ঢাকা ১২:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রাথমিক শিক্ষা পরিবর্তনের সরকারের রূপরেখা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:৩০:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
  • / 18

প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে কারিকুলাম, শিক্ষক, প্রশাসন, অবকাঠামো ও প্রযুক্তি—এই পাঁচ খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে শিক্ষা সংস্কার বাস্তবায়ন করছে সরকার বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, শিক্ষা সংস্কারের মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের লার্নিং আউটকাম বা শেখার ফলাফল বৃদ্ধি। এ লক্ষ্য অর্জনে সরকার পাঁচটি খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে—কারিকুলাম, শিক্ষক, প্রশাসন, অবকাঠামো ও প্রযুক্তি।

সোমবার রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টারে অনুষ্ঠিত ‘জিও-এনজিও কোলাবোরেশন ডায়ালগ’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত উন্নয়নে সরকার এনজিওগুলোর সঙ্গে কার্যকর অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে চায়। সরকারের পাশাপাশি উন্নয়ন সহযোগী ও বেসরকারি সংস্থাগুলোর সমন্বিত উদ্যোগেই শিক্ষাক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনা সম্ভব।

তিনি বলেন, প্রাথমিক শিক্ষাকে আরও আধুনিক, দক্ষ ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে শিক্ষক প্রশিক্ষণ, নিয়োগ ও বদলি ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, প্রশাসনিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ডিজিটাল মনিটরিং জোরদারে নতুন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। দেশের ৬৫ হাজারের বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে টেকসই পরিবর্তন আনতে এনজিওগুলোর মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা ও উদ্ভাবনী উদ্যোগ কাজে লাগানো হবে।

ববি হাজ্জাজ আরও বলেন, প্রতিবন্ধী শিশু, প্রাক-প্রাথমিক ও নন-ফরমাল শিক্ষা, শহরমুখী অভিবাসী শিশু, চা-বাগান এলাকার শিশু এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণেও সরকার বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করছে।

অনুষ্ঠানে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর, ব্র্যাক ও বিভিন্ন এনজিওর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

প্রাথমিক শিক্ষা পরিবর্তনের সরকারের রূপরেখা

সর্বশেষ আপডেট ০৭:৩০:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে কারিকুলাম, শিক্ষক, প্রশাসন, অবকাঠামো ও প্রযুক্তি—এই পাঁচ খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে শিক্ষা সংস্কার বাস্তবায়ন করছে সরকার বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, শিক্ষা সংস্কারের মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের লার্নিং আউটকাম বা শেখার ফলাফল বৃদ্ধি। এ লক্ষ্য অর্জনে সরকার পাঁচটি খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে—কারিকুলাম, শিক্ষক, প্রশাসন, অবকাঠামো ও প্রযুক্তি।

সোমবার রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টারে অনুষ্ঠিত ‘জিও-এনজিও কোলাবোরেশন ডায়ালগ’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত উন্নয়নে সরকার এনজিওগুলোর সঙ্গে কার্যকর অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে চায়। সরকারের পাশাপাশি উন্নয়ন সহযোগী ও বেসরকারি সংস্থাগুলোর সমন্বিত উদ্যোগেই শিক্ষাক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনা সম্ভব।

তিনি বলেন, প্রাথমিক শিক্ষাকে আরও আধুনিক, দক্ষ ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে শিক্ষক প্রশিক্ষণ, নিয়োগ ও বদলি ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, প্রশাসনিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ডিজিটাল মনিটরিং জোরদারে নতুন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। দেশের ৬৫ হাজারের বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে টেকসই পরিবর্তন আনতে এনজিওগুলোর মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা ও উদ্ভাবনী উদ্যোগ কাজে লাগানো হবে।

ববি হাজ্জাজ আরও বলেন, প্রতিবন্ধী শিশু, প্রাক-প্রাথমিক ও নন-ফরমাল শিক্ষা, শহরমুখী অভিবাসী শিশু, চা-বাগান এলাকার শিশু এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণেও সরকার বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করছে।

অনুষ্ঠানে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর, ব্র্যাক ও বিভিন্ন এনজিওর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।