নারীর রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিতের দাবি
- সর্বশেষ আপডেট ০৯:৫৯:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬
- / 28
তৃণমূল পর্যায়ে নারী প্রার্থীদের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে ইতিবাচক পরিবেশ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বক্তারা। একই সঙ্গে নারীর রাজনৈতিক অধিকার, অংশগ্রহণ ও প্রতিনিধিত্বের নেটওয়ার্ক আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানান তারা।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) নারীপক্ষের ‘জনজীবনে নারীর নেতৃত্ব বিকাশ’ প্রকল্পের উদ্যোগে আয়োজিত ‘নারীর রাজনৈতিক অধিকার বিষয়ক বিভাগীয় নেটওয়ার্কিং সভা’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলা হয়। কর্মসূচিতে আর্থিক সহযোগিতা করে নরওয়ে।
অনুষ্ঠানে প্রকল্প সমন্বয়কারী নাসিমা আক্তারের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য দেন নারীপক্ষের সদস্য গীতা দাস। বক্তব্য দেন ইউএন উইমেন বাংলাদেশের প্রোগ্রাম ম্যানেজার ও জেন্ডার বিশেষজ্ঞ তপতী সাহা, নারী উদ্যোগ কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক মাসুদা খাতুন শেফালী, নারীপক্ষের পরিচালক অ্যাডভোকেট কামরুন নাহার, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের মানব উন্নয়ন সম্পাদক খন্দকার ফরহানা ইয়াসমীন আতিকা, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জান্নাতুল নওরীন উর্মি এবং জাতীয় পার্টির বহ্নি বেপারীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নারী নেত্রীরা।
গীতা দাস বলেন, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রে সমঅধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণ ও প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় জেন্ডার-সংবেদনশীল নীতিমালা অন্তর্ভুক্ত করার ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
তপতী সাহা বলেন, সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে নারীর নেতৃত্ব বিকাশের বিকল্প নেই। প্রতিটি জেলা ও বিভাগে দক্ষ নারী রাজনৈতিক নেতৃত্ব গড়ে উঠলে তা সামগ্রিকভাবে সমাজ ও রাজনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
স্থানীয় সরকারে নারীর প্রতিনিধিত্বের বর্তমান চিত্র তুলে ধরে মাসুদা খাতুন শেফালী বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনে সংরক্ষিত নারী আসন থাকলেও সাধারণ আসনের তুলনায় নারীদের অংশগ্রহণ এখনও সীমিত। এ বৈষম্য কমাতে নারীবান্ধব রাজনৈতিক পরিবেশ এবং সমান সুযোগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
আলোচনায় অংশ নেওয়া নারী রাজনীতিকরা দলীয় বিভাজনের ঊর্ধ্বে উঠে নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন, নেতৃত্ব বিকাশ এবং স্থানীয় সরকারে কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।






























