ঢাকা ০২:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বর্ষায় ডিমের বাজারে উত্তাপ

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:৫১:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
  • / 53

রাজধানীর বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে ডজনপ্রতি ১০ থেকে ১৫ টাকা বেড়েছে ডিমের দাম। ফার্মের ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকা ডজন দরে। তবে ব্রয়লার মুরগি ও মাংসের দাম অনেকটা স্থিতিশীল থাকলেও মাছের বাজারে এখনো স্বস্তি নেই ক্রেতাদের।

শুক্রবার (১০ জুলাই) রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, ডিমের পাশাপাশি মাছ ও কিছু সবজির দামও চড়া রয়েছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরবরাহ ও বাজার পরিস্থিতির কারণে ডিমের দাম বেড়েছে।

ডিম ব্যবসায়ী রোমান জানান, গত সপ্তাহের তুলনায় ডজনে ১০ থেকে ১৫ টাকা বেড়েছে ডিমের দাম। বর্তমানে সাদা ব্রয়লার মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা ডজন এবং বাদামি রঙের ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকায়। এক সপ্তাহ আগে এসব ডিমের দাম ছিল ১১০ থেকে ১১৫ টাকার মধ্যে।

এদিকে মাংসের বাজারে বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা যায়নি। প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা এবং খাসির মাংসের দাম ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা। ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা এবং সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে প্রায় ৩৩০ টাকা কেজি দরে।

তবে মাছের বাজারে বাড়তি দামের চাপ রয়েছে। বাজারে চিংড়ি বিক্রি হচ্ছে ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি, পাবদা ৩০০ থেকে ৪০০, বড় রুই ৪০০ থেকে ৪৫০ এবং ট্যাংরা ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা দরে। ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, তেলাপিয়া ২২০ থেকে ২৩০ টাকা এবং পাঙাশ ২০০ থেকে ২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

ইলিশের দাম এখনো সাধারণ ক্রেতার নাগালের বাইরে। ৮০০ থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ২০০ টাকা কেজি দরে। এক কেজি ওজনের ইলিশ কিনতে গুনতে হচ্ছে ২ হাজার ৩০০ থেকে ২ হাজার ৪০০ টাকা।

রায়ের বাজারের মাছ ব্যবসায়ী মনতাজ উদ্দিন বলেন, কয়েক মাস ধরে মাছের দাম প্রায় একই রয়েছে। তবে বড় আকারের রুই, চিংড়ি, রূপচাঁদা ও শোলের দাম তুলনামূলক বেশি। তার মতে, ইলিশের দাম গত কয়েক বছরে অস্বাভাবিক বেড়েছে।

ধানমন্ডির বাসিন্দা আনিসুর রহমান বলেন, বাজারে প্রায় সব ধরনের মাছের দামই বেশি। বৃষ্টির কারণে দাম বাড়ছে কি না, তা নিশ্চিত নন তিনি।

বর্ষার কারণে শাকসবজির সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে। লাল শাক বিক্রি হচ্ছে ১০ টাকা আঁটি, পুঁইশাক ১৫ টাকা। আলুর দাম কেজিতে ৫ টাকা বেড়ে হয়েছে ২৫ টাকা। এছাড়া লাউ ৫০ টাকা, বেগুন ৬০ থেকে ৮০ টাকা, পটোল ৫০ থেকে ৬০ টাকা এবং করলা ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১৬০ টাকা কেজি, ঝিঙা ৬০ থেকে ৭০, কাঁকরোল ৭০ থেকে ৮০, ঢ্যাঁড়শ ও চিচিঙ্গা ৫০ থেকে ৬০ এবং বরবটি ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বর্ষায় ডিমের বাজারে উত্তাপ

সর্বশেষ আপডেট ০৫:৫১:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

রাজধানীর বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে ডজনপ্রতি ১০ থেকে ১৫ টাকা বেড়েছে ডিমের দাম। ফার্মের ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকা ডজন দরে। তবে ব্রয়লার মুরগি ও মাংসের দাম অনেকটা স্থিতিশীল থাকলেও মাছের বাজারে এখনো স্বস্তি নেই ক্রেতাদের।

শুক্রবার (১০ জুলাই) রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, ডিমের পাশাপাশি মাছ ও কিছু সবজির দামও চড়া রয়েছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরবরাহ ও বাজার পরিস্থিতির কারণে ডিমের দাম বেড়েছে।

ডিম ব্যবসায়ী রোমান জানান, গত সপ্তাহের তুলনায় ডজনে ১০ থেকে ১৫ টাকা বেড়েছে ডিমের দাম। বর্তমানে সাদা ব্রয়লার মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা ডজন এবং বাদামি রঙের ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকায়। এক সপ্তাহ আগে এসব ডিমের দাম ছিল ১১০ থেকে ১১৫ টাকার মধ্যে।

এদিকে মাংসের বাজারে বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা যায়নি। প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা এবং খাসির মাংসের দাম ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা। ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা এবং সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে প্রায় ৩৩০ টাকা কেজি দরে।

তবে মাছের বাজারে বাড়তি দামের চাপ রয়েছে। বাজারে চিংড়ি বিক্রি হচ্ছে ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি, পাবদা ৩০০ থেকে ৪০০, বড় রুই ৪০০ থেকে ৪৫০ এবং ট্যাংরা ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা দরে। ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, তেলাপিয়া ২২০ থেকে ২৩০ টাকা এবং পাঙাশ ২০০ থেকে ২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

ইলিশের দাম এখনো সাধারণ ক্রেতার নাগালের বাইরে। ৮০০ থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ২০০ টাকা কেজি দরে। এক কেজি ওজনের ইলিশ কিনতে গুনতে হচ্ছে ২ হাজার ৩০০ থেকে ২ হাজার ৪০০ টাকা।

রায়ের বাজারের মাছ ব্যবসায়ী মনতাজ উদ্দিন বলেন, কয়েক মাস ধরে মাছের দাম প্রায় একই রয়েছে। তবে বড় আকারের রুই, চিংড়ি, রূপচাঁদা ও শোলের দাম তুলনামূলক বেশি। তার মতে, ইলিশের দাম গত কয়েক বছরে অস্বাভাবিক বেড়েছে।

ধানমন্ডির বাসিন্দা আনিসুর রহমান বলেন, বাজারে প্রায় সব ধরনের মাছের দামই বেশি। বৃষ্টির কারণে দাম বাড়ছে কি না, তা নিশ্চিত নন তিনি।

বর্ষার কারণে শাকসবজির সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে। লাল শাক বিক্রি হচ্ছে ১০ টাকা আঁটি, পুঁইশাক ১৫ টাকা। আলুর দাম কেজিতে ৫ টাকা বেড়ে হয়েছে ২৫ টাকা। এছাড়া লাউ ৫০ টাকা, বেগুন ৬০ থেকে ৮০ টাকা, পটোল ৫০ থেকে ৬০ টাকা এবং করলা ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১৬০ টাকা কেজি, ঝিঙা ৬০ থেকে ৭০, কাঁকরোল ৭০ থেকে ৮০, ঢ্যাঁড়শ ও চিচিঙ্গা ৫০ থেকে ৬০ এবং বরবটি ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে।