ঢাকা ১২:৩১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ওসির পর এবার সরানো হলো গুলশানের ডিসিকেও

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:৫০:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 56

ডিএমপি

গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রত্যাহারের পর এবার ওই বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) এম তানভীর আহমেদকেও দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) তাঁকে দায়িত্ব পরবর্তী জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার কাছে বুঝিয়ে দিয়ে ডিএমপি সদর দপ্তরে রিপোর্ট করতে নির্দেশ দেওয়া হয়।

এর আগে গুলশান থানার ওসি মো. দাউদ হোসেনকেও প্রত্যাহার করা হয়। তাঁকে ডিএমপির সদর দপ্তর ও প্রশাসন বিভাগের কেন্দ্রীয় সংরক্ষণ দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে।

ডিএমপির উপকমিশনার (সদর দপ্তর ও প্রশাসন) শাহরিয়ার আলী জানান, প্রশাসনিক কারণে ডিসি ও ওসিকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। আপাতত তাঁদের স্থলে নতুন কাউকে দায়িত্ব দেওয়া হয়নি।

এর আগে ১১ সেপ্টেম্বর গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের একটি ঝটিকা মিছিলের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় গুলশান থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়। মামলায় ১১৮ জনের নাম উল্লেখের পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ৮০ থেকে ১০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ওই মামলায় ৮৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের মধ্যে ২৪ জনকে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। মিছিলের সময় ককটেল বিস্ফোরণ এবং পুলিশের দিকে ককটেল নিক্ষেপের অভিযোগও মামলার এজাহারে রয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি ককটেল উদ্ধারের কথা জানিয়েছে পুলিশ।

মিছিলের পর গুলশানের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং পুলিশের ভূমিকা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন ওঠে। এর পাঁচ দিনের মাথায় গুলশান থানার ওসি ও বিভাগের ডিসিকে প্রত্যাহার করা হলো। তবে ডিএমপির পক্ষ থেকে দুজনকে সরানোর কারণ হিসেবে প্রশাসনিক বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ওসির পর এবার সরানো হলো গুলশানের ডিসিকেও

সর্বশেষ আপডেট ০৮:৫০:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রত্যাহারের পর এবার ওই বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) এম তানভীর আহমেদকেও দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) তাঁকে দায়িত্ব পরবর্তী জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার কাছে বুঝিয়ে দিয়ে ডিএমপি সদর দপ্তরে রিপোর্ট করতে নির্দেশ দেওয়া হয়।

এর আগে গুলশান থানার ওসি মো. দাউদ হোসেনকেও প্রত্যাহার করা হয়। তাঁকে ডিএমপির সদর দপ্তর ও প্রশাসন বিভাগের কেন্দ্রীয় সংরক্ষণ দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে।

ডিএমপির উপকমিশনার (সদর দপ্তর ও প্রশাসন) শাহরিয়ার আলী জানান, প্রশাসনিক কারণে ডিসি ও ওসিকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। আপাতত তাঁদের স্থলে নতুন কাউকে দায়িত্ব দেওয়া হয়নি।

এর আগে ১১ সেপ্টেম্বর গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের একটি ঝটিকা মিছিলের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় গুলশান থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়। মামলায় ১১৮ জনের নাম উল্লেখের পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ৮০ থেকে ১০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ওই মামলায় ৮৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের মধ্যে ২৪ জনকে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। মিছিলের সময় ককটেল বিস্ফোরণ এবং পুলিশের দিকে ককটেল নিক্ষেপের অভিযোগও মামলার এজাহারে রয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি ককটেল উদ্ধারের কথা জানিয়েছে পুলিশ।

মিছিলের পর গুলশানের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং পুলিশের ভূমিকা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন ওঠে। এর পাঁচ দিনের মাথায় গুলশান থানার ওসি ও বিভাগের ডিসিকে প্রত্যাহার করা হলো। তবে ডিএমপির পক্ষ থেকে দুজনকে সরানোর কারণ হিসেবে প্রশাসনিক বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে।