ঢাকা ০৫:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টাইফয়েড টিকা নিয়ে ইপিআইয়ের নতুন নির্দেশনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:৩০:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
  • / 37

প্রতীকী ছবি

আগামী ১ আগস্ট থেকে দেশজুড়ে শুরু হচ্ছে টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচি। তবে ২০২৫ সালের ক্যাম্পেইনে দুই বছরের কম বয়সী যেসব শিশু এক ডোজ টাইফয়েড টিকা নিয়েছে, তাদের নতুন করে এই টিকা নিতে হবে না বলে জানিয়েছে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই)।

রোববার (১৯ জুলাই) ইপিআই বাংলাদেশ তাদের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বার্তায় এ তথ্য জানায়।

ইপিআই জানায়, ২০২৫ সালের টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইনে নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির আওতাভুক্ত দুই বছরের কম বয়সী যেসব শিশু টিকা পেয়েছে, তারা রুটিন টাইফয়েড টিকা কার্যক্রমে পুনরায় টিকা নেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে অন্যান্য নিয়মিত টিকা আগের নিয়মেই চলবে।

আগামী ১ আগস্টের কর্মসূচি সফল করতে তৃণমূল পর্যায়ে ব্যাপক প্রচার ও জনসম্পৃক্ততার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ কাজে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, ইমাম, ধর্মীয় নেতা ও কমিউনিটি প্রতিনিধিদের যুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

টাইফয়েড থেকে শিশুদের দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বাড়ি বাড়ি প্রচার, মাইকিং, উঠান বৈঠক ও অভিভাবকদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে সচেতনতা বাড়ানোর কার্যক্রম চালানো হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

টাইফয়েড টিকা নিয়ে ইপিআইয়ের নতুন নির্দেশনা

সর্বশেষ আপডেট ১০:৩০:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

আগামী ১ আগস্ট থেকে দেশজুড়ে শুরু হচ্ছে টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচি। তবে ২০২৫ সালের ক্যাম্পেইনে দুই বছরের কম বয়সী যেসব শিশু এক ডোজ টাইফয়েড টিকা নিয়েছে, তাদের নতুন করে এই টিকা নিতে হবে না বলে জানিয়েছে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই)।

রোববার (১৯ জুলাই) ইপিআই বাংলাদেশ তাদের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বার্তায় এ তথ্য জানায়।

ইপিআই জানায়, ২০২৫ সালের টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইনে নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির আওতাভুক্ত দুই বছরের কম বয়সী যেসব শিশু টিকা পেয়েছে, তারা রুটিন টাইফয়েড টিকা কার্যক্রমে পুনরায় টিকা নেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে অন্যান্য নিয়মিত টিকা আগের নিয়মেই চলবে।

আগামী ১ আগস্টের কর্মসূচি সফল করতে তৃণমূল পর্যায়ে ব্যাপক প্রচার ও জনসম্পৃক্ততার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ কাজে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, ইমাম, ধর্মীয় নেতা ও কমিউনিটি প্রতিনিধিদের যুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

টাইফয়েড থেকে শিশুদের দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বাড়ি বাড়ি প্রচার, মাইকিং, উঠান বৈঠক ও অভিভাবকদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে সচেতনতা বাড়ানোর কার্যক্রম চালানো হবে।