ঢাকা ০৩:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লতিফ সিদ্দিকীকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০১:২৬:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
  • / 27

ট্রাইব্যুনালের নির্দেশে কারাগারে লতিফ সিদ্দিকী

রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুর ১টার পর তাকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ হাজির করা হয়। বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, শাপলা চত্বরের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় লতিফ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে আগে থেকেই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি ছিল। সেই পরোয়ানার ভিত্তিতে বুধবার (২৯ জুলাই) সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানে নিজ বাসভবন থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

এর আগে, গত ২৭ জুলাই মামলায় প্রসিকিউশনের দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়ে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৩১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল-২। একইসঙ্গে ১০ জনকে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয় এবং পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ১৬ আগস্ট দিন ধার্য করা হয়।

বর্তমানে এ মামলায় গ্রেপ্তার রয়েছেন আটজন। তারা হলেন সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনি, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) একেএম শহীদুল হক, একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টা পরিষদের সভাপতি শাহরিয়ার কবির, সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডল, সাংবাদিক ফারজানা রুপা এবং মোজাম্মেল বাবু।

এ ছাড়া অন্য একটি মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে কারাগারে রয়েছেন হাসানুল হক ইনু। আবদুর রাজ্জাকও গ্রেপ্তার রয়েছেন। মামলার বাকি আসামিরা পলাতক।

মামলায় দুটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রথম অভিযোগে ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে আবু বকর সিদ্দিকসহ ৩২ জনকে হত্যার ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে। দ্বিতীয় অভিযোগে ৬ মে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ছাদেক মিয়াসহ ২০ জনকে হত্যা এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া রাশেদুল ইসলাম, আবু ইউসুফসহ বহু মানুষকে হত্যাচেষ্টা, গুলিবর্ষণ ও নির্যাতনের মাধ্যমে গুরুতর আহত করার অভিযোগও রয়েছে।

প্রসিকিউশনের দাবি, এসব ঘটনা গণহত্যা, হত্যা, হত্যাচেষ্টা, নির্যাতন, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় লক্ষ্যভিত্তিক নিপীড়নসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের আওতায় পড়ে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

লতিফ সিদ্দিকীকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে

সর্বশেষ আপডেট ০১:২৬:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুর ১টার পর তাকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ হাজির করা হয়। বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, শাপলা চত্বরের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় লতিফ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে আগে থেকেই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি ছিল। সেই পরোয়ানার ভিত্তিতে বুধবার (২৯ জুলাই) সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানে নিজ বাসভবন থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

এর আগে, গত ২৭ জুলাই মামলায় প্রসিকিউশনের দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়ে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৩১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল-২। একইসঙ্গে ১০ জনকে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয় এবং পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ১৬ আগস্ট দিন ধার্য করা হয়।

বর্তমানে এ মামলায় গ্রেপ্তার রয়েছেন আটজন। তারা হলেন সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনি, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) একেএম শহীদুল হক, একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টা পরিষদের সভাপতি শাহরিয়ার কবির, সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডল, সাংবাদিক ফারজানা রুপা এবং মোজাম্মেল বাবু।

এ ছাড়া অন্য একটি মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে কারাগারে রয়েছেন হাসানুল হক ইনু। আবদুর রাজ্জাকও গ্রেপ্তার রয়েছেন। মামলার বাকি আসামিরা পলাতক।

মামলায় দুটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রথম অভিযোগে ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে আবু বকর সিদ্দিকসহ ৩২ জনকে হত্যার ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে। দ্বিতীয় অভিযোগে ৬ মে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ছাদেক মিয়াসহ ২০ জনকে হত্যা এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া রাশেদুল ইসলাম, আবু ইউসুফসহ বহু মানুষকে হত্যাচেষ্টা, গুলিবর্ষণ ও নির্যাতনের মাধ্যমে গুরুতর আহত করার অভিযোগও রয়েছে।

প্রসিকিউশনের দাবি, এসব ঘটনা গণহত্যা, হত্যা, হত্যাচেষ্টা, নির্যাতন, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় লক্ষ্যভিত্তিক নিপীড়নসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের আওতায় পড়ে।