ঢাকা ০৫:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানের পাল্টা হামলায় বদলে গেছে আঞ্চলিক নিরাপত্তা: আরাঘচি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:১৯:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
  • / 35

ছবিঃ আব্বাস আরাগচি (সংগৃহীত)

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলার ফলে মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামোতে মৌলিক পরিবর্তন এসেছে বলে দাবি করেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তার ভাষ্য, ইরান কার্যকর সামরিক প্রতিক্রিয়ার মুখে না পড়েই পুরো অঞ্চলে হামলা চালানোর সক্ষমতা প্রদর্শন করেছে।

অনলাইনভিত্তিক এক সাক্ষাৎকারে আরাঘচি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সম্ভাব্য যৌথ হামলা কিংবা সর্বোচ্চ নেতার ওপর হামলার মতো পরিস্থিতির জন্যও আগেই প্রস্তুতি নিয়েছিল তেহরান। তাই যুদ্ধ শুরুর ঘটনায় ইরান বিস্মিত হয়নি।

তিনি জানান, যুদ্ধের আশঙ্কা থাকলেও কূটনৈতিক সব পথ শেষ করতে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসেছিল ইরান। তবে ওয়াশিংটন ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ পুরোপুরি বন্ধের দাবি থেকে সরে না এসে শেষ পর্যন্ত সামরিক পথ বেছে নেয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

আরাঘচির দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানকে দুর্বল মনে করে ভুল হিসাব করেছিল। কিন্তু শক্ত প্রতিরোধের মুখে তাদের সামরিক অভিযান থামাতে বাধ্য হতে হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আগের ১২ দিনের যুদ্ধের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ইরান সামরিক সক্ষমতা ও ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ক্ষমতা আরও বাড়িয়েছে, যা পরবর্তী ৪০ দিনের সংঘাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, আলোচনার সময়ও দেশটির সশস্ত্র বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় ছিল। যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালি বন্ধসহ বিভিন্ন জরুরি পরিকল্পনা আগেই প্রস্তুত রাখা হয়েছিল এবং প্রয়োজন অনুযায়ী তা বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

আরাঘচি বলেন, ইরান সবসময় কূটনৈতিক সমাধানকে অগ্রাধিকার দেয়। তবে জাতীয় স্বার্থ ও পারমাণবিক অধিকার নিয়ে কোনো ধরনের আপস করবে না তেহরান।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ইরানের পাল্টা হামলায় বদলে গেছে আঞ্চলিক নিরাপত্তা: আরাঘচি

সর্বশেষ আপডেট ১০:১৯:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলার ফলে মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামোতে মৌলিক পরিবর্তন এসেছে বলে দাবি করেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তার ভাষ্য, ইরান কার্যকর সামরিক প্রতিক্রিয়ার মুখে না পড়েই পুরো অঞ্চলে হামলা চালানোর সক্ষমতা প্রদর্শন করেছে।

অনলাইনভিত্তিক এক সাক্ষাৎকারে আরাঘচি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সম্ভাব্য যৌথ হামলা কিংবা সর্বোচ্চ নেতার ওপর হামলার মতো পরিস্থিতির জন্যও আগেই প্রস্তুতি নিয়েছিল তেহরান। তাই যুদ্ধ শুরুর ঘটনায় ইরান বিস্মিত হয়নি।

তিনি জানান, যুদ্ধের আশঙ্কা থাকলেও কূটনৈতিক সব পথ শেষ করতে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসেছিল ইরান। তবে ওয়াশিংটন ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ পুরোপুরি বন্ধের দাবি থেকে সরে না এসে শেষ পর্যন্ত সামরিক পথ বেছে নেয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

আরাঘচির দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানকে দুর্বল মনে করে ভুল হিসাব করেছিল। কিন্তু শক্ত প্রতিরোধের মুখে তাদের সামরিক অভিযান থামাতে বাধ্য হতে হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আগের ১২ দিনের যুদ্ধের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ইরান সামরিক সক্ষমতা ও ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ক্ষমতা আরও বাড়িয়েছে, যা পরবর্তী ৪০ দিনের সংঘাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, আলোচনার সময়ও দেশটির সশস্ত্র বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় ছিল। যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালি বন্ধসহ বিভিন্ন জরুরি পরিকল্পনা আগেই প্রস্তুত রাখা হয়েছিল এবং প্রয়োজন অনুযায়ী তা বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

আরাঘচি বলেন, ইরান সবসময় কূটনৈতিক সমাধানকে অগ্রাধিকার দেয়। তবে জাতীয় স্বার্থ ও পারমাণবিক অধিকার নিয়ে কোনো ধরনের আপস করবে না তেহরান।