ঢাকা ০৫:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরকারি স্কুলে লটারির বদলে ভর্তি পরীক্ষার পরিকল্পনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:১৫:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
  • / 202

সরকারি বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির বর্তমান লটারি পদ্ধতির পরিবর্তে ভর্তি পরীক্ষা চালুর বিষয়টি সরকার গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন।

তার মতে, অভিভাবকদের একাংশের মধ্যে লটারির স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন থাকায় বিকল্প পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

সোমবার সকালে রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে আয়োজিত সংলাপে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন। ‘নির্বাচনী ইশতেহারের আলোকে আগামী দিনের শিক্ষা খাত: নতুন চিন্তা, নতুন কাঠামো ও নতুন পদক্ষেপ’ শীর্ষক এই আলোচনা আয়োজন করে এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম, বাংলাদেশ।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, লটারির মাধ্যমে ভর্তিপ্রক্রিয়াকে সহজ ও দুর্নীতিমুক্ত করার লক্ষ্য থাকলেও বাস্তবে অনেক অভিভাবকের মধ্যে আস্থার ঘাটতি তৈরি হয়েছে। তাদের ধারণা, পুরো প্রক্রিয়াটি অনেকটাই অস্বচ্ছ—কোন শিক্ষার্থী কীভাবে নির্বাচিত হচ্ছে, সে বিষয়ে পরিষ্কার ধারণা অনেকেরই নেই।

তিনি জানান, ভর্তি পরীক্ষা চালু করা হলে শিক্ষার্থী বাছাইয়ে প্রতিযোগিতা বাড়তে পারে এবং মেধা যাচাইয়ের একটি স্পষ্ট কাঠামো তৈরি হওয়ার সুযোগ থাকবে।

তবে বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছায়নি। সংশ্লিষ্ট মহলের মতামত ও শিক্ষাব্যবস্থার ওপর সম্ভাব্য প্রভাব বিবেচনা করেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

মাহদী আমিন আরও বলেন, শিক্ষাখাতে বৈষম্য কমানো এবং মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ বাড়ানো সরকারের বড় লক্ষ্যগুলোর একটি।

বর্তমানে বাংলা মাধ্যম, ইংরেজি মাধ্যম ও মাদ্রাসা—এই তিন ধারার শিক্ষাব্যবস্থার পাশাপাশি ভালো সরকারি স্কুলে সীমিত আসনের কারণে ভর্তিকে ঘিরে তীব্র প্রতিযোগিতা তৈরি হচ্ছে।

তিনি ইঙ্গিত দেন, ভর্তি নীতিমালার সম্ভাব্য পরিবর্তন বৃহত্তর শিক্ষা সংস্কারের অংশ হিসেবেই ভাবা হচ্ছে। একই সঙ্গে পাঠ্যক্রম সংস্কার, কারিগরি শিক্ষায় গুরুত্ব বাড়ানো, শিক্ষায় বৈষম্য কমানো এবং প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতা উন্নয়নের বিষয়েও সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

সরকারি স্কুলে লটারির বদলে ভর্তি পরীক্ষার পরিকল্পনা

সর্বশেষ আপডেট ০৪:১৫:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

সরকারি বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির বর্তমান লটারি পদ্ধতির পরিবর্তে ভর্তি পরীক্ষা চালুর বিষয়টি সরকার গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন।

তার মতে, অভিভাবকদের একাংশের মধ্যে লটারির স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন থাকায় বিকল্প পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

সোমবার সকালে রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে আয়োজিত সংলাপে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন। ‘নির্বাচনী ইশতেহারের আলোকে আগামী দিনের শিক্ষা খাত: নতুন চিন্তা, নতুন কাঠামো ও নতুন পদক্ষেপ’ শীর্ষক এই আলোচনা আয়োজন করে এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম, বাংলাদেশ।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, লটারির মাধ্যমে ভর্তিপ্রক্রিয়াকে সহজ ও দুর্নীতিমুক্ত করার লক্ষ্য থাকলেও বাস্তবে অনেক অভিভাবকের মধ্যে আস্থার ঘাটতি তৈরি হয়েছে। তাদের ধারণা, পুরো প্রক্রিয়াটি অনেকটাই অস্বচ্ছ—কোন শিক্ষার্থী কীভাবে নির্বাচিত হচ্ছে, সে বিষয়ে পরিষ্কার ধারণা অনেকেরই নেই।

তিনি জানান, ভর্তি পরীক্ষা চালু করা হলে শিক্ষার্থী বাছাইয়ে প্রতিযোগিতা বাড়তে পারে এবং মেধা যাচাইয়ের একটি স্পষ্ট কাঠামো তৈরি হওয়ার সুযোগ থাকবে।

তবে বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছায়নি। সংশ্লিষ্ট মহলের মতামত ও শিক্ষাব্যবস্থার ওপর সম্ভাব্য প্রভাব বিবেচনা করেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

মাহদী আমিন আরও বলেন, শিক্ষাখাতে বৈষম্য কমানো এবং মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ বাড়ানো সরকারের বড় লক্ষ্যগুলোর একটি।

বর্তমানে বাংলা মাধ্যম, ইংরেজি মাধ্যম ও মাদ্রাসা—এই তিন ধারার শিক্ষাব্যবস্থার পাশাপাশি ভালো সরকারি স্কুলে সীমিত আসনের কারণে ভর্তিকে ঘিরে তীব্র প্রতিযোগিতা তৈরি হচ্ছে।

তিনি ইঙ্গিত দেন, ভর্তি নীতিমালার সম্ভাব্য পরিবর্তন বৃহত্তর শিক্ষা সংস্কারের অংশ হিসেবেই ভাবা হচ্ছে। একই সঙ্গে পাঠ্যক্রম সংস্কার, কারিগরি শিক্ষায় গুরুত্ব বাড়ানো, শিক্ষায় বৈষম্য কমানো এবং প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতা উন্নয়নের বিষয়েও সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।