন প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। তাদের দাবি, নিউইয়র্ক টাইমসের অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই।

এর আগে নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মোসাদ আহমাদিনেজাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছিল এবং তাকে ইরানের সম্ভাব্য নতুন নেতা হিসেবে বিবেচনা করেছিল। প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়, ইসরায়েল গোপনে তার বাসস্থান ও বিদেশ সফরের খরচ বহন করেছে এবং কয়েক দফা গোপন বৈঠকও করেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ফেব্রুয়ারিতে ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাতের সময় আহমাদিনেজাদের বাসভবনে হামলা চালানো হয়। পরে তাকে একটি নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার দাবি করা হয়। তবে এসব তথ্যও প্রত্যাখ্যান করেছেন সাবেক এই প্রেসিডেন্ট।

২০০৫ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ইরানের প্রেসিডেন্ট থাকা আহমাদিনেজাদ ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী অবস্থানের জন্য পরিচিত। দীর্ঘদিন পর সম্প্রতি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজায় অংশ নিয়ে তিনি আবারও জনসমক্ষে আসেন।