ঢাকা ০৭:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কর্নেল অলিকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য রাশেদ খানের

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:১৭:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬
  • / 83

কর্নেল অলিকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য রাশেদ খানের

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান কর্নেল অলি আহমদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা সংস্থার কথিত এজেন্ট মাসুদ করিমের সঙ্গে সম্পর্ক ও লেনদেনের অভিযোগ তুলেছেন। তিনি দাবি করেন, বিষয়টি অতীতেও বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল এবং কর্নেল অলির কাছে এ বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা চেয়েছেন।

সোমবার (৩ আগস্ট) দিবাগত রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

পোস্টে রাশেদ খান বলেন, কর্নেল অলি আহমদ এক সপ্তাহের মধ্যে বিএনপি সরকারের পতন ঘটানোর হুমকি দেওয়ার পরিপ্রেক্ষিতেই তিনি এ বিষয়টি সামনে এনেছেন। তার ভাষায়, কর্নেল অলির যদি সাহস থাকে, তাহলে তিনি যেন প্রকাশ্যে বলেন যে মাসুদ করিমের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক ছিল না।

রাশেদ খান আরও অভিযোগ করেন, কর্নেল অলি তার সমালোচনার জবাবে ব্যক্তিগত পর্যায়ে গিয়ে তার বাবা-মাকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন। এরপরও তিনি সম্মান বজায় রেখেই জবাব দিচ্ছেন বলে উল্লেখ করেন।

তিনি দাবি করেন, কর্নেল অলি তাকে ‘র’ কিংবা মোসাদের এজেন্ট বলে আখ্যায়িত করেছেন। এর জবাবে রাশেদ খান বলেন, তারা যখন আধিপত্যবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন এবং মামলা-হামলার মুখোমুখি হয়েছেন, তখন কর্নেল অলি নাকি তৎকালীন সরকারের গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে আপস করে বিরোধী আন্দোলনকে দুর্বল করার ফাঁদে পা দিয়েছিলেন।

আসন সমঝোয়ার প্রসঙ্গ টেনে রাশেদ খান আরও বলেন, কর্নেল অলি বিএনপির কাছে বেশি আসন দাবি করেছিলেন, তবে বিএনপি মনে করেছিল দুর্বল প্রার্থীদের কাছে আসন ছেড়ে দিলে সেগুলো অন্য একটি রাজনৈতিক দলের দখলে যেতে পারে। পরবর্তীতে কর্নেল অলির রাজনৈতিক অবস্থান সেই মূল্যায়নকে সঠিক প্রমাণ করেছে বলেও দাবি করেন তিনি।

নিজের রাজনৈতিক পরিচয় তুলে ধরে রাশেদ খান লেখেন, শ্রমিক পরিবারের সন্তান হয়েও তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন এবং ২০১৮ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখার চেষ্টা করেছেন।

পোস্টের শেষাংশে তিনি কর্নেল অলিকে উদ্দেশ করে আরও কড়া ভাষায় সমালোচনা করেন।

উল্লেখ্য, রাশেদ খানের এসব বক্তব্য ও অভিযোগ তার ব্যক্তিগত ফেসবুক পোস্টে করা দাবি। এ বিষয়ে কর্নেল অলি আহমদের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

কর্নেল অলিকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য রাশেদ খানের

সর্বশেষ আপডেট ১২:১৭:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান কর্নেল অলি আহমদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা সংস্থার কথিত এজেন্ট মাসুদ করিমের সঙ্গে সম্পর্ক ও লেনদেনের অভিযোগ তুলেছেন। তিনি দাবি করেন, বিষয়টি অতীতেও বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল এবং কর্নেল অলির কাছে এ বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা চেয়েছেন।

সোমবার (৩ আগস্ট) দিবাগত রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

পোস্টে রাশেদ খান বলেন, কর্নেল অলি আহমদ এক সপ্তাহের মধ্যে বিএনপি সরকারের পতন ঘটানোর হুমকি দেওয়ার পরিপ্রেক্ষিতেই তিনি এ বিষয়টি সামনে এনেছেন। তার ভাষায়, কর্নেল অলির যদি সাহস থাকে, তাহলে তিনি যেন প্রকাশ্যে বলেন যে মাসুদ করিমের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক ছিল না।

রাশেদ খান আরও অভিযোগ করেন, কর্নেল অলি তার সমালোচনার জবাবে ব্যক্তিগত পর্যায়ে গিয়ে তার বাবা-মাকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন। এরপরও তিনি সম্মান বজায় রেখেই জবাব দিচ্ছেন বলে উল্লেখ করেন।

তিনি দাবি করেন, কর্নেল অলি তাকে ‘র’ কিংবা মোসাদের এজেন্ট বলে আখ্যায়িত করেছেন। এর জবাবে রাশেদ খান বলেন, তারা যখন আধিপত্যবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন এবং মামলা-হামলার মুখোমুখি হয়েছেন, তখন কর্নেল অলি নাকি তৎকালীন সরকারের গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে আপস করে বিরোধী আন্দোলনকে দুর্বল করার ফাঁদে পা দিয়েছিলেন।

আসন সমঝোয়ার প্রসঙ্গ টেনে রাশেদ খান আরও বলেন, কর্নেল অলি বিএনপির কাছে বেশি আসন দাবি করেছিলেন, তবে বিএনপি মনে করেছিল দুর্বল প্রার্থীদের কাছে আসন ছেড়ে দিলে সেগুলো অন্য একটি রাজনৈতিক দলের দখলে যেতে পারে। পরবর্তীতে কর্নেল অলির রাজনৈতিক অবস্থান সেই মূল্যায়নকে সঠিক প্রমাণ করেছে বলেও দাবি করেন তিনি।

নিজের রাজনৈতিক পরিচয় তুলে ধরে রাশেদ খান লেখেন, শ্রমিক পরিবারের সন্তান হয়েও তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন এবং ২০১৮ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখার চেষ্টা করেছেন।

পোস্টের শেষাংশে তিনি কর্নেল অলিকে উদ্দেশ করে আরও কড়া ভাষায় সমালোচনা করেন।

উল্লেখ্য, রাশেদ খানের এসব বক্তব্য ও অভিযোগ তার ব্যক্তিগত ফেসবুক পোস্টে করা দাবি। এ বিষয়ে কর্নেল অলি আহমদের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।