নেতৃত্বের আলোচনায় যারা
যেকোনো সময় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা
- সর্বশেষ আপডেট ০৬:৫৪:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
- / 27
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির মেয়াদ শেষ হয়েছে চলতি বছরের মার্চের শুরুতেই। নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা এখন সময়ের ব্যাপার বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক- এই দুই শীর্ষ পদ ঘিরে শেষ মুহূর্তে চলছে নানা আলোচনা, সমীকরণ ও তৎপরতা।
২০২৪ সালের ১ মার্চ গঠিত বর্তমান কমিটিতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন।
সভাপতি পদে আলোচনায় যারা
দলীয় সূত্র অনুযায়ী, ২০০৭-০৮ শিক্ষাবর্ষ থেকে আনোয়ার পারভেজ ও শ্যামল মালুমসহ কয়েকজনের নাম আলোচনায় রয়েছে।
২০০৮-০৯ শিক্ষাবর্ষ থেকে সভাপতি পদে এগিয়ে রয়েছেন বর্তমান কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি আরিফুল ইসলাম আরিফ, এজাজুল কবির রুয়েল, খোরশেদ আলম সোহেল ও মঞ্জুরুল আলম রিয়াদ।
এ ছাড়া ২০০৯-১০ শিক্ষাবর্ষ থেকে সাংগঠনিক সম্পাদক আমান উল্লাহ আমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মমিনুল ইসলাম জিসান, প্রচার সম্পাদক শরীফ প্রধান শুভ এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেনের নামও আলোচনায় রয়েছে।
সাধারণ সম্পাদক পদে সম্ভাব্যরা
২০১০-১১ শিক্ষাবর্ষ থেকে সাধারণ সম্পাদক পদে সম্ভাব্য হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস এবং সহসভাপতি আনিসুর রহমান খন্দকার অনিক।
অন্যদিকে ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষ থেকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন এবং মিনহাজ আহমেদ প্রিন্সের নামও আলোচনায় রয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরের নেতাদের মধ্যে কেন্দ্রীয় সহসভাপতি ডা. তৌহিদ আওয়াল এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রাজিবুল ইসলাম তালুকদার (বিন্দু) সম্ভাব্য নেতৃত্বের আলোচনায় রয়েছেন।
পদপ্রত্যাশী নেতারা বলছেন, আন্দোলন-সংগ্রামে পরীক্ষিত ও ত্যাগী নেতাদের নেতৃত্বে আনা হলে সংগঠন আরও শক্তিশালী হবে। তাদের ভাষ্য, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, এবং তার সিদ্ধান্তই সবাই মেনে নেবেন।
এদিকে নতুন নেতৃত্বকে ঘিরে নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। তৃণমূলের প্রত্যাশা, আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখা এবং সাংগঠনিকভাবে পরীক্ষিত নেতারাই নতুন কমিটিতে স্থান পাবেন।
দলীয় সূত্র জানায়, নতুন কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে পরামর্শের পাশাপাশি পদপ্রত্যাশীদের অতীত রাজনৈতিক ভূমিকা, সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড এবং বিভিন্ন তথ্য-উপাত্তও বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে বিতর্কমুক্ত নেতৃত্ব নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের বিষয়ে বিভিন্ন সংস্থার তথ্যও পর্যালোচনা করা হতে পারে। এসব বিবেচনায় সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ শীর্ষ পদগুলো একসঙ্গে ঘোষণা করা হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।



































