মন্ত্রিসভায় আশরাফ উদ্দিন বকুলকে দেখতে চায় জনতা
- সর্বশেষ আপডেট ০৮:০৭:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬
- / 54
রায়পুরা আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুলের ধারাবাহিক সংসদীয় ভূমিকা, উন্নয়ন উদ্যোগ ও স্থানীয় সমস্যা তুলে ধরার কারণে এলাকায় তাকে কেন্দ্র করে নতুন রাজনৈতিক আলোচনা তৈরি হয়েছে। স্থানীয়দের বড় একটি অংশ তাকে মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব দেওয়ার দাবি জানাচ্ছে।
নরসিংদী-৫ (রায়পুরা) আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল সংসদে সক্রিয় ভূমিকা রাখার কারণে বর্তমানে ব্যাপক আলোচনায় রয়েছেন। তিনি নিয়মিতভাবে এলাকার সমস্যা, উন্নয়ন চাহিদা এবং জনগণের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো জাতীয় সংসদে তুলে ধরছেন, যা স্থানীয়দের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।
এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর প্রশাসনিক সহায়তায় এলাকায় চাঁদাবাজি, দুর্নীতি, মাদক ও সন্ত্রাস দমনে কঠোর অবস্থান নেওয়ার দাবি স্থানীয় পর্যায়ে রয়েছে। পাশাপাশি রায়পুরা পৌরসভাকে টোলমুক্ত ঘোষণা, মেঘনা নদীর খেয়াঘাটে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধ এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমানোর উদ্যোগও আলোচনায় এসেছে। এসব পদক্ষেপকে অনেকেই প্রশাসনিক স্বচ্ছতার উদাহরণ হিসেবে দেখছেন।
তিনি মেঘনা নদীতে সেতু নির্মাণ, চরাঞ্চলে বেড়িবাঁধ দিয়ে পর্যটন সম্ভাবনা তৈরি, শ্রীরামপুর–ভৈরব রেলপথের পাশে সড়ক নির্মাণ এবং রায়পুরায় বিসিক শিল্পনগরী স্থাপনের মতো পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেছেন। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় অর্থনীতি ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় পরিবর্তন আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
সাম্প্রতিক সময়ে জাতীয় সংসদে ই-জিপি (ইলেকট্রনিক গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্ট) ব্যবস্থা নিয়ে তার বক্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দেয়। তিনি অভিযোগ করেন, এ ব্যবস্থায় কিছু শক্তিশালী ঠিকাদারি চক্রের কারণে স্থানীয় ঠিকাদাররা পিছিয়ে পড়ছেন এবং কাজের মান নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। স্থানীয় ঠিকাদারদের অগ্রাধিকার দিলে কাজের মান ও জবাবদিহিতা বাড়তে পারে—এমন মতও তিনি তুলে ধরেন।
এই বক্তব্যের পর বিষয়টি নিয়ে সরকার পর্যায়ে পর্যালোচনার আশ্বাস আসে বলে জানা যায়।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সংসদে ধারাবাহিকভাবে এলাকার সমস্যা ও সম্ভাবনা তুলে ধরার কারণে আশরাফ উদ্দিন বকুল নিজেকে একজন সক্রিয় জনপ্রতিনিধি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তার অবস্থান এখন শুধু রাজনৈতিক মহলে সীমাবদ্ধ নেই; সাধারণ মানুষের মধ্যেও তা ছড়িয়ে পড়েছে।
এদিকে রায়পুরার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে একটি আলোচনা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে—জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে তাকে দেখতে চান তারা। তাদের মতে, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততা ও সাংগঠনিক ভূমিকা ভবিষ্যতে তাকে আরও বড় দায়িত্বের যোগ্য করে তুলতে পারে।
স্থানীয়দের একাংশের ভাষায়, রায়পুরার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে তার ভূমিকা অব্যাহত থাকলে জাতীয় পর্যায়েও তা ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।




































