ঢাকা ১০:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নভেম্বরেই গণভোটের দাবিতে ইসিতে জামায়াতসহ ৮ দল

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:৪৬:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫
  • / 117

নভেম্বরেই গণভোটের দাবিতে ইসিতে জামায়াতসহ ৮ দল

জুলাই সনদের আইনি বাস্তবায়নের জন্য আগামী নভেম্বর মাসের মধ্যে গণভোটের দাবি জানাতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে স্মারকলিপি দেওয়ার উদ্দেশ্যে বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনের কার্যালয়ে প্রবেশ করেছে জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলনসহ মোট আটটি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদল।

প্রতিনিধিদলের নেতারা সকাল থেকে নির্বাচন কমিশনের সামনে উপস্থিত হয়ে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন।

এই আটটি দল হলো: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপা এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি।

সকালে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নির্বাচন ভবনের সামনে এবং জামায়াতে ইসলামী মেট্রোরেল স্টেশনের কাছে পাকা মার্কেট সংলগ্ন সড়কের পাশে অস্থায়ী মঞ্চ তৈরি করে সমাবেশ করে। জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল হালিম, মোবারক হোসেন, রেজাউল করিম, নাজিম উদ্দিন মোল্লাসহ শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশে রাজনীতিকরা বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে সাংবিধানিক আদেশ জারি করে নভেম্বরে গণভোট আয়োজন করতে হবে এবং সংসদ নির্বাচনে সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। জামায়াতের নেতা নাজিম উদ্দিন মোল্লা বলেন, “নভেম্বরের মধ্যে গণভোট আয়োজন করতে হবে। আমরা আট দল মিলে নির্বাচন কমিশনের কাছে স্মারকলিপি দেব।”

নেতারা হুঁশিয়ারি দেন যে, তাদের দাবি না মানলে বর্তমান নির্বাচন কমিশনকে ‘বিগত ইসির পরিণতি ভোগ করতে হবে’। একই দিনে জামায়াত নেতারা গণভোট ও সংসদ নির্বাচনে বিএনপির দাবির কঠোর সমালোচনা করেন।

উল্লেখ্য, এই আটটি দল ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ দফা দাবির সঙ্গে আন্দোলন চালিয়ে আসছে। বৃহস্পতিবারের স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচী তাদের চলমান আন্দোলনের চতুর্থ পর্বের অংশ। তাদের ৫ দফা দাবিসমূহ হলো:

১. জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে আদেশ জারি করা এবং ওই আদেশের ওপর আগামী নভেম্বর মাসের মধ্যে গণভোট আয়োজন করা।
২. আগামী জাতীয় নির্বাচনে উভয়কক্ষে সংখ্যানুপাতিক (PR) পদ্ধতি চালু করা।
৩. অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা।
৪. ‘ফ্যাসিস্ট’ সরকারের জুলুম-নির্যাতন, গণহত্যা ও দুর্নীতির বিচার দৃশ্যমান করা।
৫. ‘স্বৈরাচারের দোসর’ জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

নভেম্বরেই গণভোটের দাবিতে ইসিতে জামায়াতসহ ৮ দল

সর্বশেষ আপডেট ১২:৪৬:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫

জুলাই সনদের আইনি বাস্তবায়নের জন্য আগামী নভেম্বর মাসের মধ্যে গণভোটের দাবি জানাতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে স্মারকলিপি দেওয়ার উদ্দেশ্যে বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনের কার্যালয়ে প্রবেশ করেছে জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলনসহ মোট আটটি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদল।

প্রতিনিধিদলের নেতারা সকাল থেকে নির্বাচন কমিশনের সামনে উপস্থিত হয়ে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন।

এই আটটি দল হলো: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপা এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি।

সকালে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নির্বাচন ভবনের সামনে এবং জামায়াতে ইসলামী মেট্রোরেল স্টেশনের কাছে পাকা মার্কেট সংলগ্ন সড়কের পাশে অস্থায়ী মঞ্চ তৈরি করে সমাবেশ করে। জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল হালিম, মোবারক হোসেন, রেজাউল করিম, নাজিম উদ্দিন মোল্লাসহ শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশে রাজনীতিকরা বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে সাংবিধানিক আদেশ জারি করে নভেম্বরে গণভোট আয়োজন করতে হবে এবং সংসদ নির্বাচনে সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। জামায়াতের নেতা নাজিম উদ্দিন মোল্লা বলেন, “নভেম্বরের মধ্যে গণভোট আয়োজন করতে হবে। আমরা আট দল মিলে নির্বাচন কমিশনের কাছে স্মারকলিপি দেব।”

নেতারা হুঁশিয়ারি দেন যে, তাদের দাবি না মানলে বর্তমান নির্বাচন কমিশনকে ‘বিগত ইসির পরিণতি ভোগ করতে হবে’। একই দিনে জামায়াত নেতারা গণভোট ও সংসদ নির্বাচনে বিএনপির দাবির কঠোর সমালোচনা করেন।

উল্লেখ্য, এই আটটি দল ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ দফা দাবির সঙ্গে আন্দোলন চালিয়ে আসছে। বৃহস্পতিবারের স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচী তাদের চলমান আন্দোলনের চতুর্থ পর্বের অংশ। তাদের ৫ দফা দাবিসমূহ হলো:

১. জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে আদেশ জারি করা এবং ওই আদেশের ওপর আগামী নভেম্বর মাসের মধ্যে গণভোট আয়োজন করা।
২. আগামী জাতীয় নির্বাচনে উভয়কক্ষে সংখ্যানুপাতিক (PR) পদ্ধতি চালু করা।
৩. অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা।
৪. ‘ফ্যাসিস্ট’ সরকারের জুলুম-নির্যাতন, গণহত্যা ও দুর্নীতির বিচার দৃশ্যমান করা।
৫. ‘স্বৈরাচারের দোসর’ জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা।