ঢাকা ১২:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নারীর ঘরে যুবদল নেতা, বস্ত্রহীন ভিডিও ভাইরাল

নিজস্ব প্রতিবেদক, সাতক্ষীরা
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:৩৯:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬
  • / 13

নারীর ঘরে যুবদল নেতা, বস্ত্রহীন ভিডিও ভাইরাল

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে এক নারীর ঘর থেকে আব্দুল মান্নান নামে এক যুবদল নেতাকে বস্ত্রহীন অবস্থায় আটকের পর মারধরের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয়দের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার কয়েকটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার হরিনগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে উপজেলা যুবদলের কয়েকজন নেতা ঘটনাস্থলে গিয়ে মান্নানকে সেখান থেকে নিয়ে যান বলে জানা গেছে।

আব্দুল মান্নান শ্যামনগর পৌরসভার চণ্ডীপুর গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে। তিনি পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি বলে স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা একটি বাড়ি ঘেরাও করেন। পরে ঘরের দরজা ভেঙে ভেতর থেকে মান্নানকে বস্ত্রহীন অবস্থায় বের করে আনা হয়। এরপর তাকে ঘরের একটি খুঁটির সঙ্গে বেঁধে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির নেতা আবুল কাশেম ও আবু হামজাসহ স্থানীয় কয়েকজন জানান, মান্নান ও ওই নারী আগে থেকেই পরস্পরের পরিচিত ছিলেন। তাদের দাবি, রাতে মান্নান ওই নারীর বাড়িতে গেলে স্থানীয়রা বিষয়টি জানতে পেরে বাড়িটি ঘেরাও করেন।

ওই নারী অভিযোগ করেন, বিভিন্ন সময় ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে তাকে হয়রানি করা হতো এবং মান্নান তাকে কুপ্রস্তাব দিতেন। বৃহস্পতিবার বাজারে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে তিনি বাড়িতে প্রবেশ করেন বলে দাবি ওই নারীর। এরপর স্থানীয়রা তাদের আটক করেন।

এদিকে, ২০২৫ সালের ৭ জুলাই অন্যের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ঢুকে চাঁদা দাবির অভিযোগে মান্নানের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

শ্যামনগর পৌর যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক ফরিদুজ্জামান বাবু বলেন, ঘটনাটি তাদের নজরে এসেছে। অভিযোগের বিষয়ে যাচাই করে মান্নানের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি তারা জানতে পেরেছেন। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ থানায় অভিযোগ করেননি। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই দুই পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি মীমাংসা করে সংশ্লিষ্টদের সরিয়ে নেন।

ঘটনার বিষয়ে আব্দুল মান্নানের বক্তব্য জানতে একাধিকবার ফোন করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

নারীর ঘরে যুবদল নেতা, বস্ত্রহীন ভিডিও ভাইরাল

সর্বশেষ আপডেট ১১:৩৯:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে এক নারীর ঘর থেকে আব্দুল মান্নান নামে এক যুবদল নেতাকে বস্ত্রহীন অবস্থায় আটকের পর মারধরের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয়দের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার কয়েকটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার হরিনগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে উপজেলা যুবদলের কয়েকজন নেতা ঘটনাস্থলে গিয়ে মান্নানকে সেখান থেকে নিয়ে যান বলে জানা গেছে।

আব্দুল মান্নান শ্যামনগর পৌরসভার চণ্ডীপুর গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে। তিনি পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি বলে স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা একটি বাড়ি ঘেরাও করেন। পরে ঘরের দরজা ভেঙে ভেতর থেকে মান্নানকে বস্ত্রহীন অবস্থায় বের করে আনা হয়। এরপর তাকে ঘরের একটি খুঁটির সঙ্গে বেঁধে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির নেতা আবুল কাশেম ও আবু হামজাসহ স্থানীয় কয়েকজন জানান, মান্নান ও ওই নারী আগে থেকেই পরস্পরের পরিচিত ছিলেন। তাদের দাবি, রাতে মান্নান ওই নারীর বাড়িতে গেলে স্থানীয়রা বিষয়টি জানতে পেরে বাড়িটি ঘেরাও করেন।

ওই নারী অভিযোগ করেন, বিভিন্ন সময় ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে তাকে হয়রানি করা হতো এবং মান্নান তাকে কুপ্রস্তাব দিতেন। বৃহস্পতিবার বাজারে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে তিনি বাড়িতে প্রবেশ করেন বলে দাবি ওই নারীর। এরপর স্থানীয়রা তাদের আটক করেন।

এদিকে, ২০২৫ সালের ৭ জুলাই অন্যের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ঢুকে চাঁদা দাবির অভিযোগে মান্নানের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

শ্যামনগর পৌর যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক ফরিদুজ্জামান বাবু বলেন, ঘটনাটি তাদের নজরে এসেছে। অভিযোগের বিষয়ে যাচাই করে মান্নানের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি তারা জানতে পেরেছেন। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ থানায় অভিযোগ করেননি। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই দুই পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি মীমাংসা করে সংশ্লিষ্টদের সরিয়ে নেন।

ঘটনার বিষয়ে আব্দুল মান্নানের বক্তব্য জানতে একাধিকবার ফোন করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।