ঢাকা ০৯:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১৫ জেলায় বন্যার আশঙ্কা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:১৪:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
  • / 133

প্রতীকি ছবি

আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দেশের অন্তত ১৫ জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে বন্যা দেখা দিতে পারে বলে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে কয়েকটি নদীর পানি ইতোমধ্যে বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে, আর আরও কয়েকটি নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে।

সোমবার প্রকাশিত কেন্দ্রের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, কুশিয়ারা নদীর ফেঞ্চুগঞ্জ ও মারকুলি, সুরমা নদীর ছাতক এবং সোমেশ্বরী নদীর কলমাকান্দা পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

আবহাওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগসহ ভারতের আসাম, মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। এর প্রভাবে নদ-নদীর পানি আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রামের নিম্নাঞ্চলে আকস্মিক বা স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে।

এ ছাড়া সুরমা, কুশিয়ারা, সারিগোয়াইন, যাদুকাটা, ভুগাই, কংস ও সোমেশ্বরী নদীর পানি বাড়তে থাকায় সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, ময়মনসিংহ ও শেরপুরের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যমান বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি অথবা নতুন করে প্লাবনের আশঙ্কা রয়েছে।

অন্যদিকে ব্রহ্মপুত্র-যমুনার পানি আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টায় কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ ও টাঙ্গাইলের কিছু এলাকায় সতর্কসীমার কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে। একই সময়ে নওগাঁ ও নাটোরে আত্রাই ও ছোট যমুনা নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলেও সাময়িক জলাবদ্ধতা বা প্লাবনের শঙ্কা রয়েছে।

দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে সাঙ্গু, হালদা ও মাতামুহুরী নদীর পানিও আগামী কয়েক দিনে দ্রুত বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

১৫ জেলায় বন্যার আশঙ্কা

সর্বশেষ আপডেট ০৪:১৪:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দেশের অন্তত ১৫ জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে বন্যা দেখা দিতে পারে বলে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে কয়েকটি নদীর পানি ইতোমধ্যে বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে, আর আরও কয়েকটি নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে।

সোমবার প্রকাশিত কেন্দ্রের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, কুশিয়ারা নদীর ফেঞ্চুগঞ্জ ও মারকুলি, সুরমা নদীর ছাতক এবং সোমেশ্বরী নদীর কলমাকান্দা পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

আবহাওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগসহ ভারতের আসাম, মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। এর প্রভাবে নদ-নদীর পানি আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রামের নিম্নাঞ্চলে আকস্মিক বা স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে।

এ ছাড়া সুরমা, কুশিয়ারা, সারিগোয়াইন, যাদুকাটা, ভুগাই, কংস ও সোমেশ্বরী নদীর পানি বাড়তে থাকায় সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, ময়মনসিংহ ও শেরপুরের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যমান বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি অথবা নতুন করে প্লাবনের আশঙ্কা রয়েছে।

অন্যদিকে ব্রহ্মপুত্র-যমুনার পানি আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টায় কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ ও টাঙ্গাইলের কিছু এলাকায় সতর্কসীমার কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে। একই সময়ে নওগাঁ ও নাটোরে আত্রাই ও ছোট যমুনা নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলেও সাময়িক জলাবদ্ধতা বা প্লাবনের শঙ্কা রয়েছে।

দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে সাঙ্গু, হালদা ও মাতামুহুরী নদীর পানিও আগামী কয়েক দিনে দ্রুত বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।