ঢাকা ০৫:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জঙ্গলে সেনাবাহিনীর মহড়া পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:২৭:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
  • / 37

বরিশালের বাবুগঞ্জে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ মহড়া পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জঙ্গলে যুদ্ধপ্রস্তুতি, অ্যান্টি-ড্রোন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও সেনাসদস্যদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ঘুরে দেখার পাশাপাশি তাদের সঙ্গে মাঠে বসে খাবারও খান তিনি।

সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বাবুগঞ্জ উপজেলার পূর্ব রহমতপুর এলাকায় সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ মহড়াস্থলে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। পরে তিনি হেঁটে বিস্তীর্ণ জঙ্গলজুড়ে পরিচালিত বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ও যুদ্ধকালীন প্রস্তুতি পর্যবেক্ষণ করেন।

মহড়ার সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীকে কৌশলগত প্রস্তুতি, দুর্গম এলাকায় সেনাসদস্যদের চলাচল, অবস্থান গ্রহণ এবং বাস্তব যুদ্ধ পরিস্থিতি মোকাবিলার বিভিন্ন দিক সম্পর্কে অবহিত করেন।

এ সময় শত্রুপক্ষের ড্রোন শনাক্ত ও প্রতিরোধে ব্যবহৃত অ্যান্টি-ড্রোন মাল্টি-ব্যারেল সিস্টেমের কার্যক্রমও ঘুরে দেখেন প্রধানমন্ত্রী। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এর ব্যবহার ও কার্যপদ্ধতি সম্পর্কে তাকে ব্রিফ করেন।

পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী সেনাসদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন, তাদের খোঁজখবর নেন এবং দায়িত্ব পালনে উৎসাহ দেন। একপর্যায়ে তিনি জঙ্গলের ভেতরে সেনাসদস্যদের সঙ্গে মাটিতে বসে কিছু সময় কাটান এবং তাদের অভিজ্ঞতা শোনেন। পরে যুদ্ধক্ষেত্রের পরিবেশে তাৎক্ষণিকভাবে প্রস্তুত করা ভাত, ডাল, আলুভর্তা, চিংড়ি মাছ ও ডিমের তরকারিও গ্রহণ করেন।

পরে সেনাসদস্যদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পেশাদারিত্ব, সাহসিকতা ও দেশপ্রেমের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। জনগণের আস্থা ধরে রাখতে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রশিক্ষণ ও সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বলেন, সেনা পরিবারে বেড়ে ওঠায় সেনাসদস্যদের কাছে এলে তার শৈশবের স্মৃতি ফিরে আসে। ভবিষ্যতে বিশ্ব পরিসরেও বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আরও সুনাম অর্জন করবে বলে আশা প্রকাশ করে এর সক্ষমতা ও আধুনিকায়নে সরকারের সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ তারিক এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

জঙ্গলে সেনাবাহিনীর মহড়া পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

সর্বশেষ আপডেট ০৪:২৭:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

বরিশালের বাবুগঞ্জে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ মহড়া পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জঙ্গলে যুদ্ধপ্রস্তুতি, অ্যান্টি-ড্রোন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও সেনাসদস্যদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ঘুরে দেখার পাশাপাশি তাদের সঙ্গে মাঠে বসে খাবারও খান তিনি।

সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বাবুগঞ্জ উপজেলার পূর্ব রহমতপুর এলাকায় সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ মহড়াস্থলে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। পরে তিনি হেঁটে বিস্তীর্ণ জঙ্গলজুড়ে পরিচালিত বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ও যুদ্ধকালীন প্রস্তুতি পর্যবেক্ষণ করেন।

মহড়ার সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীকে কৌশলগত প্রস্তুতি, দুর্গম এলাকায় সেনাসদস্যদের চলাচল, অবস্থান গ্রহণ এবং বাস্তব যুদ্ধ পরিস্থিতি মোকাবিলার বিভিন্ন দিক সম্পর্কে অবহিত করেন।

এ সময় শত্রুপক্ষের ড্রোন শনাক্ত ও প্রতিরোধে ব্যবহৃত অ্যান্টি-ড্রোন মাল্টি-ব্যারেল সিস্টেমের কার্যক্রমও ঘুরে দেখেন প্রধানমন্ত্রী। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এর ব্যবহার ও কার্যপদ্ধতি সম্পর্কে তাকে ব্রিফ করেন।

পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী সেনাসদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন, তাদের খোঁজখবর নেন এবং দায়িত্ব পালনে উৎসাহ দেন। একপর্যায়ে তিনি জঙ্গলের ভেতরে সেনাসদস্যদের সঙ্গে মাটিতে বসে কিছু সময় কাটান এবং তাদের অভিজ্ঞতা শোনেন। পরে যুদ্ধক্ষেত্রের পরিবেশে তাৎক্ষণিকভাবে প্রস্তুত করা ভাত, ডাল, আলুভর্তা, চিংড়ি মাছ ও ডিমের তরকারিও গ্রহণ করেন।

পরে সেনাসদস্যদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পেশাদারিত্ব, সাহসিকতা ও দেশপ্রেমের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। জনগণের আস্থা ধরে রাখতে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রশিক্ষণ ও সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বলেন, সেনা পরিবারে বেড়ে ওঠায় সেনাসদস্যদের কাছে এলে তার শৈশবের স্মৃতি ফিরে আসে। ভবিষ্যতে বিশ্ব পরিসরেও বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আরও সুনাম অর্জন করবে বলে আশা প্রকাশ করে এর সক্ষমতা ও আধুনিকায়নে সরকারের সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ তারিক এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।