ঢাকা ১০:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রায়পুরায় মেঘনা সেতু নির্মাণে নতুন অগ্রগতি

বশির আহম্মদ মোল্লা, নরসিংদী
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:৫১:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 138

রায়পুরায় মেঘনা সেতু নির্মাণে নতুন অগ্রগতি

নরসিংদীর রায়পুরার পান্থশালা-সায়দাবাদ এলাকায় মেঘনা নদীর ওপর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত সেতু নির্মাণে নতুন অগ্রগতি দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) ১৬ সেপ্টেম্বরের একটি চিঠিতে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় সেতু নির্মাণের জন্য নদী-খালের শ্রেণি নির্ধারণসংক্রান্ত প্রস্তাবের তালিকায় রায়পুরার মেঘনা শাখা নদী অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এতে সেতু প্রস্তাবের আবেদন নম্বর ২২৭০ উল্লেখ করা হয়েছে।

রায়পুরার পান্থশালা ও সায়দাবাদ ঘাটের মধ্যবর্তী মেঘনা নদীর ওপর সেতু নির্মাণ স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের দাবি। সেতুটি নির্মিত হলে রায়পুরার সঙ্গে নবীনগর, কুমিল্লা ও চট্টগ্রামের যোগাযোগ সহজ হওয়ার পাশাপাশি পণ্য পরিবহন ও ব্যবসা-বাণিজ্যে নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।

এর আগে ২০২৫ সালের জুনে চীনা একটি প্রকৌশল দল প্রস্তাবিত সেতু এলাকা পরিদর্শন করে। সে সময় সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই ও কারিগরি বিষয় নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন প্রতিবেদনে প্রস্তাবিত সেতুর সম্ভাব্য দৈর্ঘ্য ও ব্যয়ের প্রাথমিক তথ্যও প্রকাশিত হয়। তবে সেতুর চূড়ান্ত নকশা, ব্যয় ও নির্মাণের সময়সূচি সরকারি অনুমোদন ও প্রকল্প প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করবে।

নরসিংদী-৫ (রায়পুরা) আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল বলেন, পান্থশালা-সায়দাবাদ ঘাটের মেঘনা নদীর ওপর সেতু নির্মাণ এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা। যোগাযোগব্যবস্থা সহজ করা, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার এবং রায়পুরার অর্থনৈতিক সম্ভাবনা কাজে লাগাতে এ সেতুর প্রয়োজন রয়েছে।

তিনি বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট পর্যায়ে উদ্যোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সম্ভাব্যতা যাচাই, কারিগরি সমীক্ষা ও সরকারি অনুমোদনের ধাপ যথাযথভাবে সম্পন্ন করে প্রকল্পটি এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। সেতুটি নির্মিত হলে রায়পুরার সঙ্গে আশপাশের এলাকার যোগাযোগ আরও সহজ হবে এবং স্থানীয় মানুষের দুর্ভোগ কমবে।

এদিকে সেতু নির্মাণের প্রক্রিয়ায় নতুন অগ্রগতিকে স্বাগত জানিয়েছেন নরসিংদী জেলা ও রায়পুরা উপজেলা বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। তারা দ্রুত প্রকল্পটি বাস্তবায়নের প্রত্যাশা জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন নরসিংদী জেলা বিএনপির উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হযরত আলী ভূঁইয়া, জেলা বিএনপির সহসভাপতি ফাইজুর রহমান, জেলা বিএনপির শিশু বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রহমান খোকন, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জি এস হাবিবুর রহমান, জেলা বিএনপির সহ-কোষাধ্যক্ষ আব্দুল কুদ্দুস মিয়া, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হক ভূঁইয়া মোহন, রায়পুরা পৌর বিএনপির সভাপতি ইদ্রিছ আলী মুন্সি ও সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম পলাশ, জেলা বিএনপির সদস্য কাজী আসাদুর রহমান মিলন, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল বাতেন, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আলফাজ উদ্দিন মিঠু, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব নুর আহম্মদ চৌধুরী মানিক, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন, উপজেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক আমজাদ হোসেন ভূঁইয়া আলতাফ, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শাখায়াত হোসেন সরকার, জেলা বিএনপি নেতা শাজাহান সরকার সুহাগ, জেলা ওলামা দলের সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান মোল্লা, উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি আসাদ, জেলা কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ময়নুল ইসলাম সরকার, রায়পুরা পৌর যুবদলের আহ্বায়ক সাইফুল আহমেদ সোহেল ও সদস্য সচিব সুমন নেওয়াজ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক ইয়াকুব আলী, উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি আফরিন আসাদ, মরজাল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. কবির হোসেন, জেলা যুবদলের কৃষিবিষয়ক সম্পাদক শোহরাফ হোসেন মুন্না, জেলা যুবদলের সদস্য হাবিবুর রহমান শাহীন মাস্টার, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ন ভূঁইয়া ও আলকাছ মিয়া, রায়পুরা সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন আমু, উপজেলা তাঁতী দলের সভাপতি হুররজ মোল্লা ও সাধারণ সম্পাদক শেখ আলমগীর হোসেন, রায়পুরা পৌর তাঁতী দলের সভাপতি ডা. শহিদুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মো. বাদল মিয়া এবং রায়পুরা পৌরসভা মহিলা দলের সভাপতি আসমা আক্তারসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

রায়পুরায় মেঘনা সেতু নির্মাণে নতুন অগ্রগতি

সর্বশেষ আপডেট ০৫:৫১:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নরসিংদীর রায়পুরার পান্থশালা-সায়দাবাদ এলাকায় মেঘনা নদীর ওপর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত সেতু নির্মাণে নতুন অগ্রগতি দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) ১৬ সেপ্টেম্বরের একটি চিঠিতে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় সেতু নির্মাণের জন্য নদী-খালের শ্রেণি নির্ধারণসংক্রান্ত প্রস্তাবের তালিকায় রায়পুরার মেঘনা শাখা নদী অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এতে সেতু প্রস্তাবের আবেদন নম্বর ২২৭০ উল্লেখ করা হয়েছে।

রায়পুরার পান্থশালা ও সায়দাবাদ ঘাটের মধ্যবর্তী মেঘনা নদীর ওপর সেতু নির্মাণ স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের দাবি। সেতুটি নির্মিত হলে রায়পুরার সঙ্গে নবীনগর, কুমিল্লা ও চট্টগ্রামের যোগাযোগ সহজ হওয়ার পাশাপাশি পণ্য পরিবহন ও ব্যবসা-বাণিজ্যে নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।

এর আগে ২০২৫ সালের জুনে চীনা একটি প্রকৌশল দল প্রস্তাবিত সেতু এলাকা পরিদর্শন করে। সে সময় সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই ও কারিগরি বিষয় নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন প্রতিবেদনে প্রস্তাবিত সেতুর সম্ভাব্য দৈর্ঘ্য ও ব্যয়ের প্রাথমিক তথ্যও প্রকাশিত হয়। তবে সেতুর চূড়ান্ত নকশা, ব্যয় ও নির্মাণের সময়সূচি সরকারি অনুমোদন ও প্রকল্প প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করবে।

নরসিংদী-৫ (রায়পুরা) আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল বলেন, পান্থশালা-সায়দাবাদ ঘাটের মেঘনা নদীর ওপর সেতু নির্মাণ এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা। যোগাযোগব্যবস্থা সহজ করা, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার এবং রায়পুরার অর্থনৈতিক সম্ভাবনা কাজে লাগাতে এ সেতুর প্রয়োজন রয়েছে।

তিনি বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট পর্যায়ে উদ্যোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সম্ভাব্যতা যাচাই, কারিগরি সমীক্ষা ও সরকারি অনুমোদনের ধাপ যথাযথভাবে সম্পন্ন করে প্রকল্পটি এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। সেতুটি নির্মিত হলে রায়পুরার সঙ্গে আশপাশের এলাকার যোগাযোগ আরও সহজ হবে এবং স্থানীয় মানুষের দুর্ভোগ কমবে।

এদিকে সেতু নির্মাণের প্রক্রিয়ায় নতুন অগ্রগতিকে স্বাগত জানিয়েছেন নরসিংদী জেলা ও রায়পুরা উপজেলা বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। তারা দ্রুত প্রকল্পটি বাস্তবায়নের প্রত্যাশা জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন নরসিংদী জেলা বিএনপির উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হযরত আলী ভূঁইয়া, জেলা বিএনপির সহসভাপতি ফাইজুর রহমান, জেলা বিএনপির শিশু বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রহমান খোকন, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জি এস হাবিবুর রহমান, জেলা বিএনপির সহ-কোষাধ্যক্ষ আব্দুল কুদ্দুস মিয়া, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হক ভূঁইয়া মোহন, রায়পুরা পৌর বিএনপির সভাপতি ইদ্রিছ আলী মুন্সি ও সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম পলাশ, জেলা বিএনপির সদস্য কাজী আসাদুর রহমান মিলন, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল বাতেন, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আলফাজ উদ্দিন মিঠু, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব নুর আহম্মদ চৌধুরী মানিক, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন, উপজেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক আমজাদ হোসেন ভূঁইয়া আলতাফ, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শাখায়াত হোসেন সরকার, জেলা বিএনপি নেতা শাজাহান সরকার সুহাগ, জেলা ওলামা দলের সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান মোল্লা, উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি আসাদ, জেলা কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ময়নুল ইসলাম সরকার, রায়পুরা পৌর যুবদলের আহ্বায়ক সাইফুল আহমেদ সোহেল ও সদস্য সচিব সুমন নেওয়াজ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক ইয়াকুব আলী, উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি আফরিন আসাদ, মরজাল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. কবির হোসেন, জেলা যুবদলের কৃষিবিষয়ক সম্পাদক শোহরাফ হোসেন মুন্না, জেলা যুবদলের সদস্য হাবিবুর রহমান শাহীন মাস্টার, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ন ভূঁইয়া ও আলকাছ মিয়া, রায়পুরা সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন আমু, উপজেলা তাঁতী দলের সভাপতি হুররজ মোল্লা ও সাধারণ সম্পাদক শেখ আলমগীর হোসেন, রায়পুরা পৌর তাঁতী দলের সভাপতি ডা. শহিদুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মো. বাদল মিয়া এবং রায়পুরা পৌরসভা মহিলা দলের সভাপতি আসমা আক্তারসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।