স্ত্রী-শ্বশুর আটক
গোপালগঞ্জে পুকুর থেকে পুলিশ কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার
- সর্বশেষ আপডেট ০৪:৩৮:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
- / 10
গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার পাইককান্দি গ্রামে শ্বশুরবাড়ির পাশের একটি পুকুর থেকে এক পুলিশ কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী ও শ্বশুরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।
সোমবার (২৭ জুলাই) সকালে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত বি. এম. মাহামুদুল ইসলাম (৩৮) সদর উপজেলার বিজয়পাশা গ্রামের বাসিন্দা এবং খাগড়াছড়ির মহালছড়ি এপিবিএন-৬–এ এসআই (সশস্ত্র) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
পুলিশ জানায়, স্থানীয়রা সকালে পুকুরে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে থানায় খবর দেন। পরে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের জন্য সেটি গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ঘটনার পর নিহতের স্ত্রী ফাতেমা কানিজ এবং শ্বশুর কবিরুল ইসলাম ওরফে ঝুনু শেখকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গোপালগঞ্জ সদর থানায় নেওয়া হয়েছে।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, পারিবারিক বিরোধের জেরে তাকে হত্যা করে মরদেহ পুকুরে ফেলে রাখা হয়েছে।
নিহতের বড় ভাই বি. এম. আশিকুজ্জামান দাবি করেন, মাহামুদুল ইসলাম ছুটিতে এলে সাধারণত শ্বশুরবাড়িতেই থাকতেন। এবারও সেখানে অবস্থানকালে শ্যালককে বিদেশে পাঠানোর জন্য তার কাছে টাকা দাবি করা হয়। এ নিয়ে বিরোধের সৃষ্টি হয়েছিল। তার অভিযোগ, সেই বিরোধের জেরেই শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাকে হত্যা করেছে।
এদিকে নিহতের ছোট বোন নাদিরা সুলতানা অভিযোগ করেন, তার ভাবি মাহামুদুল ইসলামকে পরিবারের সঙ্গে স্বাভাবিকভাবে যোগাযোগ করতে দিতেন না। অতীতেও তাকে বিষ প্রয়োগের চেষ্টা করা হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি। তার সন্দেহ, শ্বাসরোধে হত্যার পর মরদেহ পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়েছে।
গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, মাহামুদুল ইসলাম কর্মস্থল থেকে ছুটিতে এসে গত শুক্রবার শ্বশুরবাড়িতে ওঠেন। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



































