ঢাকা ০১:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যে কারণে রাশেদ খাঁনকে ডোনাল্ড ট্রাম্পের পাশে রাখতে চায় এমপি হানজালা!

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:৫৮:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
  • / 115

মাদারীপুর–১ আসনের সংসদ সদস্য পীরজাদা সাইদ উদ্দিন আহমদ হানজালাকে ঘিরে একটি ভাইরাল ভিডিও নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়িয়েছে।

সালিশ বৈঠকে এক বিএনপি কর্মীর সঙ্গে তার আচরণ নিয়ে ছড়িয়ে পড়া সেই দৃশ্য এখন আর কেবল ভিডিওর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই; বরং ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে তা ব্যক্তিগত পর্যায়ের তীব্র বাকযুদ্ধে রূপ নিয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত হয় সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া প্রায় এক মিনিটের একটি ভিডিও থেকে। সেখানে দেখা যায়, সালিশ চলাকালে এমপি হানজালা উত্তেজিত হয়ে টেবিল চাপড়ে বলেন, “ওই মিয়া চুপ করেন, একেবারে খেয়ে ফেলবো। চুপ করেন। আমি আসছি বিচার করার জন্য।” ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই তার আচরণ নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়।

এর ধারাবাহিকতায় গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে কড়া ভাষায় প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি লেখেন, এমপি হানজালাকে চিড়িয়াখানায় রাখা উচিত, যাতে মানুষ টিকিট কেটে তাকে দেখতে পারে—এ ধরনের মন্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্কের জন্ম দেয়। তার ভাষায়, এমপির আচরণ ‘ম্যানারলেস’ বলে মনে হয়েছে।

এই মন্তব্যের জবাব দিতেও বেশি সময় নেননি এমপি হানজালা। রোববার (২১ জুন) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড পেজে তিনি পাল্টা পোস্ট দেন। সেখানে রাশেদ খানকে উদ্দেশ করে লেখেন, তিনি চিড়িয়াখানায় যেতে প্রস্তুত, তবে থাকবেন বাঘের পাশে—বাঘ অন্তত নিজের পরিচয়ে বিভ্রান্ত নয়।

এখানেই শেষ নয়। তিনি আরও লেখেন, রাশেদ খানকে রাখা যেতে পারে ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ নামের একটি গরু (মহিষ)–এর পাশে, যাতে দু’জনের মধ্যে কেমন আলাপ হয় তা দেখা যায়। একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত করেন, ওই প্রাণীটি যেন ভবিষ্যতে নাম পরিবর্তনের আবেদন না করে—এমন কথাও পোস্টে যুক্ত করেন।

ভিডিও ও পাল্টা বক্তব্য—দুটোই এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। রাজনৈতিক অঙ্গনের দুই পক্ষের এই বাকযুদ্ধ পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

যে কারণে রাশেদ খাঁনকে ডোনাল্ড ট্রাম্পের পাশে রাখতে চায় এমপি হানজালা!

সর্বশেষ আপডেট ০৭:৫৮:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

মাদারীপুর–১ আসনের সংসদ সদস্য পীরজাদা সাইদ উদ্দিন আহমদ হানজালাকে ঘিরে একটি ভাইরাল ভিডিও নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়িয়েছে।

সালিশ বৈঠকে এক বিএনপি কর্মীর সঙ্গে তার আচরণ নিয়ে ছড়িয়ে পড়া সেই দৃশ্য এখন আর কেবল ভিডিওর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই; বরং ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে তা ব্যক্তিগত পর্যায়ের তীব্র বাকযুদ্ধে রূপ নিয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত হয় সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া প্রায় এক মিনিটের একটি ভিডিও থেকে। সেখানে দেখা যায়, সালিশ চলাকালে এমপি হানজালা উত্তেজিত হয়ে টেবিল চাপড়ে বলেন, “ওই মিয়া চুপ করেন, একেবারে খেয়ে ফেলবো। চুপ করেন। আমি আসছি বিচার করার জন্য।” ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই তার আচরণ নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়।

এর ধারাবাহিকতায় গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে কড়া ভাষায় প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি লেখেন, এমপি হানজালাকে চিড়িয়াখানায় রাখা উচিত, যাতে মানুষ টিকিট কেটে তাকে দেখতে পারে—এ ধরনের মন্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্কের জন্ম দেয়। তার ভাষায়, এমপির আচরণ ‘ম্যানারলেস’ বলে মনে হয়েছে।

এই মন্তব্যের জবাব দিতেও বেশি সময় নেননি এমপি হানজালা। রোববার (২১ জুন) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড পেজে তিনি পাল্টা পোস্ট দেন। সেখানে রাশেদ খানকে উদ্দেশ করে লেখেন, তিনি চিড়িয়াখানায় যেতে প্রস্তুত, তবে থাকবেন বাঘের পাশে—বাঘ অন্তত নিজের পরিচয়ে বিভ্রান্ত নয়।

এখানেই শেষ নয়। তিনি আরও লেখেন, রাশেদ খানকে রাখা যেতে পারে ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ নামের একটি গরু (মহিষ)–এর পাশে, যাতে দু’জনের মধ্যে কেমন আলাপ হয় তা দেখা যায়। একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত করেন, ওই প্রাণীটি যেন ভবিষ্যতে নাম পরিবর্তনের আবেদন না করে—এমন কথাও পোস্টে যুক্ত করেন।

ভিডিও ও পাল্টা বক্তব্য—দুটোই এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। রাজনৈতিক অঙ্গনের দুই পক্ষের এই বাকযুদ্ধ পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।