ঢাকা ০৮:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এমপি হানজালাকে ওষুধ দিয়ে থামাতে চায় রাশেদ খান!

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:৩০:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
  • / 61

বিএনপি নেতা রাশেদ খান এক ফেসবুক পোস্টে সরাসরি কঠোর ভাষা ব্যবহার করে বলেন, এমপি সাইদ উদ্দিন আহমদ হানজালা ও তার মতো রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা যদি “হায়েনার মতো আচরণ” করতে চান, তবে তাদের থামানোর “ওষুধ” তাদের জানা আছে—এমন মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে।

সোমবার (২২ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া পোস্টে রাশেদ খান দাবি করেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কিছু ব্যক্তি নিজেদের অবস্থান বদলে এখন বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে কঠোর ভাষায় কথা বলছেন। তার অভিযোগ, অতীতে যাদের ভূমিকা ভিন্ন ছিল, তারাই এখন সবচেয়ে বেশি সক্রিয়।

তিনি অতীত রাজনৈতিক প্রসঙ্গ টেনে বলেন, এক সময় অনেকে ক্ষমতাসীন মহলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেছিল, আর বিএনপি নেতাকর্মীরা মামলা ও চাপের মধ্যেও রাজনৈতিক অবস্থান ধরে রেখেছিল।

পোস্টে তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক বক্তব্যে অতিরঞ্জন বা ভয় দেখানোর ভাষা দীর্ঘস্থায়ী হয় না। বাস্তব রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সময়ই শেষ পর্যন্ত কার অবস্থান কী—তা স্পষ্ট করে দেয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এমপি হানজালাকে ওষুধ দিয়ে থামাতে চায় রাশেদ খান!

সর্বশেষ আপডেট ০৪:৩০:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

বিএনপি নেতা রাশেদ খান এক ফেসবুক পোস্টে সরাসরি কঠোর ভাষা ব্যবহার করে বলেন, এমপি সাইদ উদ্দিন আহমদ হানজালা ও তার মতো রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা যদি “হায়েনার মতো আচরণ” করতে চান, তবে তাদের থামানোর “ওষুধ” তাদের জানা আছে—এমন মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে।

সোমবার (২২ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া পোস্টে রাশেদ খান দাবি করেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কিছু ব্যক্তি নিজেদের অবস্থান বদলে এখন বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে কঠোর ভাষায় কথা বলছেন। তার অভিযোগ, অতীতে যাদের ভূমিকা ভিন্ন ছিল, তারাই এখন সবচেয়ে বেশি সক্রিয়।

তিনি অতীত রাজনৈতিক প্রসঙ্গ টেনে বলেন, এক সময় অনেকে ক্ষমতাসীন মহলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেছিল, আর বিএনপি নেতাকর্মীরা মামলা ও চাপের মধ্যেও রাজনৈতিক অবস্থান ধরে রেখেছিল।

পোস্টে তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক বক্তব্যে অতিরঞ্জন বা ভয় দেখানোর ভাষা দীর্ঘস্থায়ী হয় না। বাস্তব রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সময়ই শেষ পর্যন্ত কার অবস্থান কী—তা স্পষ্ট করে দেয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।