ইরানের বন্দর নজরদারি টাওয়ার ধ্বংসের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের
- সর্বশেষ আপডেট ১১:০৭:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
- / 12
ইরানের চাবাহার শাহিদ কালান্তারি বন্দরের একটি নজরদারি টাওয়ার ধ্বংস করেছে বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী।
একই সময়ে মার্কিন হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে সিরিয়া, কাতার ও জর্ডানে মার্কিন স্থাপনাগুলোতে হামলার দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি), যা মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা বাড়িয়েছে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) শুক্রবার জানায়, বৃহস্পতিবার ইরানের চাবাহার শাহিদ কালান্তারি বন্দরের নজরদারি টাওয়ারটি ধ্বংস করা হয়েছে। তাদের দাবি, ওমান উপসাগর উপকূলজুড়ে থাকা এই টাওয়ারটি আইআরজিসির সামুদ্রিক নজরদারি নেটওয়ার্কের অংশ ছিল এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজ পর্যবেক্ষণ ও লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণে ব্যবহৃত হতো।
অন্যদিকে, ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, ইরানশাহরে ইরানি সেনা সদস্য নিহত হওয়ার প্রতিশোধ হিসেবে সিরিয়ার আল-তানফে অবস্থিত মার্কিন বিশেষ অভিযান কমান্ড সেন্টারে হামলা চালিয়েছে আইআরজিসি।
তবে রয়টার্স স্বাধীনভাবে এ দাবির সত্যতা যাচাই করতে পারেনি। এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী বা সিরিয়ার সরকার।
এদিকে আইআরজিসি আরও দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্রের রাতভর হামলার জবাবে কাতারে থাকা মার্কিন রাডার ব্যবস্থা ও সামরিক বিমান লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।
কুয়েতের বিদ্যুৎ, পানি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরানের একটি হামলায় দেশটির একটি বিদ্যুৎ উৎপাদন ও পানি লবণমুক্তকরণ কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে অগ্নিকাণ্ডের পাশাপাশি বিদ্যুৎ উৎপাদনের একাধিক ইউনিটের কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে।
এ ছাড়া জর্ডানে অবস্থানরত মার্কিন সামরিক বিমান লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার দাবিও করেছে আইআরজিসি। তাদের ভাষ্য, এতে কয়েকটি মার্কিন জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান ও যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়েছে এবং আরও বেশ কয়েকটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যদিও এসব দাবির স্বাধীন কোনো নিশ্চিত তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।


































