বন্যায় প্রাণহানি ৫৬, আশ্রয়কেন্দ্রে ১০ হাজারের বেশি মানুষ
- সর্বশেষ আপডেট ০৯:১৮:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
- / 17
অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড়ধসে দেশে এখন পর্যন্ত ৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। বন্যাদুর্গত সাত জেলায় ৩২৯টি আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন ১০ হাজার ৮৫৪ জন। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ত্রাণ সহায়তা জোরদার করেছে সরকার।
অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড়ধসে দেশে এখন পর্যন্ত ৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৩৯ জন। বন্যাকবলিত মানুষের জন্য খোলা ৩২৯টি আশ্রয়কেন্দ্রে বর্তমানে আশ্রয় নিয়েছেন ১০ হাজার ৮৫৪ জন।
মঙ্গলবার বিকেল ৪টা পর্যন্ত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বন্যাকবলিত জেলা সাতটি হলো—খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৩৩৪টি ইউনিয়ন ও ১২টি পৌরসভা। উপজেলা সংখ্যায় মন্ত্রণালয়ের সারসংক্ষেপ ও জেলা তালিকায় কিছু অমিল থাকলেও মোট ৫৭ থেকে ৫৯টি উপজেলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে কক্সবাজারে। সেখানে ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে ১৮ জন স্থানীয় বাসিন্দা এবং ১৩ জন রোহিঙ্গা। এছাড়া চট্টগ্রামে ১৫ জন, বান্দরবানে ছয়জন, রাঙামাটিতে তিনজন এবং মৌলভীবাজারে একজনের মৃত্যু হয়েছে।
আশ্রয়কেন্দ্রগুলোর মধ্যে চট্টগ্রামে ৭০ কেন্দ্রে ৩ হাজার ১৪০ জন, রাঙামাটির ৪০ কেন্দ্রে ৩ হাজার ১৫৮ জন, বান্দরবানের ৫৪ কেন্দ্রে ২ হাজার ৫৮৪ জন এবং মৌলভীবাজারের ১০ কেন্দ্রে ১ হাজার ৭৪৫ জন আশ্রয় নিয়েছেন।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ৭ থেকে ১৪ জুলাই পর্যন্ত বন্যাকবলিত সাত জেলার জন্য এক কোটি ৭৫ লাখ টাকা এবং ৩ হাজার ২৫০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দেশের ৬৪ জেলার জন্য মোট চার কোটি ৬০ লাখ টাকা এবং ৮ হাজার ৯৫০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ রাখা হয়েছে।





































