ঢাকা ০৯:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভূমিকম্পে প্রস্তুত করা হবে ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবী

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:৪৯:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
  • / 57

ভূমিকম্প

ভূমিকম্প-পরবর্তী জরুরি সাড়াদান সক্ষমতা বাড়াতে ঢাকা ও আশপাশের এলাকার জন্য ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবী প্রস্তুত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে জাতীয় টাস্কফোর্স গঠন, বিশেষ সেল প্রতিষ্ঠা এবং জরুরি লজিস্টিক ব্যবস্থা জোরদারের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

বুধবার সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ভূমিকম্প প্রস্তুতি বিষয়ক বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন বিষয়টি জানান।

তিনি বলেন, ভূমিকম্প-পরবর্তী উদ্ধার ও জরুরি সেবার সক্ষমতা বাড়াতে ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। ইতোমধ্যে ৭০ হাজার স্বেচ্ছাসেবকের ডাটাবেজ প্রস্তুত হয়েছে, বাকি ৩০ হাজারকে দ্রুত অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

বৈঠকে প্রয়োজনীয় উদ্ধার সরঞ্জাম, জনসচেতনতা কর্মসূচি, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ভূমিকম্প প্রস্তুতি বিষয়ক বিশেষ সেল গঠন এবং দুর্যোগকালে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয় জোরদারের বিষয়েও আলোচনা হয়।

এছাড়া ঢাকায় দুর্যোগের সময় দ্রুত ত্রাণ ও জরুরি সহায়তা পৌঁছে দিতে হিউম্যানিটারিয়ান স্টেজিং এরিয়া (এইচএসএ) স্থাপনের পরিকল্পনাও তুলে ধরা হয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ভূমিকম্পে প্রস্তুত করা হবে ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবী

সর্বশেষ আপডেট ০৮:৪৯:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

ভূমিকম্প-পরবর্তী জরুরি সাড়াদান সক্ষমতা বাড়াতে ঢাকা ও আশপাশের এলাকার জন্য ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবী প্রস্তুত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে জাতীয় টাস্কফোর্স গঠন, বিশেষ সেল প্রতিষ্ঠা এবং জরুরি লজিস্টিক ব্যবস্থা জোরদারের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

বুধবার সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ভূমিকম্প প্রস্তুতি বিষয়ক বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন বিষয়টি জানান।

তিনি বলেন, ভূমিকম্প-পরবর্তী উদ্ধার ও জরুরি সেবার সক্ষমতা বাড়াতে ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। ইতোমধ্যে ৭০ হাজার স্বেচ্ছাসেবকের ডাটাবেজ প্রস্তুত হয়েছে, বাকি ৩০ হাজারকে দ্রুত অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

বৈঠকে প্রয়োজনীয় উদ্ধার সরঞ্জাম, জনসচেতনতা কর্মসূচি, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ভূমিকম্প প্রস্তুতি বিষয়ক বিশেষ সেল গঠন এবং দুর্যোগকালে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয় জোরদারের বিষয়েও আলোচনা হয়।

এছাড়া ঢাকায় দুর্যোগের সময় দ্রুত ত্রাণ ও জরুরি সহায়তা পৌঁছে দিতে হিউম্যানিটারিয়ান স্টেজিং এরিয়া (এইচএসএ) স্থাপনের পরিকল্পনাও তুলে ধরা হয়।