ঢাকা ০৩:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গ্যাসের নতুন মূল্য প্রস্তাব, সিএনজি হতে পারে ৬৫ টাকা

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০২:১০:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
  • / 85

গ্যাসের নতুন মূল্য প্রস্তাব, সিএনজি হতে পারে ৬৫ টাকা

দেশে গ্যাস খাতে বাড়তে থাকা ভর্তুকির চাপ কমাতে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও যানবাহনে ব্যবহৃত সংকুচিত প্রাকৃতিক গ্যাসের (সিএনজি) দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে পেট্রোবাংলা। সংস্থাটি বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহৃত গ্যাসের দাম প্রতি ঘনমিটার ১৬ টাকা থেকে ২৫ টাকা এবং সিএনজির দাম ৪৩ টাকা থেকে প্রায় ৬৫ টাকা করার প্রস্তাব জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগে পাঠিয়েছে। একই সঙ্গে গ্যাস বিতরণকারী কোম্পানিগুলোও বিতরণ মাশুল বাড়ানোর আবেদন করেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির ব্যয় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে যাওয়ায় এবং সরকারি ভর্তুকির চাপ বাড়তে থাকায় এই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, পেট্রোবাংলার প্রস্তাব বর্তমানে যাচাই-বাছাইয়ের পর্যায়ে রয়েছে। প্রাথমিক পর্যালোচনা শেষে এটি বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) কাছে পাঠানো হবে। এরপর কমিশন গণশুনানির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট পক্ষের মতামত ও আর্থিক বিশ্লেষণ পর্যালোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

বর্তমান আইন অনুযায়ী, দেশে গ্যাসের দাম নির্ধারণ ও পরিবর্তনের একমাত্র ক্ষমতা বিইআরসির হাতে। ফলে পেট্রোবাংলা বা বিতরণ কোম্পানির কোনো প্রস্তাব কমিশনের অনুমোদন ছাড়া কার্যকর হওয়ার সুযোগ নেই।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আপাতত কেবল বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সিএনজি খাতের গ্যাসের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। আবাসিক, বাণিজ্যিক কিংবা বিদ্যমান শিল্প গ্রাহকদের জন্য নতুন করে দাম বাড়ানোর কোনো প্রস্তাব এখনো দেওয়া হয়নি। এর আগে ২০২৫ সালের এপ্রিলে নতুন শিল্পে গ্যাসের দাম প্রতি ঘনমিটার ৩০ টাকা থেকে ৪০ টাকা এবং একই বছরের নভেম্বরে সার কারখানায় ব্যবহৃত গ্যাসের দাম ১৬ টাকা থেকে ২৯ দশমিক ২৫ টাকা করা হয়েছিল।

গ্যাসের দামের পাশাপাশি বিতরণ মাশুলও বাড়াতে আবেদন করেছে বিভিন্ন বিতরণ কোম্পানি। কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি বর্তমান ৩৭ পয়সার পরিবর্তে ১ টাকা ২১ পয়সা, পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানি ২৪ পয়সা থেকে ৪১ পয়সা, বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি ৩০ পয়সা থেকে ৯০ পয়সা, জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম ১৮ পয়সা থেকে ৬৩ পয়সা এবং সুন্দরবন গ্যাস কোম্পানি ২৪ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫ পয়সা করার আবেদন করেছে। তিতাস গ্যাস দুটি বিকল্প প্রস্তাব দিয়েছে, যেখানে অনুমোদিত সিস্টেম লসের হার অনুযায়ী প্রতি ঘনমিটারে ৩৫ পয়সা থেকে ১ টাকা ৪ পয়সা পর্যন্ত বিতরণ চার্জ নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে।

বিতরণ কোম্পানিগুলোর দাবি, বর্তমান মাশুলে পরিচালন ব্যয় মেটানো সম্ভব হচ্ছে না। অনেক প্রতিষ্ঠান অন্য উৎসের আয় দিয়ে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। মাশুল সমন্বয় না হলে ভবিষ্যতে আর্থিক সংকট আরও তীব্র হতে পারে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছে।

বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেছেন, কমিশনের কাছে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব আসেনি। প্রস্তাব পাওয়া গেলে আইন ও বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বিভিন্ন উৎস থেকে গ্যাসের গড় ক্রয়মূল্য ছিল প্রতি ঘনমিটার ৩১ দশমিক ৬৫ টাকা, অথচ গড় বিক্রয়মূল্য ছিল ২৩ দশমিক ৬৩ টাকা। এতে প্রতি ঘনমিটারে প্রায় ৮ টাকা লোকসান হয়েছে।

সংস্থাটির হিসাবে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত ও হরমুজ প্রণালি ঘিরে অস্থিরতার কারণে চলতি বছরের এপ্রিল থেকে জুন সময়ে এলএনজির দাম আরও বেড়ে যায়। ওই সময়ে প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের গড় ক্রয়মূল্য ৪৫ দশমিক ৭৯ টাকায় পৌঁছায়। আগের দামে গ্যাস সরবরাহ অব্যাহত রাখায় প্রতি ঘনমিটারে লোকসান বেড়ে দাঁড়ায় ২১ দশমিক ৮২ টাকা। ফলে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে পেট্রোবাংলার মোট আর্থিক ঘাটতি প্রায় ১৬ হাজার ৫০০ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। এর বিপরীতে সরকার ভর্তুকি দিয়েছে প্রায় ১৪ হাজার ৬০০ কোটি টাকা।

বর্তমানে দেশীয় ও আমদানিকৃত—উভয় উৎস থেকেই গ্যাস সংগ্রহ করছে পেট্রোবাংলা। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে দেশীয় গ্যাস তুলনামূলক কম দামে পাওয়া গেলেও কাতার ও ওমান থেকে আমদানি করা এলএনজির দাম কয়েক গুণ বেশি। ফলে আমদানিনির্ভরতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গ্যাসের সামগ্রিক ব্যয়ও বাড়ছে।

একসময় দেশীয় গ্যাসক্ষেত্র থেকে দৈনিক প্রায় ২৮০ কোটি ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন হলেও বর্তমানে তা কমে প্রায় ১৬৫ কোটি ঘনফুটে নেমে এসেছে। গত অর্থবছরে মোট সরবরাহের প্রায় ৩০ শতাংশ এসেছে আমদানিকৃত এলএনজি থেকে। তবে পেট্রোবাংলার পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের মোট গ্যাসের প্রায় ৭০ শতাংশই আমদানির ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়তে পারে।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান ও উৎপাদনে পর্যাপ্ত বিনিয়োগ না বাড়ালে ভবিষ্যতে আমদানিনির্ভরতা আরও বাড়বে। এতে গ্যাসের দাম বৃদ্ধি, ভর্তুকির চাপ এবং শিল্প ও বিদ্যুৎ খাতের ব্যয় আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই দীর্ঘমেয়াদে সংকট মোকাবিলায় নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধান ও দেশীয় উৎপাদন বাড়ানোর ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

গ্যাসের নতুন মূল্য প্রস্তাব, সিএনজি হতে পারে ৬৫ টাকা

সর্বশেষ আপডেট ০২:১০:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

দেশে গ্যাস খাতে বাড়তে থাকা ভর্তুকির চাপ কমাতে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও যানবাহনে ব্যবহৃত সংকুচিত প্রাকৃতিক গ্যাসের (সিএনজি) দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে পেট্রোবাংলা। সংস্থাটি বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহৃত গ্যাসের দাম প্রতি ঘনমিটার ১৬ টাকা থেকে ২৫ টাকা এবং সিএনজির দাম ৪৩ টাকা থেকে প্রায় ৬৫ টাকা করার প্রস্তাব জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগে পাঠিয়েছে। একই সঙ্গে গ্যাস বিতরণকারী কোম্পানিগুলোও বিতরণ মাশুল বাড়ানোর আবেদন করেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির ব্যয় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে যাওয়ায় এবং সরকারি ভর্তুকির চাপ বাড়তে থাকায় এই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, পেট্রোবাংলার প্রস্তাব বর্তমানে যাচাই-বাছাইয়ের পর্যায়ে রয়েছে। প্রাথমিক পর্যালোচনা শেষে এটি বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) কাছে পাঠানো হবে। এরপর কমিশন গণশুনানির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট পক্ষের মতামত ও আর্থিক বিশ্লেষণ পর্যালোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

বর্তমান আইন অনুযায়ী, দেশে গ্যাসের দাম নির্ধারণ ও পরিবর্তনের একমাত্র ক্ষমতা বিইআরসির হাতে। ফলে পেট্রোবাংলা বা বিতরণ কোম্পানির কোনো প্রস্তাব কমিশনের অনুমোদন ছাড়া কার্যকর হওয়ার সুযোগ নেই।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আপাতত কেবল বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সিএনজি খাতের গ্যাসের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। আবাসিক, বাণিজ্যিক কিংবা বিদ্যমান শিল্প গ্রাহকদের জন্য নতুন করে দাম বাড়ানোর কোনো প্রস্তাব এখনো দেওয়া হয়নি। এর আগে ২০২৫ সালের এপ্রিলে নতুন শিল্পে গ্যাসের দাম প্রতি ঘনমিটার ৩০ টাকা থেকে ৪০ টাকা এবং একই বছরের নভেম্বরে সার কারখানায় ব্যবহৃত গ্যাসের দাম ১৬ টাকা থেকে ২৯ দশমিক ২৫ টাকা করা হয়েছিল।

গ্যাসের দামের পাশাপাশি বিতরণ মাশুলও বাড়াতে আবেদন করেছে বিভিন্ন বিতরণ কোম্পানি। কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি বর্তমান ৩৭ পয়সার পরিবর্তে ১ টাকা ২১ পয়সা, পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানি ২৪ পয়সা থেকে ৪১ পয়সা, বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি ৩০ পয়সা থেকে ৯০ পয়সা, জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম ১৮ পয়সা থেকে ৬৩ পয়সা এবং সুন্দরবন গ্যাস কোম্পানি ২৪ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫ পয়সা করার আবেদন করেছে। তিতাস গ্যাস দুটি বিকল্প প্রস্তাব দিয়েছে, যেখানে অনুমোদিত সিস্টেম লসের হার অনুযায়ী প্রতি ঘনমিটারে ৩৫ পয়সা থেকে ১ টাকা ৪ পয়সা পর্যন্ত বিতরণ চার্জ নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে।

বিতরণ কোম্পানিগুলোর দাবি, বর্তমান মাশুলে পরিচালন ব্যয় মেটানো সম্ভব হচ্ছে না। অনেক প্রতিষ্ঠান অন্য উৎসের আয় দিয়ে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। মাশুল সমন্বয় না হলে ভবিষ্যতে আর্থিক সংকট আরও তীব্র হতে পারে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছে।

বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেছেন, কমিশনের কাছে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব আসেনি। প্রস্তাব পাওয়া গেলে আইন ও বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বিভিন্ন উৎস থেকে গ্যাসের গড় ক্রয়মূল্য ছিল প্রতি ঘনমিটার ৩১ দশমিক ৬৫ টাকা, অথচ গড় বিক্রয়মূল্য ছিল ২৩ দশমিক ৬৩ টাকা। এতে প্রতি ঘনমিটারে প্রায় ৮ টাকা লোকসান হয়েছে।

সংস্থাটির হিসাবে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত ও হরমুজ প্রণালি ঘিরে অস্থিরতার কারণে চলতি বছরের এপ্রিল থেকে জুন সময়ে এলএনজির দাম আরও বেড়ে যায়। ওই সময়ে প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের গড় ক্রয়মূল্য ৪৫ দশমিক ৭৯ টাকায় পৌঁছায়। আগের দামে গ্যাস সরবরাহ অব্যাহত রাখায় প্রতি ঘনমিটারে লোকসান বেড়ে দাঁড়ায় ২১ দশমিক ৮২ টাকা। ফলে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে পেট্রোবাংলার মোট আর্থিক ঘাটতি প্রায় ১৬ হাজার ৫০০ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। এর বিপরীতে সরকার ভর্তুকি দিয়েছে প্রায় ১৪ হাজার ৬০০ কোটি টাকা।

বর্তমানে দেশীয় ও আমদানিকৃত—উভয় উৎস থেকেই গ্যাস সংগ্রহ করছে পেট্রোবাংলা। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে দেশীয় গ্যাস তুলনামূলক কম দামে পাওয়া গেলেও কাতার ও ওমান থেকে আমদানি করা এলএনজির দাম কয়েক গুণ বেশি। ফলে আমদানিনির্ভরতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গ্যাসের সামগ্রিক ব্যয়ও বাড়ছে।

একসময় দেশীয় গ্যাসক্ষেত্র থেকে দৈনিক প্রায় ২৮০ কোটি ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন হলেও বর্তমানে তা কমে প্রায় ১৬৫ কোটি ঘনফুটে নেমে এসেছে। গত অর্থবছরে মোট সরবরাহের প্রায় ৩০ শতাংশ এসেছে আমদানিকৃত এলএনজি থেকে। তবে পেট্রোবাংলার পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের মোট গ্যাসের প্রায় ৭০ শতাংশই আমদানির ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়তে পারে।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান ও উৎপাদনে পর্যাপ্ত বিনিয়োগ না বাড়ালে ভবিষ্যতে আমদানিনির্ভরতা আরও বাড়বে। এতে গ্যাসের দাম বৃদ্ধি, ভর্তুকির চাপ এবং শিল্প ও বিদ্যুৎ খাতের ব্যয় আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই দীর্ঘমেয়াদে সংকট মোকাবিলায় নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধান ও দেশীয় উৎপাদন বাড়ানোর ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।