ঢাকা ০৩:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বিএনপির এমপি কয়ছর আহমেদ

‘গণহত্যার দায় শেখ মুজিবের, মরণোত্তর বিচার দাবি’

নিজস্ব প্রতিবেদক, সুনামগঞ্জ
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:৩৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬
  • / 57

মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার জন্য শেখ মুজিবুর রহমানকে দায়ী করেছেন সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মোহাম্মদ কয়ছর আহমদ। একই সঙ্গে শেখ মুজিবুর রহমানের মরণোত্তর বিচার দাবি করেছেন তিনি।

শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকেল ৪টায় শান্তিগঞ্জ উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন ঝিলমিল অডিটোরিয়ামে উপজেলা বিএনপি আয়োজিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের র‍্যালি পরবর্তী আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন কয়ছর আহমদ।

বক্তব্যে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মানুষকে স্বাধীনতার জন্য ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন একজন নেতা। স্বাধীনতার সংগ্রামে যখন দেশের মানুষ প্রস্তুত, তখন তিনি বাংলাদেশ ছেড়ে চলে যান। এরপর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এ দেশের মানুষের ওপর গণহত্যা চালায়। সেদিন যারা প্রাণ হারিয়েছেন, তাদের হত্যার জন্য শেখ মুজিবুর রহমান দায়ী। এ কারণে তাঁর মরণোত্তর বিচার হওয়া উচিত।

কয়ছর আহমদ আরও বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বিএনপি ও জিয়া পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। দেশের প্রতিটি সংকটময় মুহূর্তে তারা মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ১৯৭৫ সালের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিতে সিপাহি-জনতা জিয়াউর রহমানের ওপর আস্থা রেখেছিলেন। বিপ্লব ও সংহতি দিবসের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার আগে ও পরে বাংলাদেশকে নিয়ে নানা ষড়যন্ত্র হয়েছে। ১৯৭৫, ১৯৯০ সাল থেকে শুরু করে দীর্ঘ ১৭ বছরও দেশকে নিয়ে ষড়যন্ত্র চলেছে। যখনই দেশবিরোধী চক্রান্ত হয়েছে, তখনই জিয়াউর রহমান, বিএনপি ও জিয়া পরিবার দেশের হাল ধরেছে।

বিএনপির এই সংসদ সদস্য বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েই দায়িত্ব শেষ করেননি। অস্ত্র হাতে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়ে দেশ স্বাধীন করতে ভূমিকা রেখেছেন। তাঁর নেতৃত্ব ও আদর্শ থেকে শিক্ষা নিয়ে সবাইকে দেশের কল্যাণে কাজ করতে হবে।

শান্তিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাজি জালাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে সভায় উপজেলা বিএনপির প্রথম যুগ্ম আহ্বায়ক রওশন খান সাগর ও যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কাশেম নাঈম যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আনছার উদ্দিন, ফারুক আহমদ ও নূর আলী, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এটিএম হেলাল এবং জেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আমিনুর রশিদ আমিনসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বিএনপির এমপি কয়ছর আহমেদ

‘গণহত্যার দায় শেখ মুজিবের, মরণোত্তর বিচার দাবি’

সর্বশেষ আপডেট ১০:৩৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার জন্য শেখ মুজিবুর রহমানকে দায়ী করেছেন সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মোহাম্মদ কয়ছর আহমদ। একই সঙ্গে শেখ মুজিবুর রহমানের মরণোত্তর বিচার দাবি করেছেন তিনি।

শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকেল ৪টায় শান্তিগঞ্জ উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন ঝিলমিল অডিটোরিয়ামে উপজেলা বিএনপি আয়োজিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের র‍্যালি পরবর্তী আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন কয়ছর আহমদ।

বক্তব্যে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মানুষকে স্বাধীনতার জন্য ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন একজন নেতা। স্বাধীনতার সংগ্রামে যখন দেশের মানুষ প্রস্তুত, তখন তিনি বাংলাদেশ ছেড়ে চলে যান। এরপর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এ দেশের মানুষের ওপর গণহত্যা চালায়। সেদিন যারা প্রাণ হারিয়েছেন, তাদের হত্যার জন্য শেখ মুজিবুর রহমান দায়ী। এ কারণে তাঁর মরণোত্তর বিচার হওয়া উচিত।

কয়ছর আহমদ আরও বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বিএনপি ও জিয়া পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। দেশের প্রতিটি সংকটময় মুহূর্তে তারা মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ১৯৭৫ সালের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিতে সিপাহি-জনতা জিয়াউর রহমানের ওপর আস্থা রেখেছিলেন। বিপ্লব ও সংহতি দিবসের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার আগে ও পরে বাংলাদেশকে নিয়ে নানা ষড়যন্ত্র হয়েছে। ১৯৭৫, ১৯৯০ সাল থেকে শুরু করে দীর্ঘ ১৭ বছরও দেশকে নিয়ে ষড়যন্ত্র চলেছে। যখনই দেশবিরোধী চক্রান্ত হয়েছে, তখনই জিয়াউর রহমান, বিএনপি ও জিয়া পরিবার দেশের হাল ধরেছে।

বিএনপির এই সংসদ সদস্য বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েই দায়িত্ব শেষ করেননি। অস্ত্র হাতে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়ে দেশ স্বাধীন করতে ভূমিকা রেখেছেন। তাঁর নেতৃত্ব ও আদর্শ থেকে শিক্ষা নিয়ে সবাইকে দেশের কল্যাণে কাজ করতে হবে।

শান্তিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাজি জালাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে সভায় উপজেলা বিএনপির প্রথম যুগ্ম আহ্বায়ক রওশন খান সাগর ও যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কাশেম নাঈম যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আনছার উদ্দিন, ফারুক আহমদ ও নূর আলী, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এটিএম হেলাল এবং জেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আমিনুর রশিদ আমিনসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা।