আজ বিশ্ব বাঁশ দিবস
- সর্বশেষ আপডেট ০৪:৩২:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 57
আজ বিশ্ব বাঁশ দিবস। শুনতে কিছুটা ভিন্ন লাগলেও প্রতি বছর ১৮ সেপ্টেম্বর বিশ্বজুড়ে পালিত হয় দিনটি। বাংলাদেশে ‘বাঁশ’ শব্দটি কখনো কখনো রসিকতা বা ভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হলেও বাস্তবে পরিবেশ ও অর্থনীতিতে বাঁশের রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।
চাইলে এ দিনে প্রিয়জনকে বাঁশ বা বাঁশের তৈরি কোনো পণ্য উপহার দেওয়া যায়। আবার বাঁশের কচি অংশ দিয়ে তৈরি খাবারও অনেকের কাছে জনপ্রিয়। বাঁশঝাড়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করেও দিনটি কাটাতে পারেন অনেকে।
বিশ্ব বাঁশ দিবসের সূচনা হয় ২০০৯ সালে থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অনুষ্ঠিত অষ্টম ওয়ার্ল্ড ব্যাম্বু কংগ্রেসে (ডব্লিউবিসি)। থাইল্যান্ডের রয়্যাল ফরেস্ট ডিপার্টমেন্ট ওই আয়োজনের সঙ্গে সহযোগী হিসেবে যুক্ত ছিল।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গবেষক, উদ্যোক্তা ও বাঁশ বিশেষজ্ঞদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক আয়োজন হলো ওয়ার্ল্ড ব্যাম্বু কংগ্রেস। এর প্রথম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮৪ সালে ক্যারিবীয় অঞ্চলের যুক্তরাষ্ট্রের স্বশাসিত অঞ্চল পুয়ের্তো রিকোতে। পরে ১৯৯২ সালে জাপানের মিনামাতায় অনুষ্ঠিত তৃতীয় কংগ্রেসে ইন্টারন্যাশনাল ব্যাম্বু অ্যাসোসিয়েশন (আইবিএ) প্রতিষ্ঠিত হয়।
২০০৪ সালে ভারতের নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ ওয়ার্ল্ড ব্যাম্বু কংগ্রেসে আইবিএকে রূপান্তর করে ওয়ার্ল্ড ব্যাম্বু অর্গানাইজেশন (ডব্লিউবিও) গঠন করা হয়। পরের বছর, ২০০৫ সালে, ডব্লিউবিও আইনগতভাবে একটি সংগঠন হিসেবে কার্যক্রম শুরু করে।
বিশ্ব বাঁশ দিবস জাতিসংঘ ঘোষিত কোনো আন্তর্জাতিক দিবস নয়। ওয়ার্ল্ড ব্যাম্বু অর্গানাইজেশনের উদ্যোগে দিনটি বিশ্বব্যাপী সচেতনতামূলক দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। বিভিন্ন দেশে বাঁশ রোপণ, কর্মশালা, প্রদর্শনী, গবেষণা এবং স্থানীয় পর্যায়ে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করা হয়।
এবার বিশ্ব বাঁশ দিবসের প্রতিপাদ্য ‘ব্যাম্বু বিয়ন্ড বর্ডারস’, যার অর্থ ‘সীমানা ছাড়িয়ে বাঁশ’। বাঁশের পরিবেশগত ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব তুলে ধরা, এর টেকসই ব্যবহার বাড়ানো এবং দৈনন্দিন জীবনে বাঁশভিত্তিক পণ্যের ব্যবহার উৎসাহিত করাই দিবসটির অন্যতম লক্ষ্য।





























