ঢাকা ০২:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পরীক্ষা পেছালে কী হতো- রুমিন ফারহানার প্রশ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:০৮:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
  • / 24

রুমিন ফারহানা

দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া, শিক্ষার্থীদের আন্দোলন, পরীক্ষা পেছানোর জোরালো দাবি- সবকিছুর পরও কেন এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষা নির্ধারিত দিনেই নেওয়া হলো? ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে এই প্রশ্নে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলনকে সরাসরি জবাবদিহির মুখে দাঁড় করালেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে রুমিন ফারহানা বলেন, এইচএসসি শিক্ষার্থীদের জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা মাত্র এক বা দুই দিন পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়ার অনুরোধ করেছিল। তাহলে সেই দাবি বিবেচনায় নিতে সমস্যা কোথায় ছিল?

জবাবে শিক্ষামন্ত্রী জানান, সিদ্ধান্তটি কোনো একক বিবেচনায় নেওয়া হয়নি। সারা দেশের ২ হাজার ৭০০টিরও বেশি পরীক্ষাকেন্দ্র, ৬৪ জেলার পুলিশ সুপার (এসপি), আট বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, জেলা প্রশাসক, ইউএনও এবং আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করেই পরীক্ষা যথাসময়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

মন্ত্রী বলেন, সরকার শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছে। এমনকি বিকেল ৫টা পর্যন্ত অপেক্ষা করে প্রশাসনের ইতিবাচক মতামত পাওয়ার পর পরীক্ষা স্থগিত না করার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়।

শিক্ষামন্ত্রী সংসদকে জানান, পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজ কেন্দ্র পানিতে তলিয়ে গেলে তাৎক্ষণিকভাবে মেয়র, জেলা প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের সহায়তায় পরীক্ষার্থীদের নৌকায় করে পাঁচতলা ভবনে পৌঁছে পরীক্ষা নেওয়া হয়।

যাদের পোশাক ভিজে গিয়েছিল, তাদের জন্য বিকল্প পোশাকের ব্যবস্থা করা হয়। এছাড়া পরীক্ষা এক ঘণ্টা দেরিতে শুরু করে সেই সময় পরে সমন্বয় করে দেওয়া হয়।

মন্ত্রী আরও জানান, দুর্যোগপূর্ণ এলাকায় প্রয়োজনে পরীক্ষা স্থগিত বা বিলম্বে নেওয়ার ক্ষমতা স্থানীয় প্রশাসনকে আগে থেকেই দেওয়া ছিল।

সংসদে পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ভুল থাকার বিষয়েও মুখ খুলেছেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি জানান, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ত্রুটি পাওয়ায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর (ফুল ক্রেডিট) দেওয়া হবে।

তিনি দাবি করেন, প্রশ্নপত্র তৈরির ও মডারেশনের প্রক্রিয়া দুই বছর আগে শুরু হয়েছিল। বর্তমান সরকার মাত্র চার মাস আগে দায়িত্ব নেওয়ায় এসব প্রশ্ন আগের সময়ের মডারেশন প্রক্রিয়ায় তৈরি হয়েছিল।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

পরীক্ষা পেছালে কী হতো- রুমিন ফারহানার প্রশ্ন

সর্বশেষ আপডেট ০৮:০৮:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া, শিক্ষার্থীদের আন্দোলন, পরীক্ষা পেছানোর জোরালো দাবি- সবকিছুর পরও কেন এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষা নির্ধারিত দিনেই নেওয়া হলো? ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে এই প্রশ্নে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলনকে সরাসরি জবাবদিহির মুখে দাঁড় করালেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে রুমিন ফারহানা বলেন, এইচএসসি শিক্ষার্থীদের জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা মাত্র এক বা দুই দিন পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়ার অনুরোধ করেছিল। তাহলে সেই দাবি বিবেচনায় নিতে সমস্যা কোথায় ছিল?

জবাবে শিক্ষামন্ত্রী জানান, সিদ্ধান্তটি কোনো একক বিবেচনায় নেওয়া হয়নি। সারা দেশের ২ হাজার ৭০০টিরও বেশি পরীক্ষাকেন্দ্র, ৬৪ জেলার পুলিশ সুপার (এসপি), আট বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, জেলা প্রশাসক, ইউএনও এবং আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করেই পরীক্ষা যথাসময়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

মন্ত্রী বলেন, সরকার শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছে। এমনকি বিকেল ৫টা পর্যন্ত অপেক্ষা করে প্রশাসনের ইতিবাচক মতামত পাওয়ার পর পরীক্ষা স্থগিত না করার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়।

শিক্ষামন্ত্রী সংসদকে জানান, পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজ কেন্দ্র পানিতে তলিয়ে গেলে তাৎক্ষণিকভাবে মেয়র, জেলা প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের সহায়তায় পরীক্ষার্থীদের নৌকায় করে পাঁচতলা ভবনে পৌঁছে পরীক্ষা নেওয়া হয়।

যাদের পোশাক ভিজে গিয়েছিল, তাদের জন্য বিকল্প পোশাকের ব্যবস্থা করা হয়। এছাড়া পরীক্ষা এক ঘণ্টা দেরিতে শুরু করে সেই সময় পরে সমন্বয় করে দেওয়া হয়।

মন্ত্রী আরও জানান, দুর্যোগপূর্ণ এলাকায় প্রয়োজনে পরীক্ষা স্থগিত বা বিলম্বে নেওয়ার ক্ষমতা স্থানীয় প্রশাসনকে আগে থেকেই দেওয়া ছিল।

সংসদে পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ভুল থাকার বিষয়েও মুখ খুলেছেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি জানান, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ত্রুটি পাওয়ায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর (ফুল ক্রেডিট) দেওয়া হবে।

তিনি দাবি করেন, প্রশ্নপত্র তৈরির ও মডারেশনের প্রক্রিয়া দুই বছর আগে শুরু হয়েছিল। বর্তমান সরকার মাত্র চার মাস আগে দায়িত্ব নেওয়ায় এসব প্রশ্ন আগের সময়ের মডারেশন প্রক্রিয়ায় তৈরি হয়েছিল।