ঢাকা ১২:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কালো টাকা সাদা করার বিধান বাতিলের প্রস্তাব

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:২৬:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
  • / 12

প্রতীকী ছবি

জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কালো টাকা সাদা করার বিতর্কিত বিধান বাতিলের প্রস্তাব দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়ানো, দেশীয় শিল্পে কর-সুবিধা এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর কমানোর মতো জনবান্ধব বিভিন্ন সংশোধনী তুলে ধরেন।

সোমবার সংসদে দেওয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসানের পর দেশের অর্থনীতিতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ দ্রুত দেশে ফেরানো সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।

তিনি ব্যক্তি করদাতাদের করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়িয়ে ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ করবর্ষে ৪ লাখ টাকা, ২০২৮-২৯ ও ২০২৯-৩০ করবর্ষে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং ২০৩০-৩১ করবর্ষে ৫ লাখ টাকা করার প্রস্তাব দেন।

প্রধানমন্ত্রী অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে কালো টাকা সাদা করার বিধান পুরোপুরি প্রত্যাহারের আহ্বান জানান।

উচ্চশিক্ষার উন্নয়নে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর বিদ্যমান ১০ শতাংশ কর কমিয়ে ৫ শতাংশ করার প্রস্তাবও দেন তিনি। পাশাপাশি গবেষণা জোরদার, ভাষা শিক্ষার জন্য ল্যাঙ্গুয়েজ ল্যাব স্থাপন এবং দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বিনা বেতনে পড়ার সুযোগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক উন্নয়নে পার্বত্য ও সমতল অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীভুক্ত চাকরিজীবীদের বেতনভোগী আয় করমুক্ত করার প্রস্তাবও দেন প্রধানমন্ত্রী।

দেশীয় শিল্প ও রপ্তানি খাতের বিকাশে চিংড়ি চাষে ব্যবহৃত বিভিন্ন উপকরণ আমদানির ওপর শুল্ক ও ভ্যাট প্রত্যাহার, স্থানীয় শিল্পের কাঁচামাল আমদানিতে রেয়াত, মধু আমদানির সম্পূরক শুল্ক বাতিল এবং পিভিসি ও পেট রেজিনের আমদানি শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করার সুপারিশ করেন তিনি। এছাড়া ফায়ার ডোর তৈরির কাঁচামাল ও শিল্পপণ্যের কিছু আমদানির ওপর বিদ্যমান রেগুলেটরি শুল্ক ও আগাম কর প্রত্যাহারের প্রস্তাবও দেন।

প্রধানমন্ত্রীর এসব প্রস্তাবের সময় সরকারি ও বিরোধী দলের সদস্যরা টেবিল চাপড়ে সমর্থন জানান।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

কালো টাকা সাদা করার বিধান বাতিলের প্রস্তাব

সর্বশেষ আপডেট ০৭:২৬:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কালো টাকা সাদা করার বিতর্কিত বিধান বাতিলের প্রস্তাব দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়ানো, দেশীয় শিল্পে কর-সুবিধা এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর কমানোর মতো জনবান্ধব বিভিন্ন সংশোধনী তুলে ধরেন।

সোমবার সংসদে দেওয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসানের পর দেশের অর্থনীতিতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ দ্রুত দেশে ফেরানো সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।

তিনি ব্যক্তি করদাতাদের করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়িয়ে ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ করবর্ষে ৪ লাখ টাকা, ২০২৮-২৯ ও ২০২৯-৩০ করবর্ষে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং ২০৩০-৩১ করবর্ষে ৫ লাখ টাকা করার প্রস্তাব দেন।

প্রধানমন্ত্রী অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে কালো টাকা সাদা করার বিধান পুরোপুরি প্রত্যাহারের আহ্বান জানান।

উচ্চশিক্ষার উন্নয়নে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর বিদ্যমান ১০ শতাংশ কর কমিয়ে ৫ শতাংশ করার প্রস্তাবও দেন তিনি। পাশাপাশি গবেষণা জোরদার, ভাষা শিক্ষার জন্য ল্যাঙ্গুয়েজ ল্যাব স্থাপন এবং দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বিনা বেতনে পড়ার সুযোগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক উন্নয়নে পার্বত্য ও সমতল অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীভুক্ত চাকরিজীবীদের বেতনভোগী আয় করমুক্ত করার প্রস্তাবও দেন প্রধানমন্ত্রী।

দেশীয় শিল্প ও রপ্তানি খাতের বিকাশে চিংড়ি চাষে ব্যবহৃত বিভিন্ন উপকরণ আমদানির ওপর শুল্ক ও ভ্যাট প্রত্যাহার, স্থানীয় শিল্পের কাঁচামাল আমদানিতে রেয়াত, মধু আমদানির সম্পূরক শুল্ক বাতিল এবং পিভিসি ও পেট রেজিনের আমদানি শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করার সুপারিশ করেন তিনি। এছাড়া ফায়ার ডোর তৈরির কাঁচামাল ও শিল্পপণ্যের কিছু আমদানির ওপর বিদ্যমান রেগুলেটরি শুল্ক ও আগাম কর প্রত্যাহারের প্রস্তাবও দেন।

প্রধানমন্ত্রীর এসব প্রস্তাবের সময় সরকারি ও বিরোধী দলের সদস্যরা টেবিল চাপড়ে সমর্থন জানান।