ঢাকা ০৫:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বৈধ ইজারাদারকে বাদ দিয়ে থানচি বাজার হস্তান্তর

আকাশ মারমা মংসিং, বান্দরবান
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:১৩:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬
  • / 8

বৈধ ইজারাদারকে বাদ দিয়ে থানচি বাজার হস্তান্তর

বান্দরবানের পার্বত্য জেলা পরিষদের নিয়ন্ত্রণাধীন থানচি বাজার মাল্টিপারপাসের ইজারা হস্তান্তরে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। বৈধ ইজারার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই কোনো টেন্ডার বা দরপত্র ছাড়াই বাজারটি দ্বিতীয় পক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। এ ঘটনায় জেলা পরিষদের কম্পিউটার অপারেটর সুজিত বড়ুয়ার বিরুদ্ধে যোগসাজশ ও অনিয়মের অভিযোগও উঠেছে।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে সুজিত বড়ুয়া দাবি করেছেন, আগের ইজারাদার চুক্তি অনুযায়ী পাওনা পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় তাকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

চুক্তিপত্র সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালের ৩১ অক্টোবর তৎকালীন পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ক্যশৈহ্লার সময়ে টেন্ডারের মাধ্যমে ৩২ লাখ টাকায় থানচি বাজার মাল্টিপারপাসের ইজারা পান ঠিকাদার শৈক্যচিং মারমা। চুক্তি অনুযায়ী, ইজারার মেয়াদ ২০২৭ সালের ১ নভেম্বর পর্যন্ত নির্ধারিত ছিল।

চুক্তির শর্ত অনুযায়ী ভ্যাটসহ প্রতিবছর ৬ লাখ ২৭ হাজার টাকা করে ইজারার অর্থ পরিশোধ করার কথা। নথিপত্র অনুযায়ী, ২০২৬ সালের অক্টোবর পর্যন্ত চার বছরের জন্য শৈক্যচিং মারমা মোট ২৫ লাখ ৭ হাজার টাকা পরিশোধ করেছেন।

অভিযোগ রয়েছে, ইজারার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই থানচির বিএনপি নেতা মংশৈম্রাই মারমার কাছে ২৮ লাখ ৭৫ হাজার টাকায় বাজারটি নতুন করে ইজারা দেওয়া হয়। এ ক্ষেত্রে কোনো বিজ্ঞপ্তি, দরপত্র বা টেন্ডার প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি বলেও অভিযোগ রয়েছে।

দ্বিতীয় চুক্তিপত্রে দেখা যায়, নতুন ইজারাদার মংশৈম্রাই মারমা চলতি বছরের ১ এপ্রিল থেকে ২০৩১ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পাঁচ বছরের জন্য প্রথম কিস্তি হিসেবে ১৫ লাখ টাকা জমা দিয়েছেন। বাকি ১৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা চলতি বছরের ১ ডিসেম্বর পরিশোধ করার কথা উল্লেখ রয়েছে।

এদিকে, নতুন চুক্তিপত্রে কোনো সাক্ষীর নাম না থাকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। পাশাপাশি থানচি বাজারের নতুন ইজারা নিয়ে জেলা পরিষদের মাসিক সভায় কোনো সিদ্ধান্ত হয়েছে কি না কিংবা নতুন করে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছিল কি না, তা নিয়েও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে প্রশ্ন রয়েছে।

অন্যদিকে, আগের ইজারাদার শৈক্যচিং মারমা ও তৎকালীন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ক্যশৈহ্লার মধ্যে সম্পাদিত চুক্তিপত্রে সাক্ষীদের নাম, কিস্তি পরিশোধের ধাপসহ বিভিন্ন শর্ত স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে। শৈক্যচিং দাবি করেছেন, তিনি নিয়মিতভাবে ইজারার অর্থ পরিশোধ করে বাজার পরিচালনা করে আসছিলেন।

শৈক্যচিং মারমার অভিযোগ, ইজারার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই তাকে বাদ দিয়ে গোপনে বাজারটি মংশৈম্রাই মারমার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এর আগে বকেয়া কিস্তির টাকা হিসেবে দুই বছরের ১০ লাখ ৫০ হাজার টাকা একসঙ্গে ব্যাংকে জমা দিতে তাকে কম্পিউটার অপারেটর সুজিত বড়ুয়া চাপ দিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

শৈক্যচিং বলেন, তৃতীয় ও চতুর্থ কিস্তির টাকা ব্যাংকে জমা দেওয়ার পরও ইজারার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই বাজারটি অন্য ব্যক্তির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

জেলা পরিষদের একজন সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, শৈক্যচিংকে বাদ দিয়ে অন্য ব্যক্তিকে ইজারা দেওয়ার সময় তাকে আর্থিক লেনদেনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। তবে তিনি তাতে রাজি হননি এবং বিষয়টির অনিয়ম নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কোনো ইজারাদার চুক্তি অনুযায়ী ইজারার অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে প্রথমে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। এরপরও পাওনা পরিশোধ না করলে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় ইজারা বাতিল ও পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। ইজারা বাতিলের পর বিষয়টি জেলা পরিষদের সভায় উত্থাপন করে সিদ্ধান্ত এবং পরবর্তী সময়ে টেন্ডার বা দরপত্রের মাধ্যমে নতুন ইজারাদার নিয়োগের প্রক্রিয়া অনুসরণ করার কথা।

অভিযোগ রয়েছে, থানচি বাজারের ক্ষেত্রে এসব প্রক্রিয়ার কোনোটিই অনুসরণ করা হয়নি।

অভিযোগের বিষয়ে সুজিত বড়ুয়া বলেন, ইজারাদার শৈক্যচিং মারমা ভাড়া বকেয়া রেখেছিলেন। বিধি অনুযায়ী ইজারার টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় তাকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

তবে বিনা টেন্ডারে কীভাবে নতুন ইজারা দেওয়া হলো; এ প্রশ্নের জবাবে সুজিত বড়ুয়া বলেন, আগের সরকারের আমলেও বিনা টেন্ডারে ইজারা দেওয়া হয়েছিল। তাই বর্তমানেও বিনা টেন্ডারে ইজারা দেওয়া হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

এ বিষয়ে বান্দরবান জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল মনছুরের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি নিয়ে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দেননি।

পার্বত্য জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি নিয়ে হাইকোর্টে রিট হয়েছে। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী বিষয়টির সমাধান করা হবে। প্রয়োজনে পুলিশের সহযোগিতা নিয়ে থানচি বাজার মাল্টিপারপাসের কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে।

এদিকে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান থানজামা লুসাই বলেন, সরকারি চুক্তি অনুযায়ী ২০২৭ সালের অক্টোবর পর্যন্ত থানচি বাজার মাল্টিপারপাসের বৈধ ইজারাদার শৈক্যচিং মারমা।

তিনি বলেন, ইজারার মেয়াদ থাকা অবস্থায় কীভাবে বাজারটি অন্য ব্যক্তির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে, তা তার জানা নেই। যারা এ কাজ করেছেন, তারা সঠিক করেননি। ইজারা বা টেন্ডার ছাড়া এভাবে সরকারি স্থাপনা হস্তান্তরের সুযোগ নেই। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বৈধ ইজারাদারকে বাদ দিয়ে থানচি বাজার হস্তান্তর

সর্বশেষ আপডেট ০৫:১৩:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬

বান্দরবানের পার্বত্য জেলা পরিষদের নিয়ন্ত্রণাধীন থানচি বাজার মাল্টিপারপাসের ইজারা হস্তান্তরে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। বৈধ ইজারার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই কোনো টেন্ডার বা দরপত্র ছাড়াই বাজারটি দ্বিতীয় পক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। এ ঘটনায় জেলা পরিষদের কম্পিউটার অপারেটর সুজিত বড়ুয়ার বিরুদ্ধে যোগসাজশ ও অনিয়মের অভিযোগও উঠেছে।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে সুজিত বড়ুয়া দাবি করেছেন, আগের ইজারাদার চুক্তি অনুযায়ী পাওনা পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় তাকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

চুক্তিপত্র সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালের ৩১ অক্টোবর তৎকালীন পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ক্যশৈহ্লার সময়ে টেন্ডারের মাধ্যমে ৩২ লাখ টাকায় থানচি বাজার মাল্টিপারপাসের ইজারা পান ঠিকাদার শৈক্যচিং মারমা। চুক্তি অনুযায়ী, ইজারার মেয়াদ ২০২৭ সালের ১ নভেম্বর পর্যন্ত নির্ধারিত ছিল।

চুক্তির শর্ত অনুযায়ী ভ্যাটসহ প্রতিবছর ৬ লাখ ২৭ হাজার টাকা করে ইজারার অর্থ পরিশোধ করার কথা। নথিপত্র অনুযায়ী, ২০২৬ সালের অক্টোবর পর্যন্ত চার বছরের জন্য শৈক্যচিং মারমা মোট ২৫ লাখ ৭ হাজার টাকা পরিশোধ করেছেন।

অভিযোগ রয়েছে, ইজারার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই থানচির বিএনপি নেতা মংশৈম্রাই মারমার কাছে ২৮ লাখ ৭৫ হাজার টাকায় বাজারটি নতুন করে ইজারা দেওয়া হয়। এ ক্ষেত্রে কোনো বিজ্ঞপ্তি, দরপত্র বা টেন্ডার প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি বলেও অভিযোগ রয়েছে।

দ্বিতীয় চুক্তিপত্রে দেখা যায়, নতুন ইজারাদার মংশৈম্রাই মারমা চলতি বছরের ১ এপ্রিল থেকে ২০৩১ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পাঁচ বছরের জন্য প্রথম কিস্তি হিসেবে ১৫ লাখ টাকা জমা দিয়েছেন। বাকি ১৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা চলতি বছরের ১ ডিসেম্বর পরিশোধ করার কথা উল্লেখ রয়েছে।

এদিকে, নতুন চুক্তিপত্রে কোনো সাক্ষীর নাম না থাকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। পাশাপাশি থানচি বাজারের নতুন ইজারা নিয়ে জেলা পরিষদের মাসিক সভায় কোনো সিদ্ধান্ত হয়েছে কি না কিংবা নতুন করে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছিল কি না, তা নিয়েও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে প্রশ্ন রয়েছে।

অন্যদিকে, আগের ইজারাদার শৈক্যচিং মারমা ও তৎকালীন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ক্যশৈহ্লার মধ্যে সম্পাদিত চুক্তিপত্রে সাক্ষীদের নাম, কিস্তি পরিশোধের ধাপসহ বিভিন্ন শর্ত স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে। শৈক্যচিং দাবি করেছেন, তিনি নিয়মিতভাবে ইজারার অর্থ পরিশোধ করে বাজার পরিচালনা করে আসছিলেন।

শৈক্যচিং মারমার অভিযোগ, ইজারার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই তাকে বাদ দিয়ে গোপনে বাজারটি মংশৈম্রাই মারমার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এর আগে বকেয়া কিস্তির টাকা হিসেবে দুই বছরের ১০ লাখ ৫০ হাজার টাকা একসঙ্গে ব্যাংকে জমা দিতে তাকে কম্পিউটার অপারেটর সুজিত বড়ুয়া চাপ দিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

শৈক্যচিং বলেন, তৃতীয় ও চতুর্থ কিস্তির টাকা ব্যাংকে জমা দেওয়ার পরও ইজারার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই বাজারটি অন্য ব্যক্তির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

জেলা পরিষদের একজন সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, শৈক্যচিংকে বাদ দিয়ে অন্য ব্যক্তিকে ইজারা দেওয়ার সময় তাকে আর্থিক লেনদেনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। তবে তিনি তাতে রাজি হননি এবং বিষয়টির অনিয়ম নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কোনো ইজারাদার চুক্তি অনুযায়ী ইজারার অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে প্রথমে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। এরপরও পাওনা পরিশোধ না করলে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় ইজারা বাতিল ও পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। ইজারা বাতিলের পর বিষয়টি জেলা পরিষদের সভায় উত্থাপন করে সিদ্ধান্ত এবং পরবর্তী সময়ে টেন্ডার বা দরপত্রের মাধ্যমে নতুন ইজারাদার নিয়োগের প্রক্রিয়া অনুসরণ করার কথা।

অভিযোগ রয়েছে, থানচি বাজারের ক্ষেত্রে এসব প্রক্রিয়ার কোনোটিই অনুসরণ করা হয়নি।

অভিযোগের বিষয়ে সুজিত বড়ুয়া বলেন, ইজারাদার শৈক্যচিং মারমা ভাড়া বকেয়া রেখেছিলেন। বিধি অনুযায়ী ইজারার টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় তাকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

তবে বিনা টেন্ডারে কীভাবে নতুন ইজারা দেওয়া হলো; এ প্রশ্নের জবাবে সুজিত বড়ুয়া বলেন, আগের সরকারের আমলেও বিনা টেন্ডারে ইজারা দেওয়া হয়েছিল। তাই বর্তমানেও বিনা টেন্ডারে ইজারা দেওয়া হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

এ বিষয়ে বান্দরবান জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল মনছুরের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি নিয়ে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দেননি।

পার্বত্য জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি নিয়ে হাইকোর্টে রিট হয়েছে। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী বিষয়টির সমাধান করা হবে। প্রয়োজনে পুলিশের সহযোগিতা নিয়ে থানচি বাজার মাল্টিপারপাসের কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে।

এদিকে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান থানজামা লুসাই বলেন, সরকারি চুক্তি অনুযায়ী ২০২৭ সালের অক্টোবর পর্যন্ত থানচি বাজার মাল্টিপারপাসের বৈধ ইজারাদার শৈক্যচিং মারমা।

তিনি বলেন, ইজারার মেয়াদ থাকা অবস্থায় কীভাবে বাজারটি অন্য ব্যক্তির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে, তা তার জানা নেই। যারা এ কাজ করেছেন, তারা সঠিক করেননি। ইজারা বা টেন্ডার ছাড়া এভাবে সরকারি স্থাপনা হস্তান্তরের সুযোগ নেই। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।