ঢাকা ১২:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এক বছরে বিএনপির আয়-ব্যয় বেড়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০২:৩২:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
  • / 12

নির্বাচন কমিশনে অডিট রিপোর্ট জমা দেন বিএনপির প্রতিনিধি দল। ছবি: বাংলা অ্যাফেয়ার্স

নির্বাচন কমিশনে (ইসি) বার্ষিক আয়-ব্যয়ের নিরীক্ষিত হিসাব জমা দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটির দেওয়া সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, এক বছরে বিএনপির আয় হয়েছে ২২ কোটি ২৬ লাখ টাকা, ব্যয় হয়েছে ১৫ কোটি ১৯ লাখ টাকা। সব খরচ শেষে দলীয় তহবিলে উদ্বৃত্ত রয়েছে ৬ কোটি ৭ লাখ টাকা।

রবিবার (১৯ জুলাই) দুপুর ১২টার পর নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে গিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে অডিট রিপোর্ট জমা দেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল।

প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন দলের কোষাধ্যক্ষ ও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং সহ-দফতর সম্পাদক মনির হোসেন। তারা নির্বাচন কমিশনের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার হোসেন- এর কাছে প্রতিবেদন হস্তান্তর করেন।

দলটির আর্থিক প্রতিবেদনে দেখা যায়, আগের বছরের তুলনায় বিএনপির আয় ও ব্যয়- দুটিই উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিএনপির মোট আয় ছিল ১৫ কোটি ৬৫ লাখ ৯৪ হাজার ৮৪২ টাকা, আর ব্যয় ছিল ৪ কোটি ৮০ লাখ ৪ হাজার ৮২৩ টাকা।

এরও আগের বছর, অর্থাৎ ২০২৩ সালে, দলটির আয় ছিল মাত্র ১ কোটি ১০ লাখ ৮০ হাজার ১৫১ টাকা, আর ব্যয় হয়েছিল ৩ কোটি ৬৫ লাখ ২৩ হাজার ৯৭০ টাকা।

সাধারণত রাজনৈতিক দলগুলোর আয়ের প্রধান উৎস হিসেবে সদস্যদের চাঁদা, ব্যক্তি ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের অনুদান এবং মনোনয়ন ফরম বিক্রির অর্থ উল্লেখ করা হয়। অন্যদিকে সাংগঠনিক কার্যক্রম, রাজনৈতিক কর্মসূচি, অফিস পরিচালনা, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন এবং বিভিন্ন প্রকাশনা খাতে ব্যয় দেখানো হয়।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী, নিবন্ধিত প্রতিটি রাজনৈতিক দলকে প্রতি বছর ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে আগের বছরের নিরীক্ষিত আয়-ব্যয়ের হিসাব নির্বাচন কমিশনে জমা দিতে হয়। টানা তিন বছর এই হিসাব জমা না দিলে সংশ্লিষ্ট দলের নিবন্ধন বাতিলের বিধান রয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এক বছরে বিএনপির আয়-ব্যয় বেড়েছে

সর্বশেষ আপডেট ০২:৩২:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

নির্বাচন কমিশনে (ইসি) বার্ষিক আয়-ব্যয়ের নিরীক্ষিত হিসাব জমা দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটির দেওয়া সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, এক বছরে বিএনপির আয় হয়েছে ২২ কোটি ২৬ লাখ টাকা, ব্যয় হয়েছে ১৫ কোটি ১৯ লাখ টাকা। সব খরচ শেষে দলীয় তহবিলে উদ্বৃত্ত রয়েছে ৬ কোটি ৭ লাখ টাকা।

রবিবার (১৯ জুলাই) দুপুর ১২টার পর নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে গিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে অডিট রিপোর্ট জমা দেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল।

প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন দলের কোষাধ্যক্ষ ও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং সহ-দফতর সম্পাদক মনির হোসেন। তারা নির্বাচন কমিশনের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার হোসেন- এর কাছে প্রতিবেদন হস্তান্তর করেন।

দলটির আর্থিক প্রতিবেদনে দেখা যায়, আগের বছরের তুলনায় বিএনপির আয় ও ব্যয়- দুটিই উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিএনপির মোট আয় ছিল ১৫ কোটি ৬৫ লাখ ৯৪ হাজার ৮৪২ টাকা, আর ব্যয় ছিল ৪ কোটি ৮০ লাখ ৪ হাজার ৮২৩ টাকা।

এরও আগের বছর, অর্থাৎ ২০২৩ সালে, দলটির আয় ছিল মাত্র ১ কোটি ১০ লাখ ৮০ হাজার ১৫১ টাকা, আর ব্যয় হয়েছিল ৩ কোটি ৬৫ লাখ ২৩ হাজার ৯৭০ টাকা।

সাধারণত রাজনৈতিক দলগুলোর আয়ের প্রধান উৎস হিসেবে সদস্যদের চাঁদা, ব্যক্তি ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের অনুদান এবং মনোনয়ন ফরম বিক্রির অর্থ উল্লেখ করা হয়। অন্যদিকে সাংগঠনিক কার্যক্রম, রাজনৈতিক কর্মসূচি, অফিস পরিচালনা, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন এবং বিভিন্ন প্রকাশনা খাতে ব্যয় দেখানো হয়।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী, নিবন্ধিত প্রতিটি রাজনৈতিক দলকে প্রতি বছর ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে আগের বছরের নিরীক্ষিত আয়-ব্যয়ের হিসাব নির্বাচন কমিশনে জমা দিতে হয়। টানা তিন বছর এই হিসাব জমা না দিলে সংশ্লিষ্ট দলের নিবন্ধন বাতিলের বিধান রয়েছে।