ঢাকা ১০:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
দুই ক্লিনিক সাময়িক বন্ধ

ভেদরগঞ্জ হাসপাতালে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক অভিযান

নিজস্ব প্রতিবেদক, শরীয়তপুর
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:০৯:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬
  • / 57

ভেদরগঞ্জ হাসপাতালে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক অভিযান

শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল। শনিবার (১ আগস্ট) দুপুরে পূর্বঘোষণা ছাড়াই হাসপাতালে গিয়ে তিনি চিকিৎসাসেবা, চিকিৎসকদের উপস্থিতি এবং সার্বিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন।

পরিদর্শনের সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড, জরুরি বিভাগ, বহির্বিভাগ ও ওষুধ সরবরাহ কার্যক্রম ঘুরে দেখেন। পাশাপাশি রোগী ও তাদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসাসেবার মান সম্পর্কে খোঁজ নেন এবং চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের দায়িত্ব পালনের বিষয়টি পর্যালোচনা করেন।

এ সময় চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের অবহেলা বা অনিয়ম বরদাশত করা হবে না। অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রয়োজন হলে চাকরিচ্যুতি (টার্মিনেশন) বা সাময়িক বরখাস্তসহ (সাসপেনশন) কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জনসেবার মানোন্নয়নে সবাইকে দায়িত্বশীলতা, জবাবদিহিতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার নির্দেশ দেন তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “এই সরকার ব্যর্থ হলে দেশের মানুষই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। জুলাই অভ্যুত্থানের পর জনগণের যে প্রত্যাশা সৃষ্টি হয়েছে, তা পূরণে সবাইকে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। অনিয়মের বিরুদ্ধে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।”

পরিদর্শন শেষে হাসপাতালের সামনে অবস্থিত দুটি বেসরকারি ক্লিনিকে অভিযান চালানো হয়। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় ক্লিনিক দুটি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়।

এ ছাড়া সরকারি দায়িত্ব পালনের সময় বেসরকারি ক্লিনিকে রোগী দেখার অভিযোগে দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

দুই ক্লিনিক সাময়িক বন্ধ

ভেদরগঞ্জ হাসপাতালে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক অভিযান

সর্বশেষ আপডেট ০৫:০৯:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬

শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল। শনিবার (১ আগস্ট) দুপুরে পূর্বঘোষণা ছাড়াই হাসপাতালে গিয়ে তিনি চিকিৎসাসেবা, চিকিৎসকদের উপস্থিতি এবং সার্বিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন।

পরিদর্শনের সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড, জরুরি বিভাগ, বহির্বিভাগ ও ওষুধ সরবরাহ কার্যক্রম ঘুরে দেখেন। পাশাপাশি রোগী ও তাদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসাসেবার মান সম্পর্কে খোঁজ নেন এবং চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের দায়িত্ব পালনের বিষয়টি পর্যালোচনা করেন।

এ সময় চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের অবহেলা বা অনিয়ম বরদাশত করা হবে না। অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রয়োজন হলে চাকরিচ্যুতি (টার্মিনেশন) বা সাময়িক বরখাস্তসহ (সাসপেনশন) কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জনসেবার মানোন্নয়নে সবাইকে দায়িত্বশীলতা, জবাবদিহিতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার নির্দেশ দেন তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “এই সরকার ব্যর্থ হলে দেশের মানুষই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। জুলাই অভ্যুত্থানের পর জনগণের যে প্রত্যাশা সৃষ্টি হয়েছে, তা পূরণে সবাইকে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। অনিয়মের বিরুদ্ধে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।”

পরিদর্শন শেষে হাসপাতালের সামনে অবস্থিত দুটি বেসরকারি ক্লিনিকে অভিযান চালানো হয়। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় ক্লিনিক দুটি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়।

এ ছাড়া সরকারি দায়িত্ব পালনের সময় বেসরকারি ক্লিনিকে রোগী দেখার অভিযোগে দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।