ঢাকা ০২:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভিপি পদে থাকার নৈতিকতা হারিয়েছেন সাদিক

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:০৯:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
  • / 21

রাশেদ খান

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)-এর ভিপি সাদিক কায়েমকে ঘিরে নতুন রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন। তার দাবি, ছাত্রশিবির ছেড়ে জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেওয়ার মাধ্যমে সাদিক কায়েম ভিপি পদে থাকার নৈতিক অধিকার হারিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) নিজের ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খাঁন বলেন, জুলাই আন্দোলনের সময় ছাত্রশিবিরই ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করার দাবি তুলেছিল। পরে আলোচনার ভিত্তিতে ‘লেজুড়বৃত্তিক ছাত্ররাজনীতি’ নিষিদ্ধ করার বিষয়টি যুক্ত হয়।

রাশেদের ভাষায়, “যে ছাত্রশিবির তখন লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধের কথা বলেছিল, আজ তারাই সবচেয়ে বড় লেজুড়বৃত্তিক ছাত্রসংগঠন।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, জাতীয় নির্বাচনের সময় ডাকসুর বর্তমান ভিপিসহ অধিকাংশ নেতা দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। এখন ভিপি থাকা অবস্থায় সাদিক কায়েম শিবির ছেড়ে জামায়াতে যোগ দিয়েছেন এবং দলটির পক্ষ থেকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী হিসেবেও আলোচনায় রয়েছেন।

রাশেদ দাবি করেন, এটি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে করা প্রতিশ্রুতির লঙ্ঘন এবং জুলাই আন্দোলনের শহীদদের আত্মত্যাগের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার শামিল।

তিনি সাদিক কায়েমের প্রতি শিক্ষার্থীদের কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া এবং ডাকসুর ভিপি পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

এর আগে গত সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদকসহ বেশ কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতা সাংগঠনিক পদ ছাড়েন। পরে তারা জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

তবে সাদিক কায়েমের বিরুদ্ধে রাশেদ খাঁনের এসব অভিযোগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত সাদিক কায়েম বা জামায়াতে ইসলামীর কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে জামায়াতের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে সাদিক কায়েমের নাম রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনায় থাকলেও দলটির পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ভিপি পদে থাকার নৈতিকতা হারিয়েছেন সাদিক

সর্বশেষ আপডেট ০৪:০৯:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)-এর ভিপি সাদিক কায়েমকে ঘিরে নতুন রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন। তার দাবি, ছাত্রশিবির ছেড়ে জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেওয়ার মাধ্যমে সাদিক কায়েম ভিপি পদে থাকার নৈতিক অধিকার হারিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) নিজের ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খাঁন বলেন, জুলাই আন্দোলনের সময় ছাত্রশিবিরই ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করার দাবি তুলেছিল। পরে আলোচনার ভিত্তিতে ‘লেজুড়বৃত্তিক ছাত্ররাজনীতি’ নিষিদ্ধ করার বিষয়টি যুক্ত হয়।

রাশেদের ভাষায়, “যে ছাত্রশিবির তখন লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধের কথা বলেছিল, আজ তারাই সবচেয়ে বড় লেজুড়বৃত্তিক ছাত্রসংগঠন।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, জাতীয় নির্বাচনের সময় ডাকসুর বর্তমান ভিপিসহ অধিকাংশ নেতা দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। এখন ভিপি থাকা অবস্থায় সাদিক কায়েম শিবির ছেড়ে জামায়াতে যোগ দিয়েছেন এবং দলটির পক্ষ থেকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী হিসেবেও আলোচনায় রয়েছেন।

রাশেদ দাবি করেন, এটি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে করা প্রতিশ্রুতির লঙ্ঘন এবং জুলাই আন্দোলনের শহীদদের আত্মত্যাগের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার শামিল।

তিনি সাদিক কায়েমের প্রতি শিক্ষার্থীদের কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া এবং ডাকসুর ভিপি পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

এর আগে গত সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদকসহ বেশ কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতা সাংগঠনিক পদ ছাড়েন। পরে তারা জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

তবে সাদিক কায়েমের বিরুদ্ধে রাশেদ খাঁনের এসব অভিযোগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত সাদিক কায়েম বা জামায়াতে ইসলামীর কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে জামায়াতের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে সাদিক কায়েমের নাম রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনায় থাকলেও দলটির পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।