আ. লীগের পদধারীরা যেন নির্বাচনে অংশ নিতে না পারে: জামায়াত
- সর্বশেষ আপডেট ০৩:৩৭:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
- / 7
নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের পদধারী কোনো ব্যক্তি যেন নির্বাচনে অংশ নিতে না পারেন, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। বুধবার (২৯ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের যেসব ব্যক্তি দলটির বিভিন্ন পদে ছিলেন, তাদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া উচিত নয়। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে জামায়াত।
সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে গোলাম পরওয়ার বলেন, তার সংসদ সদস্য পদ বহাল থাকবে কি না, সেটি নির্বাচন কমিশন ও জাতীয় সংসদের স্পিকারের এখতিয়ারভুক্ত বিষয়। এ বিষয়ে জামায়াতের কোনো মন্তব্য নেই।
যশোর-৪ আসনের এক সংসদ সদস্যের পরিবারের একটি ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি দাবি করেন, ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরকারদলীয় লোকজনের আচরণ গ্রহণযোগ্য ছিল না। একই সঙ্গে জামায়াতের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে অপপ্রচার চালানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
জামায়াত ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সম্ভাব্য রাজনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।
বৈঠকের বিষয়ে গোলাম পরওয়ার জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনসংক্রান্ত সাতটি প্রস্তাব আগে লিখিতভাবে নির্বাচন কমিশনের কাছে দেওয়া হয়েছিল। বুধবারের বৈঠকে আরও দুটি বিষয় উত্থাপন করা হয়।
তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনে অতিরিক্ত সচিব নিয়োগের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে তা বাতিলের দাবি জানিয়েছে জামায়াত। তার অভিযোগ, রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগ দেওয়া হলে নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন বাধাগ্রস্ত হতে পারে। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে উদ্বেগের কথা তুলে ধরা হয়েছে।
এ ছাড়া স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের প্রার্থী হওয়ার অযোগ্য ঘোষণা করার সিদ্ধান্তেরও বিরোধিতা করেছে জামায়াত। গোলাম পরওয়ার বলেন, জাতীয় নির্বাচনে তাদের ওপর এমন বিধিনিষেধ না থাকলেও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে তা আরোপ করা হয়েছে, যা পুনর্বিবেচনার দাবি করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন বিষয়টি বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছে বলে জানান তিনি।
স্থানীয় সরকার পর্যায়ে প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তিদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের অযোগ্য ঘোষণা করার দাবিও বৈঠকে উত্থাপন করা হয়েছে বলে জানান জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য ও আচরণে তাদের ওপর চাপ রয়েছে বলে মনে হয়েছে এবং কমিশন সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে প্রয়োজনীয় স্বাধীনতা পাচ্ছে না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।































