ঢাকা ০২:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যোগাযোগ খাতে ৬০ হাজার ৭৩০ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:১০:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
  • / 79

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে দেশের যোগাযোগ ও অবকাঠামো খাতে বড় ধরনের বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। বিমান, রেল, সড়ক, সেতু ও নৌ–সব মিলিয়ে এই খাতে বরাদ্দ ধরা হয়েছে ৬০ হাজার ৭৩০ কোটি টাকা, যা আগের সংশোধিত বাজেটের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।

জাতীয় সংসদে বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ করা এবং সরবরাহ ব্যবস্থাকে গতিশীল করতে সমন্বিত যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়নে সরকার জোর দিচ্ছে।

সড়ক ও সেতু খাতে মহাসড়ক উন্নয়ন, চার লেন সম্প্রসারণ, গুরুত্বপূর্ণ করিডোর উন্নয়ন, ৯৪টি প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং সড়ক নিরাপত্তা জোরদারের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ঢাকার যানজট কমাতে রিং রোড ও রেডিয়াল রোড নির্মাণ, এক্সপ্রেসওয়ে গ্রিড তৈরি এবং ইলেকট্রনিক টোল ও স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থাও চালুর উদ্যোগ রয়েছে। পাশাপাশি দ্বিতীয় যমুনা সেতু, তৃতীয় মেঘনা সেতু ও এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মতো বড় প্রকল্পও পরিকল্পনায় রয়েছে।

রেল খাতে সব জেলাকে নেটওয়ার্কের আওতায় আনা, বন্দরের সঙ্গে সংযোগ বাড়ানো, আধুনিক কোচ ও লোকোমোটিভ সংগ্রহ, ডুয়াল গেজ ডাবল লাইন, আধুনিক সিগন্যালিং ব্যবস্থা এবং উচ্চগতির রেল চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। ঢাকা–চট্টগ্রাম রুটে নতুন কর্ডলাইন নির্মাণের মাধ্যমে দূরত্ব কমানোর উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে।

নৌপথে ড্রেজিং, নদীবন্দর আধুনিকায়ন, কন্টেইনার ও কার্গো হ্যান্ডলিং উন্নয়ন, মোংলা ও চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং নতুন টার্মিনাল নির্মাণের মাধ্যমে বাণিজ্যিক সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিমান ও পর্যটন খাতে বিমানবন্দর আধুনিকায়ন, তৃতীয় টার্মিনাল চালু, নতুন উড়োজাহাজ সংযোজন, আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব গড়ে তোলা এবং পর্যটন খাতে বিনিয়োগ বাড়িয়ে জিডিপিতে অবদান ৬–৭ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনার কথা জানানো হয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

যোগাযোগ খাতে ৬০ হাজার ৭৩০ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব

সর্বশেষ আপডেট ০৬:১০:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে দেশের যোগাযোগ ও অবকাঠামো খাতে বড় ধরনের বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। বিমান, রেল, সড়ক, সেতু ও নৌ–সব মিলিয়ে এই খাতে বরাদ্দ ধরা হয়েছে ৬০ হাজার ৭৩০ কোটি টাকা, যা আগের সংশোধিত বাজেটের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।

জাতীয় সংসদে বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ করা এবং সরবরাহ ব্যবস্থাকে গতিশীল করতে সমন্বিত যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়নে সরকার জোর দিচ্ছে।

সড়ক ও সেতু খাতে মহাসড়ক উন্নয়ন, চার লেন সম্প্রসারণ, গুরুত্বপূর্ণ করিডোর উন্নয়ন, ৯৪টি প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং সড়ক নিরাপত্তা জোরদারের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ঢাকার যানজট কমাতে রিং রোড ও রেডিয়াল রোড নির্মাণ, এক্সপ্রেসওয়ে গ্রিড তৈরি এবং ইলেকট্রনিক টোল ও স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থাও চালুর উদ্যোগ রয়েছে। পাশাপাশি দ্বিতীয় যমুনা সেতু, তৃতীয় মেঘনা সেতু ও এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মতো বড় প্রকল্পও পরিকল্পনায় রয়েছে।

রেল খাতে সব জেলাকে নেটওয়ার্কের আওতায় আনা, বন্দরের সঙ্গে সংযোগ বাড়ানো, আধুনিক কোচ ও লোকোমোটিভ সংগ্রহ, ডুয়াল গেজ ডাবল লাইন, আধুনিক সিগন্যালিং ব্যবস্থা এবং উচ্চগতির রেল চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। ঢাকা–চট্টগ্রাম রুটে নতুন কর্ডলাইন নির্মাণের মাধ্যমে দূরত্ব কমানোর উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে।

নৌপথে ড্রেজিং, নদীবন্দর আধুনিকায়ন, কন্টেইনার ও কার্গো হ্যান্ডলিং উন্নয়ন, মোংলা ও চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং নতুন টার্মিনাল নির্মাণের মাধ্যমে বাণিজ্যিক সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিমান ও পর্যটন খাতে বিমানবন্দর আধুনিকায়ন, তৃতীয় টার্মিনাল চালু, নতুন উড়োজাহাজ সংযোজন, আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব গড়ে তোলা এবং পর্যটন খাতে বিনিয়োগ বাড়িয়ে জিডিপিতে অবদান ৬–৭ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনার কথা জানানো হয়।