ঢাকা ০২:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘ব্যক্তিগত আক্রমণ করলে চুমু দেব না’ : রাশেদ খান

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:০৬:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬
  • / 110

‘ব্যক্তিগত আক্রমণ করলে চুমু দেব না’ : রাশেদ খান

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান বলেছেন, কেউ তাকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করলে তিনি চুপ থাকবেন না। ‘এমন সুশীল ব্যক্তি আমি নই’ বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন রাশেদ খান। সেখানে তিনি আগের দিন একটি টেলিভিশন টকশোতে সাংবাদিক সারোয়ার তুষারের সঙ্গে বিতর্কের বিষয়টি তুলে ধরেন।

রাশেদ খানের দাবি, টকশোতে তিনি শুরুতে গঠনমূলক আলোচনা করার চেষ্টা করলেও অনুষ্ঠানের শেষ দিকে সারোয়ার তুষার তাকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করেন। তার রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি তাকে বিভিন্ন মন্তব্য করা হয় বলেও দাবি করেন তিনি।

নিজের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের বর্ণনা দিয়ে রাশেদ খান বলেন, ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় শেখ হাসিনাকে কটূক্তির মামলায় তিনি কারাভোগ করেছেন এবং রিমান্ডে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। পাশাপাশি ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের আগ পর্যন্ত যুগপৎ আন্দোলনেও তিনি রাজপথে সক্রিয় ছিলেন বলে দাবি করেন।

২০২৪ সালের আন্দোলনে রাজনৈতিক সমন্বয়ের ক্ষেত্রেও নিজের ভূমিকার কথা তুলে ধরেন রাশেদ। তার দাবি, আন্দোলনের সমন্বয়কদের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর যোগাযোগ ও সমন্বয়ে তিনি কাজ করেছেন। আন্দোলনের সময় কয়েকজন সমন্বয়কের সঙ্গে জাতিসংঘের বাংলাদেশ প্রতিনিধির বৈঠকের ক্ষেত্রেও তার ভূমিকা ছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি।

রাশেদ খান আরও দাবি করেন, আন্দোলনের সময় তাকে গ্রেপ্তারের জন্য কয়েক দফা অভিযান চালানো হয়েছিল। ১৯ জুলাই নুরুল হক নুর গ্রেপ্তার হওয়ার পর তার বাসায় দুবার অভিযান চালানো হয় বলেও জানান তিনি। পরে ৫ আগস্ট পর্যন্ত আন্দোলন সফল করতে রাজনৈতিক কর্মপন্থা নির্ধারণে কাজ করেছেন বলে দাবি করেন।

টকশোতে সারোয়ার তুষারের সঙ্গে বাকবিতণ্ডার প্রসঙ্গে রাশেদ খান বলেন, তাকে ‘বেয়াদব’ ও ‘মিথ্যুক’ বলা হলে তিনি পাল্টা জবাব দেন। তার ভাষ্য, প্রথমবার তিনি কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাননি, কিন্তু একই মন্তব্য পুনরায় করায় তিনি জবাব দিতে বাধ্য হন।

পোস্টে তিনি আরও কয়েকজনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বক্তব্য উদ্ধৃত করে সারোয়ার তুষারের রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।

সবশেষে রাশেদ খান বলেন, ব্যক্তিগত আক্রমণের জবাবে তিনি নীরব থাকার মানুষ নন। তবে অপর পক্ষ থেকে ভদ্রতা দেখানো হলে তিনিও আরও বেশি ভদ্রতা দেখাবেন বলে মন্তব্য করেন। তিনি ‘নতুন বন্দোবস্তের রাজনীতি’র নামে বিভাজন ও ব্যক্তিগত আক্রমণের রাজনীতি পরিহারের আহ্বান জানান।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

‘ব্যক্তিগত আক্রমণ করলে চুমু দেব না’ : রাশেদ খান

সর্বশেষ আপডেট ০৫:০৬:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান বলেছেন, কেউ তাকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করলে তিনি চুপ থাকবেন না। ‘এমন সুশীল ব্যক্তি আমি নই’ বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন রাশেদ খান। সেখানে তিনি আগের দিন একটি টেলিভিশন টকশোতে সাংবাদিক সারোয়ার তুষারের সঙ্গে বিতর্কের বিষয়টি তুলে ধরেন।

রাশেদ খানের দাবি, টকশোতে তিনি শুরুতে গঠনমূলক আলোচনা করার চেষ্টা করলেও অনুষ্ঠানের শেষ দিকে সারোয়ার তুষার তাকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করেন। তার রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি তাকে বিভিন্ন মন্তব্য করা হয় বলেও দাবি করেন তিনি।

নিজের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের বর্ণনা দিয়ে রাশেদ খান বলেন, ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় শেখ হাসিনাকে কটূক্তির মামলায় তিনি কারাভোগ করেছেন এবং রিমান্ডে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। পাশাপাশি ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের আগ পর্যন্ত যুগপৎ আন্দোলনেও তিনি রাজপথে সক্রিয় ছিলেন বলে দাবি করেন।

২০২৪ সালের আন্দোলনে রাজনৈতিক সমন্বয়ের ক্ষেত্রেও নিজের ভূমিকার কথা তুলে ধরেন রাশেদ। তার দাবি, আন্দোলনের সমন্বয়কদের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর যোগাযোগ ও সমন্বয়ে তিনি কাজ করেছেন। আন্দোলনের সময় কয়েকজন সমন্বয়কের সঙ্গে জাতিসংঘের বাংলাদেশ প্রতিনিধির বৈঠকের ক্ষেত্রেও তার ভূমিকা ছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি।

রাশেদ খান আরও দাবি করেন, আন্দোলনের সময় তাকে গ্রেপ্তারের জন্য কয়েক দফা অভিযান চালানো হয়েছিল। ১৯ জুলাই নুরুল হক নুর গ্রেপ্তার হওয়ার পর তার বাসায় দুবার অভিযান চালানো হয় বলেও জানান তিনি। পরে ৫ আগস্ট পর্যন্ত আন্দোলন সফল করতে রাজনৈতিক কর্মপন্থা নির্ধারণে কাজ করেছেন বলে দাবি করেন।

টকশোতে সারোয়ার তুষারের সঙ্গে বাকবিতণ্ডার প্রসঙ্গে রাশেদ খান বলেন, তাকে ‘বেয়াদব’ ও ‘মিথ্যুক’ বলা হলে তিনি পাল্টা জবাব দেন। তার ভাষ্য, প্রথমবার তিনি কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাননি, কিন্তু একই মন্তব্য পুনরায় করায় তিনি জবাব দিতে বাধ্য হন।

পোস্টে তিনি আরও কয়েকজনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বক্তব্য উদ্ধৃত করে সারোয়ার তুষারের রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।

সবশেষে রাশেদ খান বলেন, ব্যক্তিগত আক্রমণের জবাবে তিনি নীরব থাকার মানুষ নন। তবে অপর পক্ষ থেকে ভদ্রতা দেখানো হলে তিনিও আরও বেশি ভদ্রতা দেখাবেন বলে মন্তব্য করেন। তিনি ‘নতুন বন্দোবস্তের রাজনীতি’র নামে বিভাজন ও ব্যক্তিগত আক্রমণের রাজনীতি পরিহারের আহ্বান জানান।