ঢাকা ১১:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফেসবুক লাইভে মারা গেলেন জন ডেভিস

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:২৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
  • / 112

লাইভ চলাকালীন জনপ্রিয় কন্টেন্ট ক্রিয়েটরের মৃত্যু

সোশ্যাল মিডিয়া দুনিয়ায় এক অত্যন্ত বেদনাদায়ক ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। নিজের ভেরিফাইড পেজ থেকে ফেসবুক লাইভ সম্প্রচার চলাকালীন সময়ে হঠাৎ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছেন জনপ্রিয় মার্কিন কন্টেন্ট ক্রিয়েটর জন ডেভিস। গত বুধবার (১০ জুন) আমেরিকার টেনেসির জেলিকো এলাকায় অবস্থিত নিজের বাসভবনে তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। আকস্মিক মৃত্যুর সময় এই জনপ্রিয় ব্যক্তিত্বের বয়স হয়েছিল মাত্র ৫৫ বছর।

আন্তর্জাতিক স্তরের খ্যাতনামা সংবাদমাধ্যম ‘টিএমজেড’ প্রথম এই প্রতিভাবান কনটেন্ট ক্রিয়েটরের অকাল মৃত্যুর খবরটি সারা বিশ্বের সামনে নিয়ে আসে। পরবর্তীতে আমেরিকার জনপ্রিয় ম্যাগাজিন ‘পিপল’ ক্যাম্পবেল কাউন্টি শেরিফ অফিসের অফিসিয়াল রিপোর্টের বরাতে ঘটনার বিস্তারিত জানায়। প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার এক ব্যক্তির তীব্র শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যার কারণে জরুরি ভিত্তিতে একটি কল পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একজন কর্মকর্তা। তবে দুর্ভাগ্যবশত সেখানে পৌঁছানোর পর জন ডেভিসকে আর কোনোভাবেই বাঁচানো সম্ভব হয়নি। কর্তব্যরত কর্মকর্তা ঘটনাস্থলেই তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সূত্র এবং তাঁর অগুনতি অনুরাগীদের পোস্ট থেকে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, গত ১০ জুন নিজের পেজে রান্নার লাইভ সেশন চলাকালীন সময়েই হঠাৎ প্রচণ্ড অসুস্থ হয়ে পড়েন জন ডেভিস। এই মর্মান্তিক ঘটনার পর তাঁর সম্মানার্থে এবং সংবেদনশীলতার কথা বিবেচনা করে সেই লাইভ ভিডিওটি ফেসবুক পেজ থেকে স্থায়ীভাবে সরিয়ে বা ডিলিট করে নেওয়া হয়েছে।

তবে মৃত্যুর ঠিক এক দিন আগে, অর্থাৎ ৯ জুন জনের নিজের মায়ের সঙ্গে ধারণ করা শেষ ভিডিওটি এখনও তাঁর অফিশিয়াল পেজে রয়েছে। স্মৃতি জড়ানো সেই ভিডিওটিতে দেখা যায়, পরম মমতায় মা ও ছেলে মিলে রাতের খাবারের জন্য একটি বিশেষ টমেটোর রেসিপি তৈরি করছিলেন।

ডিজিটাল দুনিয়ায় জন ডেভিস মূলত তাঁর ‘কফি টাইম উইথ জন অ্যান্ড মম্মা’ নামক ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলের জন্য বিশ্বব্যাপী ব্যাপক পরিচিত ছিলেন। এই প্ল্যাটফর্মে তিনি তাঁর জন্মদাত্রী মা ফ্রান্সেস ডেভিসকে সাথে নিয়ে সম্পূর্ণ পারিবারিক ও ঘরোয়া আমেজের নিয়মিত বিভিন্ন বিনোদনমূলক কনটেন্ট তৈরি করতেন। বাস্তব জীবনে মা-ছেলের এই চমৎকার রসায়ন, খুনসুটি আর ভালোবাসা দেখতে প্রতিদিন ফেসবুক ও ইউটিউব মিলিয়ে লাখ লাখ দর্শক নিয়মিত চোখ রাখতেন তাঁদের ডিজিটাল চ্যানেলে।

উপস্থাপনার চমৎকার ও সহজ সরল ঢঙের কারণে খুব অল্প সময়েই তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিশাল এক ভক্তকুল তৈরি করতে সক্ষম হয়েছিলেন। জীবনের চাকা সচল থাকা অবস্থায় লক্ষ মানুষকে হাসানো জনের এমন আকস্মিক ও অকাল বিদায়ের খবরে তাঁর সামাজিক মাধ্যমের ফলোয়ার এবং বিশ্বজুড়ে থাকা অনুরাগীদের মাঝে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ফেসবুক লাইভে মারা গেলেন জন ডেভিস

সর্বশেষ আপডেট ১১:২৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

সোশ্যাল মিডিয়া দুনিয়ায় এক অত্যন্ত বেদনাদায়ক ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। নিজের ভেরিফাইড পেজ থেকে ফেসবুক লাইভ সম্প্রচার চলাকালীন সময়ে হঠাৎ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছেন জনপ্রিয় মার্কিন কন্টেন্ট ক্রিয়েটর জন ডেভিস। গত বুধবার (১০ জুন) আমেরিকার টেনেসির জেলিকো এলাকায় অবস্থিত নিজের বাসভবনে তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। আকস্মিক মৃত্যুর সময় এই জনপ্রিয় ব্যক্তিত্বের বয়স হয়েছিল মাত্র ৫৫ বছর।

আন্তর্জাতিক স্তরের খ্যাতনামা সংবাদমাধ্যম ‘টিএমজেড’ প্রথম এই প্রতিভাবান কনটেন্ট ক্রিয়েটরের অকাল মৃত্যুর খবরটি সারা বিশ্বের সামনে নিয়ে আসে। পরবর্তীতে আমেরিকার জনপ্রিয় ম্যাগাজিন ‘পিপল’ ক্যাম্পবেল কাউন্টি শেরিফ অফিসের অফিসিয়াল রিপোর্টের বরাতে ঘটনার বিস্তারিত জানায়। প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার এক ব্যক্তির তীব্র শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যার কারণে জরুরি ভিত্তিতে একটি কল পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একজন কর্মকর্তা। তবে দুর্ভাগ্যবশত সেখানে পৌঁছানোর পর জন ডেভিসকে আর কোনোভাবেই বাঁচানো সম্ভব হয়নি। কর্তব্যরত কর্মকর্তা ঘটনাস্থলেই তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সূত্র এবং তাঁর অগুনতি অনুরাগীদের পোস্ট থেকে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, গত ১০ জুন নিজের পেজে রান্নার লাইভ সেশন চলাকালীন সময়েই হঠাৎ প্রচণ্ড অসুস্থ হয়ে পড়েন জন ডেভিস। এই মর্মান্তিক ঘটনার পর তাঁর সম্মানার্থে এবং সংবেদনশীলতার কথা বিবেচনা করে সেই লাইভ ভিডিওটি ফেসবুক পেজ থেকে স্থায়ীভাবে সরিয়ে বা ডিলিট করে নেওয়া হয়েছে।

তবে মৃত্যুর ঠিক এক দিন আগে, অর্থাৎ ৯ জুন জনের নিজের মায়ের সঙ্গে ধারণ করা শেষ ভিডিওটি এখনও তাঁর অফিশিয়াল পেজে রয়েছে। স্মৃতি জড়ানো সেই ভিডিওটিতে দেখা যায়, পরম মমতায় মা ও ছেলে মিলে রাতের খাবারের জন্য একটি বিশেষ টমেটোর রেসিপি তৈরি করছিলেন।

ডিজিটাল দুনিয়ায় জন ডেভিস মূলত তাঁর ‘কফি টাইম উইথ জন অ্যান্ড মম্মা’ নামক ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলের জন্য বিশ্বব্যাপী ব্যাপক পরিচিত ছিলেন। এই প্ল্যাটফর্মে তিনি তাঁর জন্মদাত্রী মা ফ্রান্সেস ডেভিসকে সাথে নিয়ে সম্পূর্ণ পারিবারিক ও ঘরোয়া আমেজের নিয়মিত বিভিন্ন বিনোদনমূলক কনটেন্ট তৈরি করতেন। বাস্তব জীবনে মা-ছেলের এই চমৎকার রসায়ন, খুনসুটি আর ভালোবাসা দেখতে প্রতিদিন ফেসবুক ও ইউটিউব মিলিয়ে লাখ লাখ দর্শক নিয়মিত চোখ রাখতেন তাঁদের ডিজিটাল চ্যানেলে।

উপস্থাপনার চমৎকার ও সহজ সরল ঢঙের কারণে খুব অল্প সময়েই তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিশাল এক ভক্তকুল তৈরি করতে সক্ষম হয়েছিলেন। জীবনের চাকা সচল থাকা অবস্থায় লক্ষ মানুষকে হাসানো জনের এমন আকস্মিক ও অকাল বিদায়ের খবরে তাঁর সামাজিক মাধ্যমের ফলোয়ার এবং বিশ্বজুড়ে থাকা অনুরাগীদের মাঝে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।