ঢাকা ০৩:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আন্দোলন স্থগিত,শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ আসছে নতুন কর্মসূচি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:০৯:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
  • / 17

প্রায় ১০ ঘণ্টা বিক্ষোভ ও অবরোধের পর রাজপথ ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা। তবে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগের দাবিতে অনড় থাকার কথা জানিয়ে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাত পৌনে ১০টার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে আন্দোলনকারীরা কর্মসূচি স্থগিতের ঘোষণা দেন। পরে তারা সরে গেলে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

এর আগে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর সায়েন্সল্যাব মোড়ে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। একই সময়ে উত্তরা বিএনএস সেন্টারের সামনেও আরেকটি দল বিক্ষোভ করে। পরে তারা ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সামনে অবস্থান নেন এবং বিকেলে আবার সায়েন্সল্যাব এলাকায় ফিরে আসেন।

সন্ধ্যায় মিছিল নিয়ে জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে গিয়ে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। তারা মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ অবরোধ করলে ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

অবরোধ চলাকালে পুলিশ শিক্ষার্থীদের সড়ক ছেড়ে দেওয়ার আহ্বান জানায়। তবে তারা অবস্থান চালিয়ে গেলে একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, এ সময় পুলিশের লাঠিচার্জে কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।

পরে পুলিশ সংসদ ভবনের সামনের এলাকা থেকে শিক্ষার্থীদের সরিয়ে দিলে তারা আসাদগেটের আড়ং মোড় এলাকায় অবস্থান নেন। সেখানে উত্তেজিত কয়েকজন শিক্ষার্থী পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন বলে জানা যায়। পরে পুলিশ তাদের আবারও সরিয়ে দেয়।

দিনভর আন্দোলন চলার মধ্যে শিক্ষার্থীরা এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত, বৈরী আবহাওয়ার কারণে ১৩ জুলাই পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারা শিক্ষার্থীদের জন্য পুনঃপরীক্ষার ব্যবস্থা এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি জানান।

এদিকে রাতে সংসদে শিক্ষামন্ত্রী দুঃখ প্রকাশ করে পদার্থবিজ্ঞান, হিসাববিজ্ঞান ও যুক্তিবিদ্যা প্রথমপত্র পরীক্ষা পুনরায় নেওয়ার ঘোষণা দেন। এরপর রাত পৌনে ১০টার দিকে শিক্ষার্থীরা আজকের মতো কর্মসূচি স্থগিত করে ফিরে যান।

আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কর্মসূচি চলবে। আগামী দিনের কর্মসূচি নিয়ে রাতে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

 

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আন্দোলন স্থগিত,শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ আসছে নতুন কর্মসূচি

সর্বশেষ আপডেট ১১:০৯:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

প্রায় ১০ ঘণ্টা বিক্ষোভ ও অবরোধের পর রাজপথ ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা। তবে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগের দাবিতে অনড় থাকার কথা জানিয়ে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাত পৌনে ১০টার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে আন্দোলনকারীরা কর্মসূচি স্থগিতের ঘোষণা দেন। পরে তারা সরে গেলে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

এর আগে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর সায়েন্সল্যাব মোড়ে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। একই সময়ে উত্তরা বিএনএস সেন্টারের সামনেও আরেকটি দল বিক্ষোভ করে। পরে তারা ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সামনে অবস্থান নেন এবং বিকেলে আবার সায়েন্সল্যাব এলাকায় ফিরে আসেন।

সন্ধ্যায় মিছিল নিয়ে জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে গিয়ে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। তারা মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ অবরোধ করলে ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

অবরোধ চলাকালে পুলিশ শিক্ষার্থীদের সড়ক ছেড়ে দেওয়ার আহ্বান জানায়। তবে তারা অবস্থান চালিয়ে গেলে একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, এ সময় পুলিশের লাঠিচার্জে কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।

পরে পুলিশ সংসদ ভবনের সামনের এলাকা থেকে শিক্ষার্থীদের সরিয়ে দিলে তারা আসাদগেটের আড়ং মোড় এলাকায় অবস্থান নেন। সেখানে উত্তেজিত কয়েকজন শিক্ষার্থী পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন বলে জানা যায়। পরে পুলিশ তাদের আবারও সরিয়ে দেয়।

দিনভর আন্দোলন চলার মধ্যে শিক্ষার্থীরা এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত, বৈরী আবহাওয়ার কারণে ১৩ জুলাই পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারা শিক্ষার্থীদের জন্য পুনঃপরীক্ষার ব্যবস্থা এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি জানান।

এদিকে রাতে সংসদে শিক্ষামন্ত্রী দুঃখ প্রকাশ করে পদার্থবিজ্ঞান, হিসাববিজ্ঞান ও যুক্তিবিদ্যা প্রথমপত্র পরীক্ষা পুনরায় নেওয়ার ঘোষণা দেন। এরপর রাত পৌনে ১০টার দিকে শিক্ষার্থীরা আজকের মতো কর্মসূচি স্থগিত করে ফিরে যান।

আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কর্মসূচি চলবে। আগামী দিনের কর্মসূচি নিয়ে রাতে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।